Regent Container Line
Shipping and freight forwarding.
29/10/2024
আল্লাহ বলেন, আমি ৬টি জিনিসকে লুকিয়ে রেখেছি ৬টি স্থানে। কিন্তু মানুষ তা খুঁজে বেড়ায় ভিন্ন জায়গায়।
১. আমি দ্বীন ইসলামকে রেখেছি ক্ষুধা, দারিদ্রতা ও ধৈর্যের মধ্যে, কিন্তু মানুষ তা খোঁজে উদরপূর্তি ও দুনিয়ার স্বচ্ছলতার মধ্যে।
২. আমি সম্মান রেখেছি শেষ রাতের ইবাদতে, কিন্তু মানুষ খোঁজে, শাসক ও ক্ষমতাবানের সাহচর্যে।
৩. আমি সুখ স্বাচ্ছন্দ্য রেখেছি জান্নাতে, কিন্তু মানুষ তা খোঁজে দুনিয়াতে।
৪. আমি বড়ত্ব রেখেছি বিনয় ও নম্রে, কিন্তু মানুষ তা খোঁজে অহংকারে।
৫. আমি ধনী হওয়া রেখেছি অল্প তুষ্টিতে, কিন্তু মানুষ তা খোঁজে লোভ- লালসার মধ্যে।
৬. আমি দোয়া কবুল হওয়াকে নিহিত রেখেছি হালাল উপার্জনের মধ্যে, কিন্তু মানুষ তা খোঁজে হারাম উপার্জনে।
আল্লাহ পাক আমাদেরকে সঠিকভাবে আমল করার তাওফিক দান করুন,
আ-মীন।
25/10/2024
ঈসা (আঃ সাঃ) ইহুদীদের একটি দলের মধ্য দিয়ে যাচ্ছিলেন, যারা তাঁকে অভিশাপ দিয়েছিল, কিন্তু ঈসা (আঃ সাঃ ) তাদের জন্য রহমতের দুয়া করলেন। ঈসা ( আঃসাঃ) কে বলা হয়েছিলো , তারা তোমাকে মন্দ বলে আর তুমি তাদেরকে বোল উত্তম। তখন তিনি জবাব দিতেন, “ যার যা আছে ; সে তো তাই দান করবেন” ।
24/10/2024
ক্ষমতা দুর্নীতির দিকে ধাবিত করে, নিরঙ্কুস ক্ষমতা পুরোপুরিভাবেই দুরনিতিগ্রস্থ করে তোলে। একজন নেতার সবচেয়ে খারাব দুর্নীতি হল এমনটা বিশ্বাস করা এবং অন্যদেরও সেটা বিশ্বাস করতে উৎসাহিত করা যে, একজন মানুষ অন্য যে- কোনো মানুষ অপেক্ষা বড় কিছু; সে অতিমানব , এমন কি কোনো কোনো চরম পর্যায়ে ঈশ্বরের থেকেও সে বড়। এইটার মধ্যই প্রতিমাপূজার চুরান্ত রুপ লক্ষ্য করা যায়, যেটার প্রতিমা পুজা থেকে মহানবী হযরত মহাম্মদ (সাঃআঃ) মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিলেন।
দ্যা লিডারশীপ অফ মুহাম্মদ(সাঃ আঃ)
23/10/2024
খলিফা হারুন অর রশিদ পানি পান করতে যাবেন, গ্লাস ঠিক ঠোঁটের কাছে নিয়েছেন, এমন সময় হযরত বহলুল (রহঃ) বললেন, "আমিরুল মুমিনীন! একটু থামুন। পানি পান করার আগে আমার একটি প্রশ্নের উত্তর দিন।"
খলিফা বললেন, "বলো কি জানতে চাও?"
বহলুল (রহঃ) বললেন, "মনে করুন আপনি প্রচন্ড তৃষ্ণার্ত হয়ে এমন মাঠে আছেন যেখানে পানি নাই। পিপাসায় আপনার প্রাণ ওষ্ঠাগত। এমন অবস্থায় আপনি এক গ্লাস পানির জন্য কতটা মূল্য ব্যয় করবেন?"
খলিফা বললেন, "যেহেতু পানি না পেলে আমার মৃত্যু হবে তাই আমার পুরো সম্পত্তিও ব্যয় করে দিতে পারবো।"
হযরত বহলুল (রহঃ) বললেন, "ঠিক আছে এবার বিসমিল্লাহ বলে পানি পান করেন।"
খলিফা পানি পান করলেন। এবার হযরত বহলুল (রহঃ) বললেন, "আমার আর একটি প্রশ্ন আছে।"
খলিফা বললেন, "বলো।"
বহলুল (রহঃ) বললেন, "এই পানি যদি আপনার শরীর থেকে না বের হয়, পেটেই জমা থাকে। প্রসাব বন্ধ হয়ে যায়, সেই পানি বের করবার জন্য কত টাকা ব্যয় করবেন?"
-প্রসাব বন্ধ হলে তো আমি সহ্য করতে পারবো না। মারা যাবো। জীবন বাঁচাতে একজন ডাক্তার যতটা চায় ততটাই দিবো। আমার পুরো রাজত্ব চাইলেও দিয়ে দিবো।"
হযরত বহলুল (রহঃ) বললেন, তাহলে বোঝা গেল আপনার পুরো রাজত্ব এক গ্লাস পানির দামের সমানও নয়। মাত্র এক গ্লাস পানি পান করতে বা বের করতে আপনি পুরো রাজত্বও দিয়ে দিতে চান। তাহলে কত গ্লাস পানি নিয়মিত পান করেন আর বের করেন, এটা একটু ভাবেন আর এই নেয়ামত যিনি দিয়েছেন তার শুকরিয়া আদায় করেন।"
শরীর থেকে পানি বের করার জন্য সবচেয়ে প্রয়োজনীয় যে অঙ্গ তাহলো কিডনি। করাচির এক ডাক্তারকে (কিডনি বিশেষজ্ঞ) একবার একজন সাংবাদিক প্রশ্ন করেছিলেন, "বিজ্ঞান এখন এতো উন্নত, আপনারা একজনের কিডনি অন্যের শরীরে প্রতিস্থাপন করেন তাহলে কৃত্রিম কিডনি তৈরি করতে পারছেন না কেন?"
ডাক্তারের উত্তরটি ছিলো খুবই আশ্চর্যজনক।
তিনি বলেছিলেন, "সায়েন্সের এই উন্নতি সত্ত্বেও কৃত্রিম কিডনি তৈরি করা খুব কঠিন। কারণ আল্লাহ তায়ালা কিডনির ভেতরে যে চালনি যুক্ত করেছেন তা খুব সুক্ষ্ম এবং পাতলা। এখনো পর্যন্ত এমন যন্ত্র আবিষ্কার হয়নি যা এমন সুক্ষ্ম ও পাতলা চালনি তৈরি করতে পারে। আর যদি কোটি কোটি টাকা ব্যয় করে চালনি তৈরি করাও হয় তবুও কিডনির ভেতর এমন একটি জিনিস আছে যা তৈরি করা আমাদের ক্ষমতার বাইরে। জিনিসটি হলো একটি মস্তিষ্ক (sensor)। এই মস্তিষ্ক ফায়সালা করে যে, এই মানুষের শরীরে কতটুকু পানি রাখা চাই আর কতটুকু ফেলে দেওয়া চাই। তার ফায়সালা শতভাগ সঠিক হয়।
ফলে আমরা যদি কোটি কোটি টাকা ব্যয় করে কৃত্রিম কিডনি তৈরি করেও ফেলি, তবুও আমরা এতে মস্তিষ্ক তৈরি করতে পারবো না, যা আল্লাহ রাব্বুল আলামিন প্রতিটি মানুষের কিডনিতে সৃষ্টি করেছেন।"
পানি পান এবং নিষ্কাশনের প্রক্রিয়াটি খুব করে মনে পড়ে যখন সূরা যারিয়াতের ২১ নং আয়াত পড়ি। সেখানে মহান রব বলেছেন-
"তোমরা কী নিজেদের সত্ত্বা নিয়ে কখনো চিন্তা করে দেখেছো?"
13/10/2024
১। “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু” এই সব্ধটিই সবচাইতে বড় জিহাদ আর এই একত্ববাদের গুরুত্ব তৎকালীন কুরাইশ বা কাফেররা বুঝতে পেরেছিল বলেই তারা আল্লাহ্র একত্ববাদের স্বীকৃতি না দিয়ে আমাদের নবী হযরত মহাম্মদ সাঃআঃ) কে গোটা মক্কার ধন ভানভান্ডার এমন কি মক্কার রাজত্ব প্রজন্ত দিয়ে দিতে চেয়েছিলেন কিন্তু আল্লাহ্র রাসুল ( সাঃআঃ) তাঁর জবাবে বলেছিলে “ আমার এক হাতে যদি চাঁদ এবং অন্য হাতে সূর্যও দেওয়া হয় আমি তা নেব না “। আমি চাই তোমরা স্বীকার করো এই একত্ব বাদ। আমার রাসুল ১/১১ মতো করেননি। তিনি ক্ষমতা হাতে নিয়ে কুরাইশদের বলতে পারতেন “ এবার বল , লা ইল্লাল্লা ইল্লাহু” । এই রকম করলে সেই দ্বীন প্রতিষ্ঠা পেত না এবং তা চিরস্থায়ী হতো না। তিনি একে একে প্রথমে মক্কার পথে পথে এই একত্ব বাদের অর্থ বুঝিয়েছেন কুরাইশ বা কাফেরদের এবং দলে ভারি ভারি লোককে যুক্ত করতে সক্ষম হয়েছিলেন, যেমন হযরত আবু বকর ( রাঃআঃ) হযরত ওমর (রাঃআঃ)। তখন অনেক মক্কাবাসী লজ্জা পেয়েছিল। তাঁর পরের ১৩ বৎসরের ইতিহার আমরা কমবেশি জানি।
মৃত্যুর জন্য অনেক রাস্তা আছে কিন্তু জন্মের জন্য? "শুধুই মা" এইটা আল্লাহার পরিকল্পনা।
10/10/2024
❝আল্লাহ তায়ালা কেমন ক্ষমাশীল❞
ফিরাউনের মৃত্যুর বর্ণনা দিতে গিয়ে জিবরাইল (আঃ) বলেন,
''পানিতে তলিয়ে যাওয়ার পর, আমি ফিরাউনের মুখে লাথি দিয়ে কাদা-মাটি ঢুকিয়ে দিতে থাকলাম। কেননা আমি আশঙ্কা করেছিলাম সে হয়তো শেষ মুহূর্তে এসে ''লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ'' পড়ে বসবে আর আল্লাহ্ তাকে ক্ষমা করে দেবেন।''
এই হাদিস থেকে আল্লাহর সাথে জিবরাইল (আঃ) সম্পর্কের একটা চমৎকার দিক উপলব্ধি করা যায়।
তিনি এও জানেন, ফিরাউনের ঔদ্ধত্য যত বড়ই হোক না কেন, আল্লাহর দয়া ও ক্ষমাশীলতা তার থেকেও অনেক বড়। আলহামদুলিল্লাহ! (সুনান আত তিরমিজি: ৩১০৭)
তাহলে এমন দয়ালু রবের দয়া থেকে আমি আপনি কেন দূরে থাকবো....?? একমুহূর্ত দেরী না করে জীবনের সমস্ত ভুলক্রুটির জন্য ক্ষমা চেয়ে ফিরে আসুন রবের দিকে, সন্তুষ্ট চিত্তে, হৃদয়কে রাঙিয়ে তুলুন রবের ভালোবাসায়, নিজেকে গড়ে তুলুন রবের সবচেয়ে কাছের বান্দায়, আর দুনিয়াতে থাকতেই হয়ে যান জান্নাতের মেহমান....!!
09/10/2024
ভালো কাজ উপহার হিসেবে ফিরে আসে
একদিন একটা লোক কাজ শেষে পাহাড়ি এক রাস্তা দিয়ে সাইকেল চালিয়ে বাড়ি ফেরার সময় হঠাৎ দেখতে পেলেন একটা বয়স্ক ভদ্রমহিলা তার বন্ধ হয়ে যাওয়া লাল রঙের একটি গাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে সাহায্য চাইছে, তার পাশ দিয়ে একটার পর একটা গাড়ি বেরিয়ে গেলেও কেউ তাকে সাহায্যের জন্য দাঁড়াচ্ছে না।
তখন লোকটি সাইকেল থেকে নেমে ভদ্রমহিলার সামনে গিয়ে দাঁড়ালেন, আর বললেন আমি কি আপনাকে কোন সাহায্য করতে পারি?
কারখানায় কাজের দরুন লোকটির ময়লা পোশাক, উস্কোখুস্কো চুল দেখে ভদ্রমহিলা ঠিক আশ্বস্ত হতে পারলে না। ভদ্রমহিলার চোখে-মুখে অস্বস্তির ছাপ দেখে লোকটি বুঝতে পারলেন তার মনের ভিতরে কি চলছে? তাই আবার ভদ্রমহিলাকে বললেন, আমি আপনাকে সাহায্য করতেই এসেছিলাম। বাইরে ভীষণ ঠান্ডা আপনি গাড়ির ভেতরে বসে অপেক্ষা করুন। আমি বাকিটা সামলে নিচ্ছি। ওই বয়স্ক মহিলার পক্ষে সরানো অসম্ভব একটা কাজ।
এরপর লোকটি অনেক পরিশ্রম করে টায়ারটি সারাতে সক্ষম হয়। ইতিমধ্যে ভদ্রমহিলা টের পেলেন লোকটি ভালো একজন মানুষ। বুঝতে পারলেন, তিনি যদি না থাকতো তবে পাহাড়ি এই অন্ধকার রাস্তায় তিনি হয়তো বড় কোনো বিপদের সম্মুখীন হতো।
তাই কাজ শেষ হওয়ার পর তিনি লোকটিকে ৫০০ টাকার একটি নোট হাতে দিয়ে বললেন, তুমি আজ আমার জন্য যা করলে তার কোনো মূল্য হয় না তবুও রাখো এটা তোমার ন্যায্য পাওনা। তখন লোকটি মৃদু হেসে ভদ্রমহিলাকে বললেন আমি কাউকে সাহায্য করার বিনিময়ে টাকা নিতে পারব না ম্যাডাম।
আপনি যদি সত্যিই আমাকে সাহায্য করতে চান তবে পরের বার কাউকে সাহায্য করার সময় আমার নামটা মনে করবেন। এই বলে সাইকেল চালিয়ে বিদায় নিলেন। ভদ্রমহিলা ও গাড়ি নিয়ে রওনা দিলেন। খানিকবাদে একটি রেস্তোরাঁয় খাবেন বলে থামলেন।
সেখানে দেখতে পেলেন এক গর্ভবতী মেয়ে সবাইকে খাবার সারফ করছে আচমকা সেই মেয়েটির হাত থেকে একটি কাঁচের পাত্র পড়ে গেল। ম্যানেজার দৌড়ে এসে ভীষণ বকাবকি করল মেয়েটিকে, এবং জানালো এ টাকা তার মাইনে থেকে কেটে নেওয়া হবে। তখন বয়স্ক ভদ্রমহিলা মনে মনে ভাবলেন….
কতটা টাকার দরকার হলে এই গর্ভবতী মহিলাকে এই অবস্থাতেও রেস্টুরেন্টে চাকরি করতে হয়। তাই তিনি যখন খাবার খেয়ে বিদায় নিলেন, তখন যাওয়ার আগে মেয়েটিকে ঢেকে ৪ হাজার টাকা গুজে দিলেন, আর মনে মনে লোকটির বলা কথাটি ভাবলেন…..
এতগুলো টাকা টিপস হিসেবে পেয়ে মেয়েটি তড়িঘড়ি করে বাড়িতে ফিরল দেখল তার স্বামী তখন রাতের খাবার তৈরি করতে ব্যস্ত। মেয়েটি ঢুকেই স্বামীর হাতে ৪০০০ টাকা দিয়ে সমস্ত ঘটনা তাকে জানানোর পর হঠাৎ তার স্বামী বলে উঠলো।আচ্ছা ভদ্রমহিলার গাড়ির রংটা কি লাল ছিল? স্বামীর প্রশ্নে মেয়েটি অবাক হয়ে জিজ্ঞাসা করল হ্যাঁ কিন্তু তুমি কি করে জানলে?
লোকটি তখন মৃদু হেসে উপরের দিকে তাকিয়ে সৃষ্টিকর্তাকে একটা ধন্যবাদ দিয়ে তার স্ত্রীকে বলল..আসলে কি জানো! কে ভালো কাজ করছে, আর কে খারাপ কাজ করছে,সৃষ্টিকর্তা সব দেখেন। মানুষ তার ভালো কাজের ফল ঠিক, কোন না কোন ভাবে এই পৃথিবীতেই ফেরত পেয়ে যায়।
#শিক্ষামূলক আর্টিকেল এবং নানান টিপস পেতে ভিজিট করুন অনুপ্রেরণার গল্প।
07/10/2024
হয়ত সামনের নভেন্মবরে আবার দেখা হবে কিন্তু অন্য ভেনুতে এবং অন্য চেহারায়।
06/10/2024
আমি কুরআনকে ( বিভিন্ন ভাগে) বিভক্ত করে দিয়েছি , যাতে ক্রমে ক্রমে তা মানুষের সামনে পড়তে পারে। আর ( এ কারনেই ) আমি কুরআন পর্যায়ক্রমে নাযিল করেছি ( সূরা ইসরা )
হযরত মহাম্মদ (সাঃআঃ) প্রতি রাকাতে ১০ আয়াত করে সূরা পড়াতেন এবং পরের দিন যাতে তা ব্যাবহারিক অর্থাৎ প্রশিক্ষণের কাজে সাহাবিরা এবং পরবর্তীতে সেই বিধান অনুযায়ী চলতে পারেন।
আর আমাদের খতীবরা বিশেষ করে ফজর এবং এসার নামাজে দীর্ঘ সব সূরা দিয়ে শুরু করেন। তাঁর কি বোঝে মুসলিরা এবং দিনমান কি তাঁর ব্যাবহার করে।
মুল গলদ আমাদের এখানে, আমরা ( অধিকাংশ মুসলিম) আরবি বুঝিনা, তো সেই সব সুরার আমল না বুঝে কীভাবে চলব?
“ মাইলিস্টনর ভাবধারায়”
03/10/2024
আল্লাহতাআলা কোরআনে করিমে মাঝে মাঝে কিছু সংক্ষিপ্ত আয়াত নাজিল করেছেন আর যার ব্যাখ্যার মধ্য আছে মজার মজার সব তথ্য। তেমনই একটি আয়াত সূরা বাকারার ২৪৩ নং আয়াত।
“ তুমি কি তাদেরকে দেখনি যারা-ভয়ে হাজারে-হাজারে তাদের আবাস ভুমি ত্যাগ করেছিল? তারপরে আল্লাহ্ তাদেরকে বলেছিলেন” তোমাদের মৃত্যু হক”। তারপর আল্লাহ্ তাদেরকে জীবিত করেছিলেন। নিশ্চয় আল্লাহ্ মানুষের প্রতি অনুগ্রহশীল; কিন্তু অধিকাংশ লোক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে না”
মুহাম্মদ ইবন ইসহাক ওহাব ইবন মুনাব্বিহ সুত্রে বর্ণনা করেছেনঃ ইউশার মৃত্যুর পর কালিব ইবন ইউফান্না বনী ইসরাইলের নেতা হন এবং তার ইন্তিকালের পর হিযকিল ইবন ইউযী বনীইসরাইলের পরিচালনার দায়িত্তভার গ্রহন করেন। এই হিযকিল ইবনুল আজুয তথা বৃদ্ধার পুত্ররূপে পরিচিত, যার দোয়ায় আল্লাহ্ সে সব মৃত লোকদের জীবিত করে দিয়েছিলেন, যাদের ঘটনা পূর্বোক্ত আয়াতে উল্লেখিত হয়েছে।
আল্লাহ্ যাদের বলেছিলেন” তোমাদের মৃত্যু হোক” এবং তৎক্ষণাৎ তারা সবাই মৃত্যুবরণ করেছিল। এইভাবে সুদীর্ঘ কাল অতিক্রান্ত হয়। একদা হযরত হিযকিল তাদের নিকট দিয়ে অতিক্রম করছিলেন। তিনি থমকে দারান এবং চিন্তা করতে থাকেন। একসময় একটি গায়েবী আওয়াজ এর মাধ্যমে তাকে জিজ্ঞাসা করা হয়, আল্লাহ্ এই মৃত্যু লোকদের জীবিত করে দেন তা কি তুমি চাও? হিযকিল বললেন, জী, হ্যাঁ। এর পর তাকে একে একে নির্দেশ দেওয়া হল, প্রথমে তুমি হাড়দের নির্দেশ কর জোড়া লাগতে, তার অস্থি এইভাবে তারা জীবিত হয়ে যায়।
আল্লাহ্ পাকের নিদর্শনের কথা কোথাও অপূর্ণ থাকলে তিনি তা অন্যত্র ব্যখা দিয়ে আমাদের বুঝিয়েছেন।
সুবাহানাল্লাহ, আমাদের অধিক পড়াশুনা এবং বুজদানের তাওফিক দাও আল্লাহ্।
আল-বিদায়া ওয়ান নিহায়া।
19/09/2024
Saifus zaman proparty.
Click here to claim your Sponsored Listing.
Contact the business
Telephone
Website
Address
Chittagong
4100
Opening Hours
| Monday | 09:00 - 17:00 |
| Tuesday | 09:00 - 17:00 |
| Wednesday | 09:00 - 17:00 |
| Thursday | 09:00 - 17:00 |
| Saturday | 09:00 - 17:00 |
| Sunday | 09:00 - 17:00 |