Express Insurance Limited
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Express Insurance Limited, Digital creator, Chittagong.
-সে'ক্স করার সময় মনে ছিলো তোমার পরিবার আমাকে মানবে না?
-এখন তো জানবে না? পরকীয়া করার সময় তো কতোই না বাহানা দিছো?
যেখানে আমার বাবা মায়ের অনুমতি নেই
সেখানে আমার বিয়ে করা সম্ভব না।
ঠিক আছে যাও তোমাকে মুক্ত করে দিলাম।
আজকের পরে আমাকে কোথাও পাবেনা।
তোমার কাছে এসে ভালোবাসার কথা বলবো না।
তুমি অন্য কাউকে নিয়ে শুখে থেকো।
আমি তোমাকে মৃত্যুর পরে ও ভালোবেসে যাবো
'কথা গুলা শুনতে খারাপ লাগলেও
এটাই সত্যি?
07/05/2024
আমি যাকে ভালোবেসে ছিলাম তার চোখে আমি আমার জন্যে সম্মান দেখেছিলাম,
আর যার সাথে আমার এই সম্পর্কটা শেষ হয়েছিল;
তার চোখে আমি আবার নিজেকে তাচ্ছিল্য হতেও দেখেছিলাম!'🌸
বাস্তব বলে,এই দুজন মানুষ নাকি একজনই,
কিন্তু আমি মানি না! কারণ প্রথমজনকে
আমি আজও ভালোবাসি ;
আর দ্বিতীয়জনকে আমি আজও চিনি না!'🖤
🌸হুমায়ুন ফরিদী
📸সংগৃহিত
অভিশাপ না দিলেও "রুহের হায়" বলে একটা কথা আছে,যাকে “Revenge of Nature” বলে।কোরআন-এর ভাষায় যেটা“কিফারাহ্”।এ সম্পর্কে বেশ কয়েক বার বলা আছে কোরআনে।যেটা আমাদের বিশ্বাস করতেই হবে।সবসময় হয়তো আমরা বুঝে উঠতে পারি না সঠিক কোন কাজের শাস্তি পাচ্ছি!কাউকে কষ্ট দিয়ে,কাউকে কাঁদিয়ে, কাউকে কথা দিয়ে বেমালুম ভুলে যাই আমরা।কিন্তু প্রকৃতি ভুলে না,ক্ষমা করে না!
এমনকি এই মুহূর্তে আপনি যার সাথে অন্যায় করে ঘুরে বেড়াচ্ছেন,সে হয়তো প্রতিবাদ করবেনা! কিন্তু তার ওই কষ্ট থেকে আসা 'রুহের হায়' আপনার সাথে বোঝাপড়াটা সঠিক সময়ে করে নিবে। কারণ সৃষ্টিকর্তা কাউকে ঠকান না, তিনি কারোর একার না!🙂
ভালোবাসার মানুষটাকে এখন আর ভালো লাগতেছে না? দূরত্ব বাড়িয়ে দিতে ইচ্ছে হচ্ছে? ছেড়ে দিতে ইচ্ছে হচ্ছে? সম্পর্ক শেষ করে দিতে ইচ্ছে হচ্ছে? তবে এখন আপনার করণীয় কি জেনে নিন!
যেহেতু মানুষটাকে আপনার ছাড়া'ই লাগবে, মানুষটার কোনো দোষ বা ভুল খুঁজে বের করতে হবে! সেটাকে একটা বড় 'ইস্যু' বানাতে হবে! আপনি তো আর এমনি এমনি ছেড়ে আসতে পারবেন না, হাজারহোক আপনি একজন বিবেকবান মানুষ, কাউকে ডিরেক্ট ছেড়ে আসাটা অন্যায় বলে মনে হবে আপনার কাছে! আর ডিরেক্ট কাউকে ছাড়া যায়'ও না, কারণ মানুষটা আপনাকে বারবার 'ছেড়ে দেয়ার কারণ' জিজ্ঞেস করবে! আর তাকে উত্তর দেয়ার মতো আপনার কাছে থাকবেও না কিছু! কাজেই আপনাকে যেটা করতে হবে, 'মানুষটাকে আপনার অনবরত ইগনোর করা শুরু করতে হবে!'
হ্যাঁ মুখে অবশ্যই তাকে বলবেন যে 'ভালোবাসি তোমাকে!' কিন্তু কাজে কর্মে প্রচুউউর ইগনোর করবেন, করতেই থাকবেন! তার অপছন্দের কাজগুলো বেশি বেশি করতে থাকবেন!
তারপর মানুষটা বুঝবে আপনি তাকে ইগনোর করতেছেন! সে আপনাকে জিজ্ঞেস করবে 'তাকে কেনো ইগনোর করতেছেন!?' আপনি ক্লিয়ার করে কোনো উত্তর দিবেন না, বরং অনবরত ইগনোর করা চালিয়ে যাবেন! তারপর একসময় মানুষটা মা/ন/সিক ভাবে প্রায়ই পা/গল হয়ে যাবে, অস্থির হয়ে উঠবে তাকে ইগনোর কেনো করা হচ্ছে সেই কারণ জানতে না পেরে!
ঠিক এমন সময়টায় মানুষটার উপর আপনার ভালোভাবে নজর রাখতে হবে! মানুষটা মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে কোনো ভুল কিংবা আপনার অপছন্দনীয় কোনো কাজ করতেছে কিনা ভালোভাবে দেখতে হবে! একবার যদি এমনকিছু করে ফেলে, তাইলেইই কাজ শেষ! আপনার মিশন সাকসেস!
তারপর মানুষটারে তার ভুলটার জন্যে ধরবেন! এমন এক্টিং করবেন, 'যেনো সে আপনার বিশ্বাসে আ/ঘাত দিয়েছে, আপনাকে অনেক বেশি কষ্ট দিয়েছে, আপনার প্রতি তার কোনো ভালোবাসাই নেই!'
মানুষটাও তখন ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে যাবে, সে আসলেই ভুল কোনো কাজ করে ফেললো তাই!
তারপর আপনি সুযোগ বুঝে তাকে বিচ্ছেদের কথা জানাবেন, মুক্তি চাইবেন তার কাছ থেকে! সেও আর আপনাকে কোনোরকম বাঁধা দিতে পারবে না, যেহেতু সে ভুল করেছে কিংবা আপনাকে আঘাত দিয়েছে! তো সবশেষে সফলভাবে একটা সম্পর্কের সমাপ্তি ঘটাতে সক্ষম হবেন আপনি!
অতীত ভুলতে কিংবা অবসরে বিনোদন নিতে যারা সমপর্কে জড়ায়, তারা বিপদজনক! এরা নিজের সুবিধা অনুযায়ী সার্থ ছাড়া দ্বিতীয় কিছু ভাবে না। নিজে ভালো থাকতে দিনের পর দিন অন্য কারো সময় এবং অনুভূতি ব্যয় করে তাকে প্রচন্ড নিঃস্বগ করে দেয়াই এদের কাজ।
ওরা ভালোবাসে না।ভালোবাসার ভান করে মাএ।
অবসরে নিজের নিঃস্বতা দূর করতে এরা মানুষের আবেগ এবং বিশ্বাস নিয়ে খেলা করে।
খেয়াল করে দেখবেন,,
এরা নিজের সুবিধা অনুযায়ী সময় দেয়।আপনার মন খারাপ, একাকিত্ব কিংবা প্রয়োজন এদের নাগাল পাবে না কখনোই।আপনার অনুভূতি সময়কে ব্যবহার করে,
যখন এরা আপনার প্রতি আগ্রহ হারায়ে ফেলবে,
তখন আপনাকে এভোয়েড করা শুরু করবে
প্রচন্ড লেভেলের মাইন্ড গেইম খেলে এরা। নিজের কোন প্রকার দোষ না রেখে, সমপর্ক থেকে অনায়াসে বের হতে এরা ব্যস্ততা আর পরিস্থিতি অযুহাত নাম করে এড়িয়ে চলে,, যাতে আপনি নিজেই সমপর্ক থেকে সরে যান।অতীত ভুলতে কিংবা অবসরে সময় কাটাতে এসব মানুষ ঠিক এমন মানুষেদের বেছে নেয়,
যারা প্রতিশোধ নিবে না কখনোই।
একটু ইমোশনাল, স্রেফ ভালোবাসা লোভী,সরল,এবং
শান্ত সৃষ্ট মানুষগুলো তাদের পছন্দের কাতারে থাকে।
এরা চালাক -চতুর মানুষ একদম পছন্দ করে না।
নিজের দিকটা ঠিকঠাক সামলে রেখে,সমপর্ক ভাসমান অবস্থায় থাকে। যেকোনো মূহুর্তে এরা সমপর্ক থেকে নিজেকে বের করে নিয়ে আসার ক্ষমতা রাখে।
এসব ভন্ড মানুষ গুলো,, ঠিক যেমন চাই, তেমন না হলে
এরা সমপর্ক রাখে না।সমপর্কে যদি সিরিয়াস হয়ে যান,
যদি সত্যি ভালোবেসে ফেলেন, তবে যেকোনো উপায়েই তারা সমপর্ক থেকে সরে দাঁড়াবে। এরা চায়, ঠিক এদের মতোই জাস্ট টাইম পাস করে এমন মানুষ।
সিরিয়াস হয়ে গেলে বাস্তবতা, পরিস্থিতি, আর পরিবারের অযুহাত দিয়ে এরা সমপর্ক থেকে মূহুর্তে সরে দাঁড়ায়। আপনার প্রয়োজন ফুরিয়ে গেলে এরা ছুটে নতুন কোন টার্গেটে,নতুন করো কাছে।
এরা কারো জীবনে স্হায়ী হয়ে আসে না, একজনের কাছে ঠিক যতটুকু ভালো থাকে,ঠিক অন্য আরেকজনের সাথে আরও বেশি ভালো থাকার জন্য
এরা মূহুর্তে সমপর্কটার ইতি টানে,এরা ভাসমান,এদের বিশ্বাস করে নিজের ধ্বংস নিজেই ডেকে আনা কোন মানে নেই।
আল্লাহর হক আল্লাহ মাফ করলে করতে ও পারেন। কিন্তু বান্দার হক নষ্ট করলে আল্লাহ কখনোই মাফ করবেন না।
মানুষ অভিশাপ দিক বা না দিক!
চোখের জল ঠিকই অভিশাপ দেয়,
অন্যায়ভাবে কাউকে ঠ'কানোর প্র'তি'শো'ধ
একদিন প্রকৃতি ঠিকই নেয়।
বিনা দো'ষে কাঁ'দালে কাউকে
তুমিও কাঁ'দবে একদিন,
মনে রেখো সে কথা!
প্রকৃতি ভুলে না কারো ঋণ।
গোলাকার এই পৃথিবীতে
ঘুরে ফিরে ফিরে আসে সব,
যা করবে তা-ই পাবে
মিছেই এত হা'পি'ত্যে'শের ক'লরব।
লাভের চিন্তায় বিভোর হয়ে
ভাবলেই তো না,
পাপের পাল্লা ভারী করছ
দেখেও দেখলে না।
টাকা-পয়সা, গাড়ি - বাড়ি
পরে রবে সব,
অথচ এসবের জন্যই এত
ঠ'কানো ও ক'লরব।
দুইদিনের ভালো থাকা নিয়ে
কারোরই মাথাব্য'থার নেই অন্ত,
অথচ পারের কড়ি সন্ধানে সবাই
কি চমৎকারভাবেই না শান্ত।
খালি হাতে এসেছ খালি হাতেই যাবে
তবে কেনো এত ঠ'কানোর চেষ্টা?
তোমার কর্মই যে শুধু তোমার সঙ্গে যাবে
তবে কেমন হবে শেষটা?
কখনো ভেবে দেখেছ?
কি নিয়ে এসেছিলে আর কি নিয়ে যাবে!
লাভের চিন্তা ছাড়া ওসব নিয়ে ভাবার,
সময় কি একটু এ ধারায় পাবে?
লাভের পাল্লায় পা'পের ওজন
করতে জানলে না,
বৃ'থাই তোমার মানব জন্ম
পা'প-পূণ্যের হিসাব ক'ষলে না।
জীবনে ম'রণে ভালো থাকতে চাইলে!
সৎ মানুষ হও,
ম'রে গিয়ে থাকবে বেঁ'চে
ভালো কর্ম করে যাও।
"লাভের পাল্লায় পা'পের ওজন করতে জানলে না"
বে'ঈ'মা'ন'টার কথা ভেবে রাতে
আজও ঘুম আসেনা চোখে
কত কথা, কত স্বপ্ন, কত ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা
সবটাই ছিলো কিনা শুধু মুখে মুখে?
কোনো কথা, কোন প্রতিশ্রুতিই কি
তুমি মন থেকে করোনি?
আমায় ভালোবাসতে তুমি
সত্যিই মন থেকে পারোনি?
তবে কেনো নাটক করে গেলে?
দিনের পর দিন, বছরের পর বছর!
কোন জন্মের শ'ত্রু'তার জের তুললে?
আমাকে ভে'ঙ্গে'চু'রে করে একাকার।
আজ আর ভালোবাসাটা নেই
তবে একবুক ঘৃ'ণা আছে
যা থাকবে আমরণে,
ঘৃ'ণাটা যতটা না তোমার প্রতি
তার থেকে বেশি নিজের প্রতি
তোমায় চিনতে না পারার কারণে।
"বে'ঈমানটার কথা ভেবে আজও ঘুম আসেনা চোখে"
প্রায়োরিটি দিয়ে যখন অবেলা গা ছুবে, তখন বুঝবেন বিপরীত পাশের মানুষটা অন্য কোথাও প্রায়োরিটিতে গা ভাসাচ্ছে।
অবহেলা তখনই আসে যখন প্রয়োজন ফুরিয়ে যায়।প্রয়োজন ফুরিয়ে গেলেই মানুষ হারাবে এটাই নিয়ম।
তুমি যার কাছে শুধুই প্রয়োজন তার কাছে প্রত্যাশায় প্রত্যাখ্যান হবে, হবেই।
ভালবাসা বুঝা যায়, যত্নে, মায়ায়,দরদে। প্রত্যাশার কথা যখন ফিরিয়ে দেয় কেউ তখন বুঝবে অংকের জীবনে তুমি বিয়োগ হয়ে গেছো।
মানুষ মুখ ফিরিয়ে নেওয়ার আগে বুক ফিরিয়ে নেয়, তোমার বুঝতে হবে কোনটা বুক ফিরিয়ে নেওয়া। অবহেলা, অযত্নেই বুক ফিরিয়ে নেওয়ার সূত্র।
যার কাছে তুমি মুল্যবান সে তোমাকে কখনোই অবহেলার কাছে ছুড়ে মারবে না, অবহেলা তখনই আসে যখন তোমার মূল্য শূন্যের কোঠায় নেমে আসে।
নিজেকে সেখানে প্রমাণ করতে যেও না, যেখানে তুমি মূল্যহীন। তুমি প্রমাণ করতে পারবে না, অজুহাত কিংবা অপ্রয়োজন করে তোমাকে সে ভুলই প্রমাণ করবে। বরং নিজেকে সেখান থেকে সরিয়ে আনো যেখানে তুমি প্রায়োরিটিহীন, অবহেলার পাত্র। কষ্ট হবে কিন্তু মেনে নাও, যত তাড়াতাড়ি মানাবে ততো তাড়াতাড়ি তুমি ভুল জীবনের সমাধান খুঁজে পাবে।
কাউকে যদি সত্যিই খুব বেশিই ভালোবাসেন মানুষটার সাথে থাকতে চান মনে মনে তাকে নিয়ে ছোট্ট একটা সংসার গড়ে তুলেছেন, মানুষটা কে কোন অজুহাত দেখিয়ে তার জীবন থেকে সরে যাবেন না দয়া করে, আমরা সবাই মানুষ সৃষ্টিকর্তার সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব ভালোবাসা নামক অনুভূতিগুলো একমাত্র আমরাই প্রকাশ করতে পারি, আবেগ ইমোশন্স সব আমাদের দ্বারাই প্রকাশিত হয়, কার কোথায় জন্ম এটা না দেখে মানুষটা কতটুকু ভালো সে আপনাকে কতটা চায়, আপনার জন্য তার সময় কতটা, সে আপনাকে কতটা প্রায়োরিটি দেয় সেটা দেখুন মানুষ টা বেকার হোক আর যাই হোক না কেনো মানুষটা কে বিনা অজুহাতে কাছে রেখে দিন, আমি বলছি একদিন সব ঠিক হয়ে যাবে আপনার এই সেক্রিফাইস আপনার মানুষটা কে নতুন জীবন দিতে পারে, আপনার সঙ্গ পেলে মানুষটা বদলে যেতে পারে, হাজার কষ্ট করে হলেও গড়ে নিতে পারে আপনার জন্য সুখের একটা ছোট্ট সংসার, আপনাকে ভালোবাসে সে কখনই কোন ধরনের কষ্ট আপনাকে ছুতে দিবেনা, মানুষটা বোবা মানুষের মতো সকল ধরনের কষ্ট সহ্য করে গেলেও সে কখনো আপনাকে বুঝতেই দিবেনা কারণ তার কাছে সবচাইতে ইমপোর্টেন্ট আপনার মুখের এক চিলতে সুখের হাসি....
বিশ্বাস করেন যে মানুষ টা আপনাকে পাগলের মতো ভালোবাসে তাকে কখনো ছেড়ে যাবেন নাহ চোখ বন্ধ করে হলেও তার সাথে থেকে যান, একটাই তো জীবন ভালোবাসে মানুষটা কে একবার আগলেই ধরে দেখুন না, সব পুরুষ বেইমান হয় নাহ, কেউ কেউ তার ভালোবাসার মানুষটা কে পাগলের মতোই ভালোবাসে, আপনি সেই মানুষটার কাছে তার শখের মানুষ, সবাই শখের মানুষ হতে পারেনা, তার কাছে তার ভালোবাসার মানুষটা এক অন্যরকম অনুভূতি, তার মানসিক শান্তি, জীবনে চলার পথে অনেকের সাথেই তো কথা হয় দেখা হয় কই সবার সাথে তো এভাবে সখ্যতা গড়ে উঠে নাহ, অন্য কাউকে দেখলে বুকের ভিতর এক অজানা অনুভূতি কাজ করেনা, যেটা শুধু আপনার জন্যই কাজ করে, এত এত মানুষ থাকতে একটা মানুষ সমাজের বিরুদ্ধে গিয়ে পরিবারের বিরুদ্ধে গিয়ে, এমন কি নিজের সাথে যুদ্ধ করে হলেও সে আপনাকে সারাজীবন তার কাছেই রেখে দিতে চায়, চিৎকার করে আর্তনাদ করে সে আপনাকেই চায়, সৃষ্টিকর্তার দরবারে দরবারে দুহাত পেতে আপনাকেই চায়,, সৃষ্টিকর্তা চাইলে সব ঠিক করে দিতে পারেন, ভালোবেসে ভরসা করে মানুষটার হাতটা একবার শক্ত করে ধরেই দেখুন নাহ, পৃথিবীর আর কোন শক্তি হয়তো আপনাদের আলাদা করতে পারবে না, আপনি চাইলে হয়তো কুড়ে ঘরে থেকেও সুখের সংসার গড়ে নেওয়া যাবে, এইযে মানুষের এত বড় বড় অট্টালিকা গাড়ি বাড়ি সম্পদের হয়তো শেষ নেই খোঁজ নিয়ে দেখুন তারা কোন না কোন দিক থেকে অসুখী, তাদের জীবনেও কিছুনা কিছু কমতি রয়েই গেছে, গাড়ি বাড়ি আসবে যাবে ভালোবাসার মানুষটা একবার হারিয়ে গেলে কেঁদে কেঁদে ভাসিয়ে দিলেও আর তাকে পাবেন না, ছুতে পারবেন না, দেখতে পারবেন না, হাজার চেষ্টা করেও আর তার সাথে যোগাযোগ স্থাপন করতে পারবেন না,, সে হয়তো আপনার সাথে কথা বলার জন্য ছটফট করবে আপনার আশেপাশে ঘুর ঘুর করবে কিন্তু চাইলেও ছুতে পারবে না, আপনার সাথে কথা বলতে পারবে না, যে মানুষটা একবার হারিয়ে যায় চিরতরের জন্য সে আর ফিরে আসে না, ফিরে আসে না কিছুতেই, তাই সময় থাকতে মানুষটা কে আগলে ধরুন তার বেঁচে থাকার কারণ হোন, তার স্বপ্নযাত্রী হোন, দুই দেহ এক আত্মা হয়ে থেকে যান নাহ, তার একান্তই একটা শখের মানুষ হয়েই থেকে গেলেন না হয় চিরতরের জন্য, আপনাদের ভালোবাসা সবার কাছে উদাহরণ হয়ে থাকুক, বুঝিয়ে দেন নাহ কেউ কেউ ভালোবাসে থেকে যাওয়ার জন্যই ছেড়ে যাওয়ার জন্য নয়...
প্রশ্ন- বিয়ের আগে জেনা করলে বিয়ের সময় মিথ্যা বলা যাবে কি?
তওবা করার দ্বারা দ্বীনদারি ফিরে আসে, তাক্বওয়া ফিরে আসে। কিন্তু কুমারীত্ব ফিরে আসেনা। কেউ যদি কাউকে খুন করার পরে তওবা করে তাহলে তার পাপ আল্লাহ মাফ করে দিতে পারেন কিন্তু মারা যাওয়া ব্যক্তি আবার পৃথিবীতে ফিরে আসবেনা। অকুমারি কেউ নিজেকে কুমারী হিসেবে জাহির করে বিয়ে শাদী করাও জায়েজ নেই। এজন্য সবচেয়ে সহজ সমাধান হলো, যারা জীবনে এ ধরণের পাপ করে পরে তওবা করেছেন তারা এমন কাউকেই জীবনসঙ্গী হিসেবে বেছে নেয়া যে নিজেও পূর্বে ভুল করে পরে তওবা করেছে।
তুমি চলে যাওয়ার পর থেকে সব 'খালি খালি' হয়ে গেলো! ইনবক্সে তুমি নাই, মেসেঞ্জারে যাওয়া হচ্ছেনা। কোনো একটা রিলস দেখে সেটা তোমাকে পাঠাতে গিয়ে মনে পড়ে 'ওহ! তুমি তো নাই!'
মেসেঞ্জারের কল লিস্টে তোমার নাম টাও আর দেখা যাচ্ছেনা, অথচ এক সময় শুধুই তোমার নাম ই থাকতো সেখানে!
এতো পরিবর্তন হজম হয়? নাহ! তুমি থাকলে কি আর এমন হইতো? সুখেই থাকতাম! তোমার জন্য খারাপ লাগে,নিজের জন্য খারাপ লাগে! সুখেই থাকতাম, থাকা হলো না! সুখে থাকতে চাওয়াও পাপ!
Miss u Adi❤️❤️❤️
Click here to claim your Sponsored Listing.