Science and Tech Infinity
Science and Technology
04/09/2024
প্রায় ৪৫০ কোটি বছর আগে প্রাচীন প্রোটোপ্ল্যানেট থিয়া ও প্রোটো-আর্থের মধ্যে একটি বিশাল সংঘর্ষ ঘটেছিল।সেই সংঘর্ষে চাঁদের পাশাপাশি দুটি বিশাল মহাদেশ তৈরি হয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে
সেই সংঘর্ষের ধ্বংসাবশেষ থেকেই চাঁদ তৈরি হয়েছে বলে ধারণা করা হয়।থিয়ার আকার মঙ্গল গ্রহের সমান ছিল বলে অনুমান করা হয়।থিয়া ঘুরতে ঘুরতে আদি পৃথিবীর সীমানায় চলে এলে পৃথিবীর ওপর আছড়ে পড়ে। আর এতে ধ্বংসাবশেষ নিয়ে চাঁদের বিকাশ ঘটে।
সূত্র :ফিজিস ডট অর্গ
⊙ পদার্থের মোট কয়টি অবস্থা?
আমরা ছোট বেলায় পড়েছি পদার্থের তিনটি অবস্থা — তরল, কঠিন ও বায়বীয়। একটু বড় হলে পড়েছি পদার্থের চতুর্থ অবস্থা হলো প্লাজমা। আরেকটু বেশি যারা পড়েছে, তারা জানে পদার্থের পঞ্চম অবস্থা বোস-আইন্সটাইন কনডেনসেট। ওপরের প্রশ্নটির উত্তরে অধিকাংশ বলবে ৩টি। কেউ কেউ বলবে ৪টি বা ৫টি। পদার্থ প্রধানত তিন প্রকার, কিন্তু মোট তিন প্রকার না। সাধারণত পৃথিবীতে তিনটি অবস্থায় পদার্থ পাওয়া যায়। পানি একমাত্র পদার্থ যা তিনটি অবস্থা পৃথিবীতে সহজে পাওয়া যায় বা দেখা যায়। অন্য কোনো পদার্থ তেমন দেখা যায় না। যেমন- O₂ বা CO₂ বায়বীয় অবস্থায় সহজে পাওয়া যায়, অন্য অবস্থায় সহজে পাওয়া যায় না।
তাহলে, পদার্থের মোট অবস্থা কয়টি? এখন পর্যন্ত বিজ্ঞানীরা পদার্থের ২৬টি অবস্থা আবিষ্কার করতে পেরেছে। ভবিষ্যতে আরও অনেক অবস্থা হয়তো আবিষ্কার করবে। তবে, বর্তমানে পদার্থের মোট ২৬টি অবস্থা আবিষ্কার করতে পেরেছে। পদার্থের এই ২৬টি অবস্থাকে ৩টি ভাগে ভাগ করা যায় —
I. ন্যাচারাল স্টেট
II. মর্ডান স্টেট
III. হাই-এনার্জি স্টেট
I. ন্যাচারাল স্টেট ৯টি —
১. সলিড
২. এমোরফিস সলিড
৩. ক্রিস্টালিন সলিড
৪. প্লাস্টিক ক্রিস্টাল
৫. কোয়াসি ক্রিস্টাল
৬. লিকুইড
৭. লিকুইড ক্রিস্টাল
৮. গ্যাস
৯. প্লাজমা
II. মর্ডান স্টেট ১৬টি —
১. সুপার ক্রিটিকাল ফ্লুইড
২. ডিজেনারেট ম্যাটার
৩. ইলেক্ট্রন ডিজেনারেট ম্যাটার
৪. নিউট্রন সংখ ডিজেনারেট ম্যাটার
৫. স্ট্রেঞ্জ ম্যাটার
৬. কোয়ান্টাম স্পিন হল স্টেট
৭. বোস-আইন্সটাইন কনডেনসেট
৮. ফার্মিওনিক কনডেনসেট
৯. সুপার কন্ডাক্টর
১০. সুপার ফ্লুইড
১১. সুপার সলিড
১২. কোয়ান্টাম স্পিন লিকুইড
১৩. স্ট্রিং-নেট লিকুইড
১৪. টাইম ক্রিস্টাল
১৫. রিডবার্গ পোলারন
১৬. ব্লাক সুপার আয়নিক আইস
III. হাই-এনার্জি স্টেট ১টি —
১. কোয়ার্ক-গ্লুয়ন প্লাজমা
☆ মানুষের কয়েকটি সাইকোলজি:
১. মানুষ রেগে গেলে বা উত্তেজিত হয়ে পড়লে তখন সে সত্যি কথা বলে।
২. মানুষ যখন মিথ্যা কথা বলে তখন সে আনকমফোর্ট ফিল করে, হাত-পা নাড়াচাড়া করে এবং চোখে চোখ রেখে মিথ্যা কথা বলতে পারে না।
৩. যে সমস্ত মানুষ সময় অসময়ে বেশি ঘুমাতে পছন্দ করে তাদের মনে অনেক বেশি জমে থাকা দুঃখ থাকে।
৪. যে সমস্ত মানুষ সামান্য কারণে অনেক বেশি হাসে সাধারণত তারাই সবথেকে বেশি একাকীত্ব অনুভব করে থাকেন।
৫. যে সমস্ত মানুষ একটুতেই রেগে যায় তারা সাধারণত স্নেহহীনতায় বা ভালবাসাহীনতায় ভোগে।
৬. যদি কোন মানুষ খুব দ্রুত এবং স্বল্প কথা বলে তাহলে বুঝে নিতে হবে যে তিনি অনেক কিছু লুকাচ্ছেন।
৭. দীর্ঘ সময় একা থাকলে আমাদের স্বাস্থ্যের ক্ষতি ততটাই হয় ঠিক যতটা একদিনে পনেরোটা সিগারেট খেলে হয়।
☆ স্বপ্ন দেখার সাইকোলজি:
১. মানুষ স্বপ্নে বা কল্পনায় কোন ইউনিক মানুষকে দেখতে পারে না যাকে সে এর আগে কখনো দেখেনি; ব্রেনের যে অংশ স্বপ্ন দেখায় সে অংশ নতুন কারো ইমেজ তৈরি করতে পারে না।
২. মানুষ স্বপ্নে যা দেখে তা পুরোটাই সাদা কালো; ব্রেন স্বপ্নে কালার ভিস্যুয়ালাইজ করতে পারে না।
৩. মানুষ স্বপ্নে কোন লেখা ওয়ার্ড বাই ওয়ার্ড পড়তে পারে না তবে পড়ার অনুভব করতে পারে; ব্রেনের যে অংশ স্বপ্ন দেখানোর সঙ্গে যুক্ত সে অংশ লিখতে পড়তে পারেনা।
৪. আমাদের ঘুম ভাঙ্গার পরে ঘুমের ভিতর দেখা কোন স্বপ্নের শুরুটা এগজ্যাক্ট কি ছিল তা কখনো মনে করতে পারিনা।
৫. অতি অতি ঠান্ডার কারণে শরীরের টেম্পারেচার যাতে ফল না করে এজন্য ব্রেন ঠান্ডা রুমে শয়নকারীদের ভয়ঙ্কর ভয়ংকর স্বপ্ন দেখায়।
৬. যারা জন্মগতভাবে অন্ধ তারাও স্বপ্ন দেখে কিন্তু আমাদের মত স্বপ্ন দেখতে পারে না, তাদের স্বপ্নে ভিজুয়ালাইজেশন থাকে না, শুধু অনুভূতি কাজ করে।
৭. আমরা একই স্বপ্ন হুবহু বারবার দেখতে পারি না ; ব্রেন কোন স্বপ্নকে রিপিট করতে পারেনা।
৮. একজন মানুষ রাতে গড়ে চার থেকে ছয়টি স্বপ্ন দেখে তবে সে যদি সারারাত ধরেও স্বপ্ন দেখে তবে তার দৈর্ঘ্য সর্বোচ্চ দুই মিনিটের বেশি হবে না।
৯. স্বপ্নে আমরা আমাদের ইচ্ছা অনুযায়ী কোন কাজ করতে পারি না।
১০. স্বপ্নে আমরা চাইলেও আমাদের পছন্দের কাউকে স্বপ্ন দেখতে পারিনা।
28/08/2024
ধোঁয়া কী?
কাঠ, কয়লা কিংবা অন্য কোন বস্তু যখন জ্বলে তখন তার থেকে ধোঁয়া বেরিয়ে আসে। প্রকৃতপক্ষে জ্বালানির অসম্পূর্ণ দহনের ফলে ধোঁয়ার সৃষ্টি হয়। যদি জ্বালানির পূর্ণ দহন সংঘটিত হয়, তাহলে কোন ধোঁয়াই উৎপন্ন হবে না।
অধিকাংশ জ্বালানির ভিতর থাকে কার্বন, হাইড্রোজেন, অক্সিজেন, নাইট্রোজেন এবং অল্প পরিমাণ সালফার। যখন কোন জ্বালানি জ্বলতে থাকে তখন তার থেকে আমরা কার্বন-ডাই-অক্সাইড, জলীয়বাষ্প, নাইট্রোজেন এবং সামান্য পরিমাণ সালফার ডাই-অক্সাইড পাই। জ্বালানির পূর্ণ দহনের জন্য প্রচুর পরিমাণ অক্সিজেনের প্রয়োজন হয়। কারণ প্রজ্বলন হলো জারণ প্রক্রিয়া (oxidation)। এই প্রক্রিয়ায় অক্সিজেন সংযুক্ত হয়। অক্সিজেনের ঘাটতি হলে জ্বালানির দহন পূর্ণ হয় না। তার ফলে ধোঁয়া বেরিয়ে আসে। প্রধানতঃ কার্বন-ডাই- অক্সাইড, জলীয়বাষ্প এবং কার্বনকণা নিয়েই ধোঁয়া গঠিত। ধোঁয়ায় যখন কার্বনকণার উপস্থিতি বেশি মাত্রায় হয় তখন সেই ধোঁয়া কালো বা ধূসর বর্ণের দেখায়। চিমনি বা নির্গম চোঙের দেওয়ালে এই কার্বনকণা জমা হয়। এই জমাকৃত কার্বনকণাকে ঝুলকালি (soot) বলে।
হাওয়াকে দূষিত করার সব থেকে বড় কলুষক (pollutent) হলো এই ধোঁয়া। স্বাস্থ্যের দিক দিয়ে এই ধোঁয়া ভীষণ ক্ষতিকারক। শহরে জীবনে আজ এ এক বিরাট সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। যদি বায়ুমণ্ডলের হাওয়া একে ছড়িয়ে ছিটিয়ে না দিয়ে যায় ত শহুরের বায়ুমণ্ডল ধোঁয়াচ্ছন্ন হয়ে পড়ে ভীষণভাবে। বিশেষ করে হৃৎপিণ্ড ও ফুসফুসের পক্ষে এ ভীষণ ক্ষতিকারক।
অনেক রকম রোগ ব্যাধির কারণ হলো এই ধোঁয়া।
অবশ্য কিছু কিছু ক্ষেত্রে ধোঁয়ার প্রয়োজন হয়। শীতের হাত থেকে ফলের বাগানকে রক্ষা করার কাজে ধোঁয়া ব্যবহৃত হয়। যুদ্ধের সময় শত্রুপক্ষকে প্রতারণা করার কাজে ধোঁয়াকে ব্যবহার করা হয়। বায়ুমণ্ডলের জলীয়বাষ্পকে একত্রীভূত করে বৃষ্টি আনতেও এ সাহায্য করে।
21/08/2024
Wait what? 😅😅
18/08/2024
এমন কোন পদার্থ আছে কি যা আগুনে পুড়ে না?
যখনই কোন বস্তু আগুনে ফেলা হয় তখনই তা পুড়ে ছাই হয়ে যায়। কিন্তু এ্যাসেসটস্ এমনই এক পদার্থ যা আগুনে জ্বলে না। আর এই জন্যই কোন আগুন লাগা বাড়িতে ঢুকবার সময় দমকলকর্মীরা এই এ্যাসেসটসের তৈরি জামা-কাপড় পরে নেয়। প্রকৃতপক্ষে তাদের জামা-কাপড়, জুতা, দস্তানা (Gloves). মাথার শক্ত টুপি বা শিরস্ত্রাণ (Helmet) প্রভৃতি সবই এই পদার্থের তন্তু দিয়ে তৈরি।
'এ্যাস্টেস্' কথাটি একটি গ্রীক শব্দ। এর অর্থ হলো অদাহ্য। এ পদার্থটির আবিষ্কার নতুন নয়। রোমদেশীয় লোকেরা ২,০০০ বছর আগেও এর ব্যবহার করত। তারা মৃতদেহ সংরক্ষণের জন্য এ্যাস্বেস্টসের পাত দিয়ে মৃতদেহকে মুড়ত।
খনি থেকে এ্যাস্টেস্ পাওয়া যায়। অলিভীন (Olivine) নামক এক প্রকার ধূসর সবুজ বর্ণের পদার্থের পৃথকীকরণের (Dissociation) ফলেই এর সৃষ্টি। এই অলিভীন-ক্যালসিয়ামও ম্যাগনেসিয়ামের সিলিকেট লবণ ছাড়া আর কিছুই নয়। খনি থেকে তোলা এ্যাস্বস্টস্কে প্রথমে শুকিয়ে নেওয়া হয়। তারপর যন্ত্রের সাহায্যে এর তন্ত্রকে পৃথক করা হয়। এই তন্তু থেকে সরু সুতো বা দড়ি তৈরি হয়। তারপর এর থেকে তৈরি হয় কাপড়, পাত (sheet), মাদুর প্রভৃতি।
এস্বেস্টস্ খুব প্রয়োজনীয় পদার্থ। অদাহ্য কাপড়, কাগজ প্রভৃতি তৈরিতে এবং চুল্লীতে তাপ অপরিবাহী হিসেবে একে ব্যবহার করা হয়। বিল্ডিং এর ছাদের জন্য অদাহ্য বা অগ্নি-সহ (Fire-proof) টালি তৈরির কাজেও এ্যাস্বেস্টস্ ব্যবহৃত হয়। শীত প্রধান দেশে জলের পাইপের মধ্যে যাতে জল জমে না যায় তার জন্য পাইপের উপর এই এ্যাস্বস্টসের আবরণ লাগিয়ে দেওয়া হয়। আগুন সহ্যকারী রঞ্জক (paints), রবার, প্লাস্টার, এবং পোর্সেলিন তৈরির কাজে এ ব্যবহৃত হয়। এ্যাস্টেস্ তাপ ও বিদ্যুৎ কু-পরিবাহী। অম্ল (Acid) ও ক্ষার (Alkalies)- এর বিশেষ কোন ক্ষতি করতে পারে না। ২০০০ থেকে ৩০০০ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেড তাপমাত্রায়ও এ পুড়ে না। আজকাল এক বিশেষ ধরনের এ্যাস্বেসটস্ পাওয়া যায় যা ৫০০০ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেড তাপমাত্রায়ও পুড়ে না। গবেষণাগারে গবেষণার কাজে একে ব্যবহার করা হয়।
পৃথিবীর মোট উৎপাদিত এ্যাস্বস্টসের শতকরা ৭৫ ভাগ উৎপাদিত হয় কেনাডায়। এ্যাস্পেসটসের তৈরি সব থেকে বেশি সংখ্যক জিনিস আমেরিকাই উৎপাদন করে—যদিও কাঁচামালের পরিমাণ সেখানে মাত্র শতকরা ৫ ভাগ ।
আসুন জেনে নেই ভালোবাসা নিয়ে সাইকোলজিকাল ফ্যাক্ট:
1. True Love
মনোবিজ্ঞান বলছে, যখন সত্যিকার অর্থে কারো প্রেমে পড়বেন বা মন থেকে কাউকে ভালোবাসে তখন আপনার সবচেয়ে বেশি সুখ অনুভূত হবে৷ কারণ এই সময় আপনার মস্তিষ্ক থেকে এম্পডিয়া ও ডোপামিন নামক দুটি হরমোন নিঃসৃত হয় I যা আপনার মস্তিষ্কের ১২ জায়গায় প্রবাহিত হয়ে আপনাকে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ সুখের অনুভূতি দিবে৷
2. Impression of Love
ইম্প্রেশন কে ভালোবাসার প্রথম ও শেষ ধাপ হিসেবে ধরা হয়। কাউকে পছন্দ করতে বা অপছন্দ করতে একজন মানুষের মস্তিষ্ক মাত্র ৪ মিনিট সময় নেয়। তাই আপনি কারো সাথে প্রথম সাক্ষাৎ করতে প্রথম ৪ মিনিটের মধ্যে খুব চমৎকার ভাবে তার কাছে নিজেকে উপস্থাপন করুনI
3. ভালোবাসায় আলিঙ্গন
মনোবিজ্ঞান বলছে ভালোবাসার মনুষের হাগ কিংবা আলিঙ্গন আপনার নার্ভাস সিস্টেমে পেইন কিলার হিসেবে কাজ করে। তাই আপনার সঙ্গী কিংবা বন্ধুর মন খারাপ দেখলে তার সাথে আলিঙ্গন করতে ভুলবেন না।
4. Couple Arguing
ভালোবাসার মনোবিজ্ঞান বলছে, কারো ছোটখাটো কোন বিষয়ে রাগ করলে কিংবা মন খারাপ হয় তাহলে বুঝতে হবে তার জীবনে ভালোবাসার ঘাটতি রয়েছে | অল্পতেই রাগান্বিত হয় কিংবা অল্পতে গোস্সা হয় এ ধরনের মানুষকে বেশি বেশি করে ভালবাসুন। দেখবেন তার মধ্যে একটা পরিবর্তন কাজ করছে।
5. Beautiful Face
ভালোবাসার মনোবিজ্ঞান বলছে, খুব সুন্দর মুখাবয়ব একটি আকর্ষণীয় বডি ফিটনেস এর থেকে বেশি আকর্ষিত করে। সুতরাং পরবর্তীতে কারো সাথে সাক্ষাৎ করতে গেলে মুখে অবশ্যই একটি মিষ্টি হাসি রাখবেন যেন প্রথম সাক্ষাতেই মানুষের মন জয় করে নিতে পারেন৷
6. I-Love -You
ভালোবাসা সম্পর্কে এটা জেনে আপনার অবাক লাগতে পারে যে, প্রায় ৯০ শতাংশ পুরুষ প্রথম আই লাভ ইউ বলে প্রপোজ করে। রিসার্চ থেকে পাওয়া গিয়েছে, মেয়েদের তুলনায় ছেলেরা প্রথমে তাদের ভালোলাগার কথা প্রকাশ করে। আরেকটি মজার তথ্য হলো, নভেম্বর মাসে আই লাভ ইউ কথাটি সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত হয়।
7. Love + Love = Happy Life
যখন আপনি রোমান্টিক মুডে থাকেন তখন আপনার মস্তিষ্ক কম কাজ করে৷ মনোবিজ্ঞান বলছে, যিনি রোমান্টিক রিলেশনশিপ মেইন্টেইন করেছেন তিনি অনেক সুখি জীবন পার করেছেনI এই ধরনের মানুষদের কাছে ডিপ্রেশন কিংবা হার্ট অ্যাটাক এর মত রোগ ধারের কাছেও আসতে পারে না , এটাই ভালোবাসার যাদু!🌸
- ধন্যবাদ
23/08/2023
অভিনন্দন ISRO. সফলভাবে চাঁদের মাটিতে অবতরন করার জন্য ।
তথ্য : ভারতের তৈরি মহাকাশযান চন্দ্রনারায়ণ-৩ সফলভাবে চাঁদের বুকে অবতরণ করেছে। এর মাধ্যমে ইতিহাস গড়লো ভারত৷ চাঁদে অবতরণ করা বিশ্বের চতুর্থ দেশ এখন ভারত। এবং চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে অবতরণ করা একমাত্র দেশ এখন ভারত!
Source: ISRO
08/08/2023
চাঁদের নতুন ছবি পাঠাল চন্দ্রযান-৩
চন্দ্রযান-৩ এর পাঠানো ছবিগুলোতে চাঁদের পৃষ্ঠের গর্তগুলো আরও বড় এবং স্পষ্ট দেখাচ্ছে। চন্দ্রযান-৩ এর ল্যান্ডার এবং রোভার ২৩ আগস্ট চাঁদের ভূপৃষ্ঠে পৌঁছাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সফল হলে এটিই হবে প্রথম কোনো মহাকাশযান যেটি চাঁদের দক্ষিণ মেরুর কাছে অবতরণ করবে।
Click here to claim your Sponsored Listing.