The optic gallery
ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী চশমা দেওয়া
07/01/2026
নারায়ে তাকবীর
আল্লাহু আকবার
31/12/2025
31 NIGHT
NOT OUR CULTURE
৩১ ডিসেম্বর মানে বেহায়াপনা, অশ্লীলতা বা নৈতিক অবক্ষয় নয়।
আমাদের সংস্কৃতি শালীনতা, পরিবার, মূল্যবোধ আর আত্মমর্যাদার।
আলো-আতশবাজির নামে যে উন্মাদনা, তা আমাদের ইতিহাস বা বিশ্বাসের অংশ নয়।
বিদেশি অনুকরণে নিজস্ব পরিচয় হারানো কোনো গর্বের বিষয় না।
নিজের সংস্কৃতিকে সম্মান করি।
অশালীনতাকে না বলি।
25/12/2025
20/12/2025
আল বিদা হাদি!
18/12/2025
ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন...
আল্লাহ প্রিয় ভাইকে শাহাদাত এর সর্বোচ্চ মর্যাদা দান করুন...
গত জুমুয়াহবারে একটা মাঝারি মানের ভূমিকম্প হলো দেশে। রিখটার স্কেলে ৫.৭ মাত্রার ভূমিকম্প ছোটখাটো কোনো ভূমিকম্প নয়। তবে, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলার অসীম দয়া আর রহমত যে, ভূমিকম্পটার স্থায়ীত্ব বেশিক্ষণ দীর্ঘ হয়নি; যার ফলে বড় ধরণের ক্ষয়ক্ষতি থেকে গোটা দেশ রক্ষা পেয়েছে, আলহামদুলিল্লাহ।
সেই ভূমিকম্পটার পরে আরও বেশ কয়েকটা ছোট ছোট মাত্রার ভূমিকম্প হলো। গতকালও ৩.৩ মাত্রার ভূমিকম্প রেকর্ড হয়। বড় বা মাঝারি মানের ভূমিকম্পের পর সাধারণত আফটার শক হিশেবে এই ছোট ছোট মাত্রার ভূমিকম্পগুলো অস্বাভাবিক ঘটনা নয়। কিন্তু এটাও সমানভাবে সত্য যে—এই ধরণের আফটার শকগুলো অনেকসময় বড় ধরণের ডিজাস্টারের পুর্বাভাস হিশেবেও আসতে পারে।
আমরা যেহেতু ভবিষ্যত জানি না এবং ভবিষ্যত দেখতেও পারি না, আমরা সমস্তটাই সোপর্দ করব আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলার দিকে। নিশ্চয় তিনিই উত্তম রক্ষাকর্তা।
গত জুমুয়াহবারের ভূমিকম্প এবং এতগুলো আফটার শকের ঘটনা—এগুলোকে ভিন্ন ভিন্ন এঙ্গেল থেকে দেখা এবং বিশ্বাস করা যায়। যিনি অবিশ্বাসী বা ম্যাটেরিয়ালিস্টিক চিন্তার মানুষ, তিনি এগুলোকে স্রেফ টেকটোনিক প্লেটের নড়াচড়া হিশেবে দেখবেন। যিনি বিশ্বাসী, তিনি এসবকে দেখবেন রবের সতর্কবার্তা হিশেবে।
আমরা যেহেতু বিশ্বাসী মানুষ, ভূমিকম্পকে আমরা কেবলমাত্র প্রকৃতির ক্রিয়াচক্র মনে করে গাফেল থাকলে কিন্তু চলবে না।
ভূমিকম্পটা থেকে আমরা কেবলমাত্র ‘কিয়ামতের আলামত’ নামক ব্যাখ্যা আর চিন্তাটাই গ্রহণ করেছি। এর বাইরে আর কোনোকিছু কি আমরা চিন্তা করেছি?
আচ্ছা, কিয়ামত মানে কী?
পৃথিবী ধ্বংসের একমাত্র এবং সর্বশেষ মহা আয়োজন, যে আয়োজন ঘটাবেন বিশ্বজাহানের অধিপতি মহামহিম রব।
কিয়ামত ঘটলে কী হবে?
উক্ত সময়ে যারা যারা জীবিত থাকবে, তারা একটা বিভৎস দৃশ্য অবলোকন করবে এবং সেদিন জীবিত সকলে মৃত্যুবরণ করবে।
তাহলে অর্থ দাঁড়ায়—কিয়ামত আসলে মৃত্যুরই একটা বড় আয়োজন।
কিয়ামত যদি মৃত্যুরই আয়োজন হবে, তাহলে প্রত্যেকটা মৃত্যুর ঘটনাই তো উক্ত মৃত ব্যক্তির জন্য কিয়ামত হয়ে উঠার কথা, তাই না?
গত জুমুয়াহবারের ৫.৭ মাত্রার ভূমিকম্পটা যদি কোনোভাবে ১ মিনিট দীর্ঘ হতো, দেশটা পরিণত হতো একটা মৃত্যুপুরীতে। লাখে লাখে মানুষ মৃত্যুবরণ করত কেবল ঢাকা শহরেই।
যদি এমনটা ঘটতো, সেই ঘটনায় যে লাখ লাখ মানুষ মারা যেত, তাদের কাছে কী আসে যায় প্রকৃত কিয়ামত আরও ৫০০ বছর পরে সংঘটিত হলো নাকি ৫০০ কোটি বছর পরে। কারণ, তাদের জন্য কিয়ামত তো চলে এসেছে ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসের তৃতীয় জুমুয়াহর দিন। কিয়ামতের মাধ্যমে মৃত্যুর যে বিভীষিকা তারা অবলোকন করত, সেটা তো তারা দেখেই ফেলেছে।
অর্থাৎ, ভূমিকম্পটা কিয়ামতের আলামত হোক বা না হোক, বিশ্বাসী মানুষের জন্য এই ঘটনা একটা মূল্যবান শিক্ষা হতে পারে। কারণ, এই ঘটনায় মারা যেতে পারতাম আমি, আপনি, আমরা। যদি তা হতো, সেটাই তো আমাদের জন্য ‘কিয়ামত’ হতো।
তাহলে, এবার চলুন আমরা একটু চিন্তা করি—ব্যক্তিগত পর্যায়ের যে কিয়ামত (ভূমিকম্পের ফলে মৃত্যুর মিছিল) আমাদের কান ঘেঁষে চলে গেল, সেই ঘটনার পর আমাদের জীবনে কতোটা পরিবর্তন এসেছে? আমাদের চিন্তায় কতোটা দাগ ফেলেছে সেদিনের সেই ঘটনা?
আমাদের ফেইসবুকের নিউজফিডের চেহারা বদলেছে কী? আমাদের সার্চহিস্ট্রিতে এসেছে কি কোনো পরিবর্তন? এখনও কি ফযরবেলা আমরা অ্যালার্ম বন্ধ করে ঘুমাই? এখনও কি মানুষের সাথে দুর্ব্যবহার, মানুষকে ঠকানো আর হক নষ্ট করার মাঝে আমি খুঁজে পাচ্ছি জীবনের সফলতা? কুরআনের সাথে আমার সম্পর্কটা বেড়েছে? আমলের দিকে ঝুঁকতে পেরেছে আমার অন্তর? সালাতের জন্য আমার মন কি সর্বদাই তড়পায়?
এই ৫.৭ মাত্রার ভূমিকম্প যদি এই পরিবর্তনগুলো আমাদের জীবনে আনতে সহায়ক না হতে পারে, তাহলে ৯ মাত্রার ভূমিকম্পও আমাদের কোনোদিন বদলাতে পারবে না।
আদতে, কিয়ামত তো আমাদের ব্যক্তিক পর্যায়ে যেকোনো দিন, যেকোনো সময়েই নেমে আসতে পারে। মৃত্যুর ক্ষণটাই তো আমার আপনার জন্য সবচেয়ে বড় কিয়ামত। যে কিয়ামত একটা মশার কামড়েও নেমে আসতে পারে (ডেঙ্গু জ্বরে অসংখ্য মানুষ প্রতিবছর মারা যাচ্ছে দেশে), সেই কিয়ামতের মুখোমুখি হতে আমরা কতোখানি প্রস্তুত?
تقبل الله منا ومنكم صالح الأعمال وكل عام وانتم بخير
عيد الأضحى المبارك
20/05/2025
মনে হচ্ছে আমরা সময়ের শেষ প্রান্তে এসে পৌঁছেছি।
ইতিহাসের ঘটনাপ্রবাহের চাকা এত দ্রুত ঘুরছে যে, সামনে আর বেশি সময় অবশিষ্ট আছে বলে মনে হয় না।
অতীতে ইতিহাস খুবই ধীর গতিতে এগিয়েছে অনেকটা যেন কচ্ছপের মতো।
পাথরের যুগ থেকে ধাতু আবিষ্কার ও খননের যুগের মধ্যে বয়ে গেছে হাজার হাজার বছর।
তারপর চাকার গতি একটু বাড়লো। লোহার যুগ থেকে বাষ্প যুগের মধ্যে কেটে গেলো আরো হাজারো বছর।
পুনরায় চাকা দ্রুত ঘুরতে শুরু করল—বাষ্প যুগ থেকে বিদ্যুৎ যুগ পর্যন্ত সময় মাত্র একশো বছর।
এরপর এল পারমাণবিক যুগ, তারপর ইলেকট্রনিক্সের যুগ, তারপর মহাকাশ যুগ—সবই মাত্র কয়েক দশকের মধ্যে ঘটে যাওয়া ঘটনা।
তারপর তো আকাশ যান একেবারে পাগলের মতো ছুটতে লাগলো। মানুষ চাঁদে নামলো, মঙ্গলে রোবট পাঠালো, শুক্র গ্রহে অভিযান পরিচালনা করলো। এখন তো প্রতিদিন, প্রতি রাত, এমনকি প্রতি ঘণ্টায় নতুন কিছু আবিষ্কার হচ্ছে।
স্যাটেলাইটে ঢেকে যাচ্ছে মেঘে ঢাকা আকাশ।
মানুষ বুঝতে পারছেনা- পৃথিবী তার বাসিন্দাদের জন্য কত দ্রুত ছোট হয়ে আসছে।
আপনার চারপাশে একসময় যে অবারিত প্রান্তর ছিলো- তা আর নেই।
মেগা সিটির নাগরিকরা আর জানালা খোলে আকাশ দেখতে পায়না। রোদেলা আকাশ খেয়ে নিয়েছে মানুষকে ঠাঁই দিতে গড়ে ওঠা সুুউচ্চ ভবন।
জনসংখ্যা বেড়ে চলেছে অবিরাম।
আগামী একশো বছরে জনসংখ্যা কয়েকগুন বৃদ্ধি পাবে। কিন্তু আশেপাশে এমন কোনো গ্রহ নেই যেখানে মানুষ উপনিবেশ গড়ে তুলতে পারে।
বিশ্বজুড়ে মূল্যবৃদ্ধি বেড়েই চলছে। এতে বুঝা যায় সম্পদের পরিমাণ কমছে আর চাহিদা কি তীব্র ভাবে বাড়ছে।
শুধু তাই না। দিন দিন নতুন নতুন ভাইরাস। নতুন নতুন অসুখ।
এইসব কিছুই ধর্ম, বর্ণ, জাতি নির্বিশেষে মানুষের কমন প্রবলেম।
অনেক আগে এক সুফীর গল্প পড়েছিলাম।
সুফি বলেছিলেন- এক জঙ্গলে যদি কোনো মানুষ হারিয়ে যায়। আর সে যদি কোনো এক মানুষের সন্ধান পায়। তাতেই সে খুশি হয়ে যাবে।
সে জানতে চাইবেনা- এই মানুষের জাত কি , ধর্ম কি, দেশ কি, নাগরিকত্ব কি?
এই বিশাল ভুবনের এই গ্রহেই মানুষ শুধু মানুষকেই খুঁজে পেয়েছে। আর কোথাও এমন নেই।
অথচ এসব কিছু ভুলে গিয়ে এই মানুষ নামক দানবেরা পারমাণবিক দাঁত ও ইলেকট্রনিক নখর দিয়ে একে অপরের সাথে যু্দ্ধ নিয়ে ব্যস্ত হয়ে আছে।
জীবন বাঁচানো ঔষধের দাম বাড়ছে। ভুগর্ভে পানি বিলীন হয়ে যাচ্ছে। কার্বন গ্যাস বাড়ছে। ক্যামিকাল পুড়ছে। আর মানুষ মারার জন্য মানুষ খরচ করছে ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন ডলার।
কবে মানুষ বুঝতে পারবে -
এই একটাই পৃথিবী, একটাই জাতি, একটাই মানুষ।
মানুষ উপলব্ধি করেনা- ঘৃণায় ভালোবাসার চেয়ে বেশি খরচ হয়। কারণ এটা একটি বিপরীতমুখী অনুভূতি। যেমন যখন কোনো বস্তু পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণের বিরুদ্ধে চলে — এতে অতিরিক্ত শক্তি লাগে এবং বেশি জ্বালানি খরচ হয়।
এই বিশাল ভুবনের একটা ছোট নীল গ্রহের ক্ষণস্থায়ী জীবনে - মারণাস্ত্রের উন্মাদনা বাদ দিয়ে মানুষের উচিত যত বেশি পারা যায় ক্ষমা করে দেয়া, প্রতিপক্ষের ওপর ধৈর্য ধারণ করা, বন্ধুর প্রতি নিষ্ঠাবান থাকা, সবার সাথে সদ্ব্যবহার করা, নিজের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা আর ধর্ম , বর্ণ, জাতি নির্বিশেষ শুধু মানুষ হিসাবেই মানুষকে ভালোবাসা এবং পরবর্তী প্রজন্মের জন্য সুন্দর একটা পৃথিবী রেখে যাওয়া।
কিন্তু তাতো আর হয় না।
জিঘাংসা, স্বার্থপরতা, লোভ, আত্মম্ভরিতা, ক্ষমতার দর্পে বিবেক রুদ্ধ মানুষ।
নভোচারী এডগার মিচেল চাঁদ থেকে বিস্ময়ভরা চোখে পৃথিবীর পানে চেয়ে অবাক হয়ে বলেছিলেনঃ
"চাঁদ থেকে পৃথিবীর দিকে থাকালে মানুষে মানুষের এই দ্বন্দ্ব, সংঘাত , ভূরাজনীতি নিতান্তই তুচ্ছ মনে হয়। ইচ্ছা করে এই সব বিভৎস-কুৎসিত, ঘৃণিত মানুষদের ঘাড় ধরে ধরে দুই লক্ষ পঞ্চাশ হাজার মাইল দূরে টেনে নিয়ে গিয়ে বলি-
পৃথিবীর দিকে একবার চেয়ে দেখো আর ভাবো- এমন এক সুন্দর নীল গ্রহকে তোমার কি করেছো - হারামজাদারা"।
07/05/2025
# আলহামদুলিল্লাহ
# ছোট ভাই ডাক্তার Shiblo Noman প্রতি সপ্তাহে রবিবার ও মঙ্গলবার চেম্বার করবেন।
# এলাইট হসপিটাল প্রাঃ লিঃ এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার।
# কেরানীহাট, বান্দরবান সড়ক,সাতকানিয়া, চট্টগ্রাম।
নতুন বাংলাদেশে বাংলা নতুন বছরের শুভেচ্ছা
এসএসসি, দাখিল ও সমমান পরীক্ষা'২৫ এ অংশগ্রহণকারী পরীক্ষার্থীদের জন্য রইল আন্তরিক দোয়া ও শুভকামনা৷
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Chittagong