Denim Delight

Denim Delight

Share

Committed to quality

22/04/2024

ডেনিম / জিনস নিয়ে কিছু তথ্য জেনে রাখুন -

০১. সর্বপ্রথম জিন্স এর ব্যবহার শুরু হয়েছিল ইংল্যান্ডে। তবে এর নামকরণ হয় ইটালিতে । জিন্স শব্দটি এসেছে ফ্রেন্স শব্দ জিন ফুস্তিয়ান থেকে, জিন ফুস্তিয়ান ছিল তুলা থেকে তৈরি একটি টূয়াইল ফেব্রিক যার উৎপত্তিস্থল ইটালির, জেনয়া শহর।

০২.ফ্রান্সের নিমেস শহরের থেকে ডেনিম নামটা এসেছে। ‘ডি নিমেস’ মানে ‘অব নিমেসর ।

০৩. গবেষণায় দেখা গেছে স্কিন টাইট জিন্স পরছেন, হারাতে পারেন পুরুষত্ব।

০৪. কখনও কল্পনা করতে পেরেছেন এক ভরি সোনার যা দাম, এক সেন্ট হীরের যা দাম তার থেকেও বেশি দামী এক জোড়া সিক্রেট সার্কাস জিনস্-এর দাম ১৩ লক্ষ মার্কিন ডলার। এটিই পৃথিবীর সবথেকে দামি জিনস্।
এছাড়া মার্কিন মুলুকের লস অ্যাঞ্জেলেসে ট্রু রিলিজিয়ন নামের এক সংস্থার এই জিন্স প্যান্টের দাম ৪৩,০০৪ টাকা।

০৫. জেনোয়া শহরের নাবিকদের পরনে এই জিস ফুস্তিয়ানের প্যান্ট থাকত। এভাবেই নামটি সংক্ষিপ্ত হয়ে বহুবচন জিন্স নামে অগ্রসর হয় ।

০৬. উত্তর কোরিয়ায় নিষিদ্ধ শুধু নীল জিনস! শুধু কি ওখানে, আমাদের দেশের অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত শিক্ষকদের জিন্সের প্যান্ট পরা নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে।ক্ষমতায় আসার ৬ দিনের মাথায় হোয়াইট হাউসে জিনস নিষিদ্ধ করে ছিলেন জর্জ ডব্লুউ বুশ।

০৭. একদম গোড়ার দিকে জিনস্-কে ওয়েস্ট ওভারঅল বলে ডাকা হোত। ‘রেবেলরা বড্ড বেশি জিনস্ পরে।’ তাই পাঁচের দশকে মার্কিনদেশে স্কুল,কলেজ আর থিয়েটারে নিষিদ্ধ হয়েছিল জিনস্।

০৮. জিন্সের প্যান্টে ছোট পকেট কেন থাকে? ১৮০০ শতকের কথা। রোদে পোড়া তামাটে চেহারার কাউবয়রা মাঠে কঠিন পরিশ্রম করেন। সে সময় ঘড়ি হাতে নয়, বরং পকেটে রাখার রীতি ছিল। কাউবয়দের পছন্দের জিন্সের সঙ্গে তাই যুক্ত হয় সামনে একটি ছোট পকেট, যাতে তারা সহজেই ঘড়িটি রাখতে পারত। বর্তমানে প্রয়োন নেই, তবু স্মৃতিটা আছে।

০৯. জানেন, জিন্সের প্যান্টে এই তিনটি বোতাম কেন থাকে? শ্রমিকদের কারখানা বা অন্যত্র কাজ করার সময়ে প্যান্ট হামেশাই ছিঁড়ে যেত। আর বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ছিঁড়ত পকেট বা পকেটের কাছে। অথচ এই পকেট ছিল শ্রমিকদের কাছে মহামূল্যবান বস্তু। ১৮৭৩ লেভি স্ট্রস অ্যান্ড কোম্পানির এক সাধারণ ক্রেতা, পেশায় দর্জি জেকব ডেভিস সেলাইয়ের উপরে পকেটের কোণ ঘেঁষে তিনটি তামার বোতাম সেঁটে দেন তিনি। স্রেফ তিনটি ছোট্ট বোতাম বড় সমস্যার চিরকালীন সমাধান এনে দেন। এর পেটেন্ট চেয়েছিলেন জেকব। কিন্তু পর্যাপ্ত অর্থ না-থাকায় তিনি পেটেন্ট পাননি।

১০. কাচা হলে একটা নির্দিষ্ট ধাঁচে জিনস্-এর রঙ ওঠে। এই ইউনিক প্যাটার্ন এফবিআই অপরাধী সনাক্তকরণে কাজে লাগায়। জিনসের জন্য প্রাথমিকভাবে এই নীল রঙটাকে বেছে নেওয়ার কারণ ময়লা হলেও চট করে এই রঙে সেটা বোঝা যায় না।

১১. গড়ে প্রত্যেক অ্যামেরিকান সাতটি জিন্স প্যান্ট ব্যাবহার করেন ।

১২. জাপানে ইচ্ছা হলে ভেন্ডিং মেশিন থেকেও আপনি জিনস্ কিনতে পারেন।

১৩. ১৯৯০ সালে কয়েকটি ভালো জিন্সের ব্র্যান্ডের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় নামতে হয় লিভাইসকে। তদুপরি 'চায়না মেইড বলে ধাক্কাও খেতে হয়। সামলে উঠতে লেগে যায় কয়েক বছর। এখন আবার অনেক দিন ধরেই জিন্সের সিংহাসন দখল করে আছে লিভাইস। কার্স্টেন স্টুয়ার্ট, লিওনার্দো ডি ক্যাপ্রিও, এলেন ডিজেনারাসসহ হলিউডের অনেকেরই পছন্দ লিভাইস। সারা পৃথিবীতে লিভাইসের নিজস্ব পরিচালনায় আছে দুই হাজার ৮০০ দোকান। ২০১৩ সালে লিভাইসের আয় ছিল ২২৯ মিলিয়ন ডলার। আর লেভি স্ট্রসের সম্পদের পরিমাণ ৩.১৩ বিলিয়ন ডলার।

১৪. খোদ লিভাইসের সিইও চিপ বার্গ বলে বসেছেন যে জিন্স কাচার কোনও প্রয়োজন নেই! এবং তিনি নিজেই নাকি গত ১ বছর ধরে কাচেননি তার নিজের জিন্স। এই চাঞ্চল্যকর তথ্যটি তিনি প্রকাশ করেছেন একটি বিদেশি পত্রিকাকে দেওয়া তার সাক্ষাৎকারে। সপক্ষে যুক্তিও দিয়েছেন। তার বক্তব্য, বেশি কাচলে নষ্ট হয়ে যায় জিন্‌স ফেব্রিক। বরং গোটা জিন্সটি না-কেচে কোথাও যদি খাবারের টুকরো বা অন্য নোংরা কিছু লেগে থাকে তবে শুধু সেই জায়গাটি পরিস্কার নিলেই হল। এমন অসাধারণ টিপ কতজন মানতে রাজি হবেন এবং কতজন তাদের প্রিয়জনদের মানতে দেবেন তা বলা মুশকিল। তবে চিপ বার্গ যে একনিষ্ঠ হয়ে জিন্সটি না কেচে ১ বছর ধরে পরে চলেছেন, তার জন্য তাকে খেতাব দেওয়া উচিত অবশ্যই।
Jit Chakravorty

22/04/2024

পুরনো জিন্সকে আরো দীর্ঘস্থায়ী করুন এই উপায়ে
ডেস্ক রিপোর্ট

জিন্স নারী পুরুষ সবারই পছন্দের একটি পোশাক। আজকাল জিন্স হয়ে গেছে দৈনন্দিন পোশাকের প্রধান চাহিদা বা ট্রেন্ড। জিন্স ভারী কাপড়ের ক্যাটাগরিতে পরে, তাই পরিষ্কার করতে একটু কষ্টকর হলেও পরিধান করতে অনেক আরাম। কিন্তু জানেন কি, বিশেষজ্ঞরা জিন্স যথা সম্ভব না ধোয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। কারণ এতে জিন্স তাড়াতাড়ি নষ্ট হয়ে যায়। তাই চলুন জেনে নেয়া যাক শখের জিন্সটিকে কেমন করে আরো বেশি দিন ব্যবহারের উপযুক্ত করা সম্ভব-

শুকানো ও ধোয়ার সময় জিন্স উল্টিয়ে দিন

জিন্স ধোয়ার পরে অনেকটা ফ্যাকাসে হয়ে যায়। এটি রোধ করার জন্য লন্ড্রিতে দেয়ার আগে বা নিজে ধোয়ার আগে জিন্সটি উল্টিয়ে নিন। রোদে দেয়ার সময় ও উল্টো অবস্থায় রোদে শুকাতে দিন। এর ফলে খুব দ্রুত জিন্সের রঙ নষ্ট হবেনা।

দাগ দূর করুন

প্রিয় জিন্সটিতে যদি দাগ লেগে যায় তাহলে সেই দাগ দূর করার জন্য বেকিংসোডা ও পানি দিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। এবার একটি পুরনো টুথব্রাশে এই পেস্ট লাগিয়ে দাগের জায়গায় আস্তে আস্তে ঘষুন। দেখবেন দাগ দূর হবে সহজেই।

দুর্গন্ধ দূর করুন

জিন্সের দুর্গন্ধ দূর করার জন্য যদি ধোয়ার সময় না থাকে তাহলে এটিকে একটি প্ল্যাস্টিকের জিপলক ব্যাগে ভরে ডিপ ফ্রিজে রাখুন। কিছুক্ষণ পরে বের করে দেখুন এর দুর্গন্ধ দূর হয়ে একেবারে নতুনের মতো হয়ে গেছে।

টাইট করার জন্য

অনেক সময়ই জিন্সের কোমরের দিক ঢিলা হয়ে যায়। একে ঠিক করার জন্য ওয়াশিং মেশিনে ধোঁয়ার সময় গরম পানি ব্যবহার করুন এবং হিট ড্রাই করুন।

রঙ অটুট রাখার জন্য

নতুন জিন্সটি প্রথমবার ধোঁয়ার আগে লবণ পানিতে ভিজিয়ে রাখুন কিছুক্ষণ। তারপর স্বাভাবিক নিয়মে ধুয়ে ফেলুন। এতে করে জিন্সের রঙ অটুট থাকবে।

জিন্সের কোমর প্রশস্ত করার জন্য

অনেক সময় জিন্সের কোমরের অংশ বেশ টাইট মনে হয়। এই অবস্থাটি থেকে মুক্তি পেতে চাইলে জিন্স ধোঁয়ার পরে একে বাতাসে শুকাতে দিন এবং কোমরের অংশটি টেনে প্রশস্ত করে ক্লিপ দিয়ে আটকে দিন।

তেল-চর্বির দাগ দূর করুন

জিন্সে যদি তেলের দাগ লেগে যায় তাহলে দাগের উপরে বেবি পাউডার দিয়ে সারারাত রেখে দিন। পাউডারের উপাদান তেল-চর্বির দাগ শোষণ করে নিবে।

জিন্স কেনার সময় মনে রাখুন

জিন্স কেনার সময় দেখে নিন এটির প্রসারণ ক্ষমতা ২% পর্যন্ত আছে কিনা। জিন্সটি পরে অন্তত ৬০ সেকেন্ড অপেক্ষা করে দেখুন এর আকার একই রকম থাকে কিনা। জিন্সটি যদি ঠিকমতো ফিট না হয় তাহলে আপনাকে দেখতে ভালো দেখাবে না।

আয়রন করুন

আপনার ব্যবহৃত জিন্সটিকে নতুনের মতো করে তুলতে একে আয়রন করে নিন। এতে জিন্সটি দীর্ঘদিন ব্যবহার করতে পারবেন এবং স্বাচ্ছন্দ অনুভব করবেন। এতে জিন্সের আয়ু বৃদ্ধি পায়।

যতটা সম্ভব কম ধোয়ার চেষ্টা করুন

ওয়াশিং মেশিনে বা হাতে ঘন ঘন জিন্স প্যান্ট ধুলে তা মলিন হয়ে পড়ে অল্প দিনেই। তাই যতটা সম্ভব কম ধোয়ার চেষ্টা করুন। একটি জিন্স প্যান্ট সাধারণত আমরা ৩ থেকে ৪ দিন পরার পর ধুয়ে ফেলি। ধরা যাক, আপনার ৩টি জিন্সের প্যান্ট আছে। প্রতিটি ২ দিন করে পরার পর রোদে শুকিয়ে রাখুন। পরের সপ্তাহে আরো ২ দিন তা পরা যাবে। ফলে প্রতি মাসে আপনার প্যান্টটি ধোয়া হচ্ছে মাত্র ২ বার। এই পদ্ধতিতে কয়েক বছর পর্যন্ত একই জিন্স ব্যবহার করা যায়।

গোসলের সময় বাথরুমে রাখুন জিন্স

আপনি যখন বাথরুমে গরম পানি দিয়ে গোসল করবেন, তখন জিন্সটিকে বাথরুমে ঝুলিয়ে রাখুন। গরম ভাপে জিন্সের ভাঁজ দূর হবে এবং গোসল শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই জিন্সটিও পরার জন্য উপযুক্ত হবে।

জিন্সের প্যান্ট হাতে ধোয়ার চেষ্টা করুন

ভারী জিন্সের প্যান্টগুলো ধোয়া কষ্টকর, তাই অনেকের প্রবণতা থাকে সেসব লন্ড্রিতে পাঠানোর বা ওয়াশিং মেশিনে ধোয়ার। এতে করে জিন্স খুব দ্রুত ছিঁড়ে যেতে পারে। শখের জিন্সগুলো ধুয়ে নিন নিজ হাতে। আধা বালতি পানিতে এক কাপ ভাল মানের কাপড় কাঁচার পাউডার গুলে নিন। ১৫ থেকে ২০ মিনিট জিন্সের প্যান্ট এতে ভিজিয়ে রেখে ঠাণ্ডা পানিতে ধুয়ে ফেলুন।

প্যান্ট ধোয়ার আগে পড়ে নিন গার্মেন্টস ট্যাগটি

জিন্সের প্যান্টের ভেতরের অংশে লক্ষ্য করুন একটি সাদা ট্যাগ লাগানো আছে, যেখানে নির্দেশনা দেয়া আছে কোন পদ্ধতিতে প্যান্টটি পরিষ্কার করতে হবে। প্যান্ট ধুয়ে ফেলার আগে ট্যাগটি ভাল ভাবে পড়ে নিন। কিছু কিছু জিন্স ঠাণ্ডা পানিতেই ধুয়ে নেয়া যায়, আবার কিছু জিন্সের জন্য ড্রাই ওয়াশ পদ্ধতি বেশি কার্যকর।

লবণ এবং ভিনেগার ব্যবহার করুন

দীর্ঘদিন জিন্স প্যান্টের রঙ উজ্জ্বল রাখতে চাই আমরা সবাই। তাই এক কাপ ভিনেগার এবং চার ভাগের এক কাপ লবণ মিশিয়ে নিন ঠাণ্ডা পানিতে। এরপর প্যান্ট তাতে ভিজিয়ে রাখুন ১৫ থেকে ২০ মিনিট। সাধারণ পানিতে ধুয়ে শুকিয়ে নিলে ভিনেগারের গন্ধও চলে যাবে। ভিনেগার এবং লবণের মিশ্রণ জিন্সের রঙকে স্থায়ী করে তুলবে।

22/04/2024

ডেনিম ওয়াশিং নিয়ে কিছু কথা

Mamun RezwanJanuary 29, 2018
ডেনিম ওয়াশঃ-
১৮৭০-এর দশকে খনি শ্রমিক ও কাউবয়েসের কাজের পোশাক হিসাবে “নীল জিন্স” শুরু হওয়ার পর থেকে , এই আইকোনিক গার্মেন্টস সারা বিশ্বে প্রতিদিনের গুরুত্বপূর্ণ পরিধানের পোশাক হিসাবে একটি জনপ্রিয় উপাদান হয়ে উঠেছে। বিভিন্ন স্বাদ এবং ফ্যাশনের গুরুত্ব উপলব্ধি করে যে প্রক্রিয়াগুলো সম্পন্ন করা হয় তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য প্রক্রিয়াগুলোয় রয়েছে জিন্সের একটি নির্দিষ্ট অংশে ডিসট্রেস্ট লুক , অপেক্ষাকৃত পুরাতন , ছেঁড়া একটা ভাব কিন্তু অবশ্যই নিঁখুত এবং কার্যকরী। গার্মেন্টেসে ওয়াশিং প্রক্রিয়া ইন্ডিগো ডাইড জিন্সের দৃঢ়তামুলক বৈশিষ্ঠ্য প্রদান করে এবং বিভিন্ন ধরনের ওয়াশ প্রসেস এপ্লাইয়ের ফলে গার্মেন্টসে বিভিন্ন ধরনের ফ্যাশনেবল লুক পাওয়া যায়।
এই প্রযুক্তিগত বুলেটিনে আমরা জিন্সের উপর প্রয়োগকৃত বিভিন্ন ধরনের ওয়াশিং প্রক্রিয়া এবং এই ওয়াশিং এর প্রভাব নিয়ে আলোচনা করব।

ডেনিম্ ওয়াশিং এর ফলে সৃষ্ট প্রভাবঃ-

চেহারা / রঙ পরিবর্তন
নরম করা
আকৃতিগত স্থায়িত্ব
ভিন্ন ভিন্ন হ্যান্ডলিং অনুভূতি

ডেনিম ওয়াশিং এর কয়েকটি পদ্ধতিঃ-
প্রি-ট্রিটমেন্টের পরেই মুলত ডেনিম গার্মেন্টসটিকে ওয়াশিং প্রসেসের জন্য প্রস্তুত করা হয়। নিম্নে উল্লেখিত ভিন্ন ভিন্ন পদ্ধতি এক্ষেত্রে ব্যবহার করা যেতে পারেঃ-
স্টোনওয়াশ
এসিড ওয়াশ
রিন্স ওয়াশ
এনজাইম ওয়াশ
ব্লিচ ওয়াশ

স্টোন ওয়াশ
স্টোন ওয়াশ ডেনিমের ক্ষেত্রে বহুল প্রচলিত একটি প্রক্রিয়া। এই ওয়াশ ডেনিমের ক্ষেত্রে নীলাভ একটি প্রভাব তৈরি করে যা ফ্যাশান জগতের জন্য খুবই বিখ্যাত। এই ওয়াশ ডেনিমে ওল্ড লুক তৈরি করে।ডেনিম গার্মেন্টস প্রজন্মের প্রসেসের গতি বাড়ানোর জন্য সত্তর দশকের শেষের দিকে পিউমিক স্টোন (ঝামা পাথর) আবিষ্কৃত হয়। পিউমিক স্টোন দিয়ে স্টোন ওয়াশ করা হয়।

চিত্রঃ- স্টোন ওয়াশড ডেনিম (গুগল)

অ্যাসিড ওয়াশ
এই ওয়াশের প্রধান লক্ষ্য পোশাকের উপর অমসৃণ চেহারা উৎপাদন। অ্যাসিড ওয়াশ পটাশ এবং পাথর দ্বারা সম্পন্ন করা হয়। প্রথমে, স্টোনকে পটাশের সলুশনে ডুবাতে হবে তারপর সামান্য শুষ্ক পাথর এবং একটি ওয়াশিং মেশিনের মাধ্যমে ওয়াশ করে ফেলতে হবে। সবশেষে আমরা গার্মেন্টসের একটি অমসৃণ লুক দেখতে পাব।

চিত্রঃ এসিড ওয়াশড ডেনিম (গুগল)

রিন্স ওয়াশ
রিন্স ওয়াশ ডেনিম গার্মেন্টসের জন্য মৌলিক একটি ওয়াশিং প্রক্রিয়া। এটি ডার্ক ওয়াশ নামেও পরিচিত। ডেনিমটিকে আরামদায়ক করার জন্য এই ওয়াশ করা হয়। এই পদ্ধতিতে ডেনিমকে প্রস্থ বরাবর ডিসাইজড করা হয় ওপেন ওয়াইডথ ওয়াশিং মেশিনে এবং এই প্রক্রিয়ায়া ডাই সলুশন ধুয়ে চলে যায় না। এই প্রক্রিয়ার একটি বড় অসুবিধা হল এতে ত্রুটিপূর্ণ ঘর্ষণের প্রভাব সৃষ্টি হয়।

চিত্রঃ- রিন্স ওয়াশড ডেনিম (গুগল)

এনজাইম ওয়াশ
যে ওয়াশিং পদ্ধতিতে এনজাইম ব্যবহার করা হয় তাকে এনজাইম ওয়াশ বলে। এই এনজাইম নিরপেক্ষ বা অ্যাসিড হতে পারে যা সেডের চাহিদার উপর নির্ভর করে। এই এনজাইম ওয়াশ পোশাকে বিভিন্ন ধরনের ঘর্ষণ ইফেক্ট উৎপাদনের জন্য ব্যবহার করা হয়। ফলে, পোশাক দেখতে খুব সুন্দর হয়। এনজাইম ওয়াশের প্রধান লক্ষ্য কোন ডেনিম পোশাকের চেহারা পরিবর্তন করা।

চিত্রঃ- এনজাইম ওয়াশড ডেনিম (গুগল)

ব্লিচ ওয়াশ
ব্লিচ ওয়াশের মধ্যে, একটি শক্তিশালী অক্সিডেটিভ ওয়াশিং এজেন্ট যুক্ত করা হয় এবং এর সাথে পিউমিক স্টোন সংযুক্ত করা হতেও পারে কিংবা না ও হতে পারে। এই প্রক্রিয়ায় ওয়াশিং এর উদ্দেশ্য, গার্মেন্টস হতে গাড় নীল সেড দূর করা। এবং এটি অক্সিডেটিভ কেমিক্যালের সাথে ইন্ডিগো ডাই ধ্বংস করার মাধ্যমে সম্পন্ন করা হয়। তবে এই প্রক্রিয়ার বড় একটি সমস্যা হল এতে ফাইবার ড্যামেজ হয় এবং বিপুল পরিমাণে দূষিত পানি নির্গত হয়।

চিত্রঃ- ব্লিচ ওয়াশড ডেনিম (গুগল)

22/04/2024
21/04/2024

Advantages of Wearing Jeans Advantages and Disadvantages of Wearing Jeans
Thursday, 03 June 2021 - 20:29 | Views - 2,072

Endless Options
Jean styles and colors are really endless. Many different jean brands now offer far more than the standard “boot cut” or “wide leg” varieties.

You can easily find jeans for any event or fit. Bell bottoms or flare jeans are available again along with high-waisted and skinny jeans. People will always appreciate a lot of options in fashion and choosing the best style and wash is now made easier.

Durable
Jeans are known for their durability. Made from denim, a long-lasting fabric, they were originally designed and worn as work clothes. It could take up to ten years to actually wear out a pair of jeans. Denim is the only fabric that offers so much durability.

Comfortable
With the wide variety of fits and brands available today it is easier than ever to find comfortable jeans. This is also one of their biggest selling points. Jeans offer an easy way to feel stylish while also remaining very comfortable. Few other clothing options offer this combination.

21/04/2024

পুরনো জিন্সকে আরো দীর্ঘস্থায়ী করুন এই উপায়ে
ডেস্ক রিপোর্ট

জিন্স নারী পুরুষ সবারই পছন্দের একটি পোশাক। আজকাল জিন্স হয়ে গেছে দৈনন্দিন পোশাকের প্রধান চাহিদা বা ট্রেন্ড। জিন্স ভারী কাপড়ের ক্যাটাগরিতে পরে, তাই পরিষ্কার করতে একটু কষ্টকর হলেও পরিধান করতে অনেক আরাম। কিন্তু জানেন কি, বিশেষজ্ঞরা জিন্স যথা সম্ভব না ধোয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। কারণ এতে জিন্স তাড়াতাড়ি নষ্ট হয়ে যায়। তাই চলুন জেনে নেয়া যাক শখের জিন্সটিকে কেমন করে আরো বেশি দিন ব্যবহারের উপযুক্ত করা সম্ভব-

শুকানো ও ধোয়ার সময় জিন্স উল্টিয়ে দিন
জিন্স ধোয়ার পরে অনেকটা ফ্যাকাসে হয়ে যায়। এটি রোধ করার জন্য লন্ড্রিতে দেয়ার আগে বা নিজে ধোয়ার আগে জিন্সটি উল্টিয়ে নিন। রোদে দেয়ার সময় ও উল্টো অবস্থায় রোদে শুকাতে দিন। এর ফলে খুব দ্রুত জিন্সের রঙ নষ্ট হবেনা।

দাগ দূর করুন
প্রিয় জিন্সটিতে যদি দাগ লেগে যায় তাহলে সেই দাগ দূর করার জন্য বেকিংসোডা ও পানি দিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। এবার একটি পুরনো টুথব্রাশে এই পেস্ট লাগিয়ে দাগের জায়গায় আস্তে আস্তে ঘষুন। দেখবেন দাগ দূর হবে সহজেই।

দুর্গন্ধ দূর করুন
জিন্সের দুর্গন্ধ দূর করার জন্য যদি ধোয়ার সময় না থাকে তাহলে এটিকে একটি প্ল্যাস্টিকের জিপলক ব্যাগে ভরে ডিপ ফ্রিজে রাখুন। কিছুক্ষণ পরে বের করে দেখুন এর দুর্গন্ধ দূর হয়ে একেবারে নতুনের মতো হয়ে গেছে।

টাইট করার জন্য
অনেক সময়ই জিন্সের কোমরের দিক ঢিলা হয়ে যায়। একে ঠিক করার জন্য ওয়াশিং মেশিনে ধোঁয়ার সময় গরম পানি ব্যবহার করুন এবং হিট ড্রাই করুন।

রঙ অটুট রাখার জন্য
নতুন জিন্সটি প্রথমবার ধোঁয়ার আগে লবণ পানিতে ভিজিয়ে রাখুন কিছুক্ষণ। তারপর স্বাভাবিক নিয়মে ধুয়ে ফেলুন। এতে করে জিন্সের রঙ অটুট থাকবে।

জিন্সের কোমর প্রশস্ত করার জন্য
অনেক সময় জিন্সের কোমরের অংশ বেশ টাইট মনে হয়। এই অবস্থাটি থেকে মুক্তি পেতে চাইলে জিন্স ধোঁয়ার পরে একে বাতাসে শুকাতে দিন এবং কোমরের অংশটি টেনে প্রশস্ত করে ক্লিপ দিয়ে আটকে দিন।

তেল-চর্বির দাগ দূর করুন
জিন্সে যদি তেলের দাগ লেগে যায় তাহলে দাগের উপরে বেবি পাউডার দিয়ে সারারাত রেখে দিন। পাউডারের উপাদান তেল-চর্বির দাগ শোষণ করে নিবে।

জিন্স কেনার সময় মনে রাখুন
জিন্স কেনার সময় দেখে নিন এটির প্রসারণ ক্ষমতা ২% পর্যন্ত আছে কিনা। জিন্সটি পরে অন্তত ৬০ সেকেন্ড অপেক্ষা করে দেখুন এর আকার একই রকম থাকে কিনা। জিন্সটি যদি ঠিকমতো ফিট না হয় তাহলে আপনাকে দেখতে ভালো দেখাবে না।

আয়রন করুন
আপনার ব্যবহৃত জিন্সটিকে নতুনের মতো করে তুলতে একে আয়রন করে নিন। এতে জিন্সটি দীর্ঘদিন ব্যবহার করতে পারবেন এবং স্বাচ্ছন্দ অনুভব করবেন। এতে জিন্সের আয়ু বৃদ্ধি পায়।

যতটা সম্ভব কম ধোয়ার চেষ্টা করুন
ওয়াশিং মেশিনে বা হাতে ঘন ঘন জিন্স প্যান্ট ধুলে তা মলিন হয়ে পড়ে অল্প দিনেই। তাই যতটা সম্ভব কম ধোয়ার চেষ্টা করুন। একটি জিন্স প্যান্ট সাধারণত আমরা ৩ থেকে ৪ দিন পরার পর ধুয়ে ফেলি। ধরা যাক, আপনার ৩টি জিন্সের প্যান্ট আছে। প্রতিটি ২ দিন করে পরার পর রোদে শুকিয়ে রাখুন। পরের সপ্তাহে আরো ২ দিন তা পরা যাবে। ফলে প্রতি মাসে আপনার প্যান্টটি ধোয়া হচ্ছে মাত্র ২ বার। এই পদ্ধতিতে কয়েক বছর পর্যন্ত একই জিন্স ব্যবহার করা যায়।

গোসলের সময় বাথরুমে রাখুন জিন্স
আপনি যখন বাথরুমে গরম পানি দিয়ে গোসল করবেন, তখন জিন্সটিকে বাথরুমে ঝুলিয়ে রাখুন। গরম ভাপে জিন্সের ভাঁজ দূর হবে এবং গোসল শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই জিন্সটিও পরার জন্য উপযুক্ত হবে।

জিন্সের প্যান্ট হাতে ধোয়ার চেষ্টা করুন
ভারী জিন্সের প্যান্টগুলো ধোয়া কষ্টকর, তাই অনেকের প্রবণতা থাকে সেসব লন্ড্রিতে পাঠানোর বা ওয়াশিং মেশিনে ধোয়ার। এতে করে জিন্স খুব দ্রুত ছিঁড়ে যেতে পারে। শখের জিন্সগুলো ধুয়ে নিন নিজ হাতে। আধা বালতি পানিতে এক কাপ ভাল মানের কাপড় কাঁচার পাউডার গুলে নিন। ১৫ থেকে ২০ মিনিট জিন্সের প্যান্ট এতে ভিজিয়ে রেখে ঠাণ্ডা পানিতে ধুয়ে ফেলুন।

প্যান্ট ধোয়ার আগে পড়ে নিন গার্মেন্টস ট্যাগটি
জিন্সের প্যান্টের ভেতরের অংশে লক্ষ্য করুন একটি সাদা ট্যাগ লাগানো আছে, যেখানে নির্দেশনা দেয়া আছে কোন পদ্ধতিতে প্যান্টটি পরিষ্কার করতে হবে। প্যান্ট ধুয়ে ফেলার আগে ট্যাগটি ভাল ভাবে পড়ে নিন। কিছু কিছু জিন্স ঠাণ্ডা পানিতেই ধুয়ে নেয়া যায়, আবার কিছু জিন্সের জন্য ড্রাই ওয়াশ পদ্ধতি বেশি কার্যকর।

লবণ এবং ভিনেগার ব্যবহার করুন
দীর্ঘদিন জিন্স প্যান্টের রঙ উজ্জ্বল রাখতে চাই আমরা সবাই। তাই এক কাপ ভিনেগার এবং চার ভাগের এক কাপ লবণ মিশিয়ে নিন ঠাণ্ডা পানিতে। এরপর প্যান্ট তাতে ভিজিয়ে রাখুন ১৫ থেকে ২০ মিনিট। সাধারণ পানিতে ধুয়ে শুকিয়ে নিলে ভিনেগারের গন্ধও চলে যাবে। ভিনেগার এবং লবণের মিশ্রণ জিন্সের রঙকে স্থায়ী করে তুলবে।

26/03/2024

গরমে প্যান্ট ট্রেন্ড

গ্রীষ্মের দাবদাহ চলমান। হঠাৎ কালবৈশাখীর ঝাপটায় কিছুটা প্রশান্তির ছোঁয়া পাওয়া গেলেও তাপমাত্রা প্রতিদিন যেন বেড়েই চলছে। অস্বস্তিকর গরমের সঙ্গে নাগরিক ব্যস্ততা তো থাকছেই, সঙ্গে নিজেকেও রাখতে হবে সতেজ আর উৎফুল্ল। প্রয়োজন আরামের পোশাক। অনেকেই নিজের অজান্তে বা অভ্যাসবশত কিছু কিছু ভারী পোশাক গ্রীষ্মে ব্যবহার করে, বিশেষ করে প্যান্ট। আবহাওয়া পরিবর্তনের সঙ্গে শার্ট, টি-শার্ট বা পোলো শার্টগুলো যেভাবে আমরা পাল্টে ফেলি। বলা যায়, সেদিক থেকে প্যান্টের ক্ষেত্রে অনেকেই কিছুটা উদাসীন। আবার রয়েছে কিছু ভুল ধারণা।
ডেনিম নিয়ে অনেকের মধ্যে কিছু ভুল ধারণা দেখা যায়। কারণ, ডেনিম পোশাক বলতে সাধারণভাবে একটু ভারী পোশাকই বোঝেন সবাই। কিন্তু বিভিন্ন ঋতু বা আবহাওয়ার বিষয়টি মাথায় রেখেও এখন তৈরি হয় ডেনিম পোশাক, বিশেষ করে প্যান্ট। যারা ট্রেন্ডি ফ্যাশনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে নিজেকে মানানসই করে তুলতে চায়, তাদের জন্য এগুলো পরিধেয় হিসেবে চমৎকার। সামার ডেনিমগুলো সাধারণভাবেই বেশ হালকা ও ঢিলেঢালা। এই ধারায় স্ট্রেইট কাট প্যান্ট আবারও ট্রেন্ডি হয়ে উঠছে। কারণ, গরমে ন্যারো কাট, ফিটেড বা স্কিনি প্যান্ট খুব একটা স্বস্তিদায়ক নয়।
আশির দশকের থ্রেড কাট জিনসও ফিরে আসছে ট্রেন্ডে। এমনকি কিছু কিছু আন্তর্জাতিক ফ্যাশন ব্র্যান্ড পরীক্ষামূলকভাবে টাইডাই, স্ট্রাইপড এবং কালার শেড ডেনিমও বাজারে ছেড়েছে। এ ছাড়া কয়েক বছর ধরে ডিস্ট্রেসড ডেনিম, জগার এবং সিগারেট জিনসও রয়েছে ট্রেন্ডে। এ ধরনের ডেনিমও অনেক স্বাচ্ছন্দ্যের। তাই তো অনেকে ডিস্ট্রেসড ডেনিম,জগার, ফেড ডিস্ট্রেসড জিনসকে রাখছেন পছন্দের তালিকায়।
ছেলেদের প্যান্টের ক্ষেত্রে অনেক সময় ফরমাল ও ক্যাজুয়াল ঠিক আলাদা করে বলা যায় না। যদিও এ ক্ষেত্রে জিনসকে বাদ দিতে হবে তালিকা থেকে। গরমের ক্যাজুয়াল প্যান্ট বলতে বর্তমান সময়ে গ্যাবার্ডিন প্যান্টকেই বোঝানো হয়। ট্রাউজার থাকতে পারে পছন্দের তালিকায়। ট্রাউজারেরও আছে কয়েক পদ। যাঁরা ট্রাউজার বলতে শুধু স্পোর্টস ট্রাউজার বোঝেন, তাঁদের ধারণাও কিন্তু ভুল।
কার্গো ট্রাউজারও এ রকম ট্রাউজারের মধ্যে পড়ে। যেগুলো মোবাইল প্যান্ট বা ট্রাউজার হিসেবেও বেশ পরিচিত। পরিবেশ বুঝে পরতে পারেন বিভিন্ন রকমের ট্রাউজার, যা গরমে সবচেয়ে বেশি স্বস্তি দেবে। ফুল প্যান্টের বিকল্প হিসেবে আড্ডা বা ঘোরাঘুরিতে এসব প্যান্টের থ্রি-কোয়ার্টার ভার্সনও হতে পারে বেশ আরামদায়ক। এ ছাড়া রয়েছে বেশ কয়েক ধরনের প্যান্ট, যেগুলো গরমে বেশ উপযোগী। যেমন স্লিম বা রেগুলার ফিট গ্যাবার্ডিন ও সোয়েটপ্যান্টস। এগুলো আবার প্যাটার্ন বদলে ভিন্ন নামে জায়গা দখল করেছে ট্রেন্ড্রে।
যেমন অনেকে চিনোস নামের একধরনের প্যান্ট পরছেন, যার মিল রয়েছে অনেকটা জগার এবং সোয়েটপ্যান্টের সঙ্গে। কর্মক্ষেত্রে কার্গোর মতো প্যান্ট বা ট্রাউজার না পরতে চাইলে অথবা পরার সুযোগ না থাকলে বেছে নিতে পারেন চিনোস। অ্যাশ, খাকি, বিস্কুট কালারের মতো হালকা রঙের চিনোস এখন ফ্যাশনে ইন, আর প্রতিটি প্যান্টের ডিজাইন ও ফ্যাব্রিকের মাঝে রয়েছে নতুনত্ব।
প্যান্টের সঙ্গে চাই সময়োপযোগী জুতা। গরমের সময় ক্যাজুয়াল পোশাকের সঙ্গে স্লিপারই বেশি স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ। চামড়া বা রেকসিনের স্লিপারের সুবিধা হচ্ছে, এটি পায়ে চাপিয়ে অনেক জায়গায় সহজেই অংশগ্রহণ করা যায়। তবে সবক্ষেত্রে স্লিপার মানানসই নয়। আবার অফিস গেটআপের সঙ্গে ফরমাল জুতা পরার বাধ্যবাধকতা তো আছেই। তাই প্যান্টের ধরন-গড়নের সঙ্গে মিলিয়ে পরতে হবে জুতা। না হলে নিজের ফ্যাশন স্টেটমেন্ট সম্পূর্ণ হবে না।

26/03/2024

জেনে রাখা ভালো

নিয়মিত ব্যবহারের জন্য জিন্স প্যান্টের কোনো তুলনা হয় না। জিন্স তৈরিতে ব্যবহার করা হয় ডেনিম কটন যা সম্পূর্ণ সুতি। মোটামোটি ভারি কাপড়ের টুইল বুননে তৈরি হয় বলে সহহে ছিড়ে যায় না। তাই জিন্স প্যান্ট পরা যায় বহুদিন।

বাজারে ভালো খারাপ দুই মানের জিন্স প্যান্ট পাওয়া গেলেও আমরা অবশ্যই চেষ্টা করব সেরা জিন্স প্যান্ট কেনার। আর তার জন্য জানা প্রয়োজন, কিছু সহজ কথা। চলুন আপানাদের সুবিধার্থে জানিয়ে দিচ্ছি সেই গোপন রহস্য।

১/ জিন্স প্যান্ট হতে হবে আপনার হাইট ওয়েটের সাথে মানানসই। অর্থ্যাৎ এককথায় যাকে বলে পারফেক্টলি ফিট। তাই জিন্স প্যান্ট কিনুন নিজের মেজারমেন্ট এ।

২/ আমারা অনেকেই বিশেষত মেয়েরা নিজেদের স্লিম দেখাতে গিয়ে নিজেদের কোমড় সাইজের থেকেও স্মল সাইজ জিন্স প্যান্ট কেনে। এটা একদমই ঠিক না। এতে করে স্বাস্থ্য ঝুকি থেকে শুরু করে নানাবিধ শারীরিক কষ্ট হতে পারে। তাই নিজেকে আকর্ষণীয় করার তাগিদে ভুল সাইজের প্যান্ট কিনবেন না।

৩/ রঙ চটা জিন্স প্যান্ট আজকাল ফ্যাশন হলেও সব ক্ষেত্রে তা মানানসই না। তাই জিন্স প্যান্ট কিনুন এমন যার রঙ হবে পাকা ও দীর্ঘমেয়াদি।

৪/ ডিজাইন ও স্টাইলের ভিন্নতায় এর জিপার, হাইট আর স্টিচের ধরনে পরিবর্তন লক্ষ করা যায়। তাই এগুলো ভাল ভাবে চেক করেই জিন্স প্যান্ট কিনুন।

৫/ দামী জিন্স মানেই ভালো জিন্স একথাটি ভুল। অনেক ক্ষেত্রে কমদামী জিন্স প্যান্টেও আপনি বেশ সন্তুষ্টি নিয়ে পরিধান করতে পারেন। তাই দাম দিয়ে কাপড়ের যোগ্যতা যাচাই করা সব ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় না।

৬/ অন্যকে যে জিন্স পরলে মানাবে তা আপনাকেও মানাবে এ কথা ভাবা-টা ভুল। সুতরাং ট্রেন্ড ফলো করলেও জিন্স প্যান্ট কিনতে হবে নিজের স্টাইল বুঝে।

৭/ জিন্স প্যান্ট কেনার পূর্বে অবশ্যই ট্রায়াল দিয়ে কিনুন। এতে ভুল বা বেমানান সাইজ কেনার ঝামেলা থাকবে না।

সংগৃহীত

Want your business to be the top-listed Clothing Store in Chattogram?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Website

Address

Chattogram
Chattogram
4000