Creator Anwar
আমরা গুণমানে বিশ্বাসী, পরিমাণে নয়।
16/07/2024
কে আছ জোয়ান, হও আগুয়ান, হাঁকিছে ভবিষ্যত
এ তুফান ভারী, দিতে হবে পাড়ি, নিতে হবে তরী পার!
16/07/2024
ধ্বংস হবে তোমাদের ক্ষমতা ইন শা আল্লাহ কারণ এই ক্ষমতা চিরস্থায়ী নয়।
আসুন সবাই এ আন্দোলনে যোগদান করি। জয় আমাদেরই হবে। ইনশাআল্লাহ।
10/04/2024
ঈদ মানে আনন্দ, ঈদ মানে খুশি। পবিত্র ঈদুল ফিতর মুসলিম তথা ইসলাম ধর্মের অনুসারী মানুষদের প্রথম সর্বোচ্চ ধর্মীয় অনুষ্ঠান। প্রতি বছর আরবি পবিত্র মাহে রমজান মাসের সিয়াম বা রোজা পালনের পর আমাদের কাছে আসে এই ঈদুল ফিতর। সাধারণত রমজানের শেষে শাওয়াল মাসের ১ তারিখে পবিত্র ঈদুল ফিতর পালন করা হয়। পবিত্র ঈদুল ফিতর এর শিক্ষা নিয়ে আমরা আমাদের সামাজিক জীবন সহ আখিরাতের জীবন গড়বো ইনশাআল্লাহ্।
আল্লাহ তায়ালা আমাদের ও আপনাদের সকল নেক আমল তথা ভালো কাজগুলো কবুল করুন, আমিন।
02/04/2024
লাইলাতুল কদর তথা সম্মানিত রাত। যে রাতে পবিত্র কোরআন নাজিল হয়েছে, সে রাতই লাইলাতুল কদর। আল্লাহ তাআলা বলেন: ‘নিশ্চয়ই আমি কোরআন নাজিল করেছি মর্যাদাপূর্ণ কদর রজনীতে। আপনি কি জানেন, মহিমাময় কদর রজনী কী? মহিমান্বিত কদর রজনী হাজার মাস অপেক্ষা উত্তম। সে রাতে ফেরেশতাগণ হজরত জিবরাইল আলাইহিস সালাম সমভিব্যাহারে অবতরণ করেন; তাঁদের প্রভু মহান আল্লাহর নির্দেশ ও অনুমতিক্রমে, সব বিষয়ে শান্তির বার্তা নিয়ে। এই শান্তির ধারা চলতে থাকে উষা পর্যন্ত। (আল কোরআন, সুরা-৯৭ [২৫] আল কদর (মাক্কি), রুকু: ১/২২, আয়াত: ১-৫)
রমজান মাস পবিত্র কোরআন নাজিলের মাস। শবে কদর কোরআন নাজিলের রাত। এ রাতেই প্রথম পবিত্র মক্কা মুকাররমার হেরা পর্বতের গুহায় মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের পক্ষ থেকে ফেরেশতাদের সরদার হজরত জিবরাইল আলাইহিস সালামের মাধ্যমে বিশ্বনবী হজরত মুহাম্মাদ (সা.)-এর প্রতি মহাগ্রন্থ আল কোরআন অবতীর্ণ হয়। আল্লাহ তাআলা বলেন: ‘রমজান মাস! যে মাসে কোরআন নাজিল হয়েছে মানবের দিশারি ও হিদায়াতের সুস্পষ্ট নিদর্শনরূপে।’ (আল কোরআন, সুরা-২ আল বাকারা (মাদানি), রুকু: ২৩/৭, আয়াত: ১৮৫)
শবে কদর রমজানের মধ্যেই। রাসুলে আকরাম (সা.) বলেছেন: ‘তোমরা রমজানের শেষ দশকের বিজোড় রাতগুলোতে শবে কদরকে সন্ধান করো। (মুসলিম)। এ রাতগুলো হলো ২১, ২৩, ২৫, ২৭ ও ২৯। মনে রাখতে হবে, আরবিতে দিনের আগে রাত গণনা করা হয়।
মুহাক্কিকগণ বলেন, আরবিতে ‘লাইলাতুল কদর’ শব্দদ্বয়ে নয়টি হরফ বা আরবি বর্ণ রয়েছে; আর সুরা কদরে ‘লাইলাতুল কদর’ শব্দদ্বয় তিনবার রয়েছে; নয়কে তিন দিয়ে গুণ করলে সাতাশ হয়, তাই সাতাশে রমজানের রাতে শবে কদর হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। (তাফসিরে মাযহারি)
হজরত আয়েশা সিদ্দিকা (রা.) রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে জিজ্ঞাসা করলেন, হে আল্লাহর রাসুল! (সা.) আমি যদি লাইলাতুল কদর সম্পর্কে জানতে পারি, তাহলে আমি ওই রাতে আল্লাহর কাছে কী দোয়া করব? রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন; তুমি বলবে, ‘আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউন, তুহিব্বুল আফওয়া; ফাফু আন্নি।’ অর্থাৎ ‘হে আল্লাহ! আপনি ক্ষমাশীল, ক্ষমা করতে ভালোবাসেন; তাই আমাকে ক্ষমা করে দিন।’ (ইবনে মাজা, সহিহ-আলবানি)
25/03/2024
১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে ঘুমিয়ে থাকা নিরস্ত্র বাঙালির ওপর ট্যাংক, কামান, মেশিনগান নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল পাকিস্তান সেনাবাহিনী। মুহূর্ত বিলম্ব না করে বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ২৬শে মার্চ প্রথম প্রহরেই স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। ওয়্যারলেস ও বেতারযন্ত্রে সেই ঘোষণা পৌঁছে যায় দেশের প্রতিটি প্রান্তে। শুরু হয় প্রতিরোধযুদ্ধ।
বঙ্গবন্ধুকে ২৫ মার্চ দিবাগত রাতেই তাঁর বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের আগেই তিনি বেতার মারফত ঐতিহাসিক এই ঘোষণাটি দিয়ে যান। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সেই ঘোষণাটি ছিলো,
বাংলায়: এটাই হয়ত আমার শেষ বার্তা, আজ থেকে বাংলাদেশ স্বাধীন। আমি বাংলাদেশের মানুষকে আহ্বান জানাই, আপনারা যেখানেই থাকুন, আপনাদের সর্বস্ব দিয়ে দখলদার সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে শেষ পর্যন্ত প্রতিরোধ চালিয়ে যান। বাংলাদেশের মাটি থেকে সর্বশেষ পাকিস্তানি সৈন্যটিকে উৎখাত করা এবং চূড়ান্ত বিজয় অর্জনের আগ পর্যন্ত আপনাদের যুদ্ধ অব্যাহত থাকুক।
ইংরেজিতে: This may be my last message, from today Bangladesh is Independent. I call upon the people of Bangladesh wherever you might be and with whatever you have, to resist the army of occupation to the last. Your fight must go on until the last soldier of the Pakistan occupation army is expelled from the soil of Bangladesh and final victory is achieved.
বঙ্গবন্ধু এই ঘোষণা প্রথমে ইপিআর-এর ওয়্যারলেসের মাধ্যমে প্রচারিত হয় এবং সঙ্গে সঙ্গে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মাধ্যমে এই বার্তা দেশব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে। পরে চট্টগ্রামের স্থানীয় একটি বেতারকেন্দ্র থেকে ২৬ ও ২৭ মার্চ বেশ কয়েকজন শেখ মুজিবের পক্ষে স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করেন।
বঙ্গবন্ধুর আহ্বানে সাড়া দিয়ে বাংলার সর্বস্তরের মানুষ জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে ঐক্যবদ্ধভাবে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। দীর্ঘ ৯ মাস রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধে বাঙালির কাছে পরাজিত পাকিস্তানি বাহিনী ১৬ ডিসেম্বর মুক্তিবাহিনী ও মিত্রবাহিনীর যৌথ কমান্ডের কাছে আত্মসমর্পণ করে। মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লাখ শহীদের আত্মত্যাগ ও দুই লক্ষ মা বোনের সম্ভ্রমহানির বিনিময়ে বাঙালি জাতি চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত হয়।
জাতির শ্রেষ্ঠ অর্জন মহান স্বাধীনতা দিবসে রাষ্ট্রীয় কর্মসূচির পাশাপাশি রাজনৈতিক দল ও সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনসহ বিভিন্ন শেণিপেশার মানুষ বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিনটি উদযাপন করে।
20/02/2024
বাংলাদেশের সোনার ছেলে ভাষা শহীদের দল,
জীবন দিয়ে এনে দিলো বাংলা ভাষার ফল,
তাদের দানে আজকে আমরা স্বাধীন ভাবে বাংলা বলি,
সেই সোনার ছেলেদের ত্যাগের কথা কেমন করে ভুলি !
রফিক, সালাম, বরকত, আরো হাজার বীর সন্তান,
করলো ভাষার মান রক্ষা বিলিয়ে আপন প্রান ,
যাদের রক্তে রাঙ্গানো একুশ ওরা যে অম্লান,
ধন্য আমার মাতৃভাষা ধন্য তাদের প্রান ।
সবাইকে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের শুভেচ্ছা।
16/12/2021
যুদ্ধক্ষেত্রে শহীদ তোমরা ছিলে অকুতোভয়
তাইতো আমরা বীর বাঙালি পেয়েছি বিজয়।
Creator Anwar page এর পক্ষ থেকে সবাইবে জানাই ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস-এর শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।
#বিজয় #বিজয়দিবস
Security Sheild Logo Design in Adobe Illustrator. Full Video will publish tomorrow at 5 PM Sharp.
Click here to claim your Sponsored Listing.