Excellent Islam bd

Excellent Islam bd

Share

হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর আর্দশ আমাদের প্রেরণা

04/12/2025

১৪ ই ডিসেম্বর যাত্রা শুভ হোক শুভ কামনা রইল

04/12/2025

সফল হোক

10/10/2025

মরহুম ফজল করিম এর মাসিক ফতেহা ❤️
মাওলানা মুহাম্মদ ইমরান হোসেন রায়হান
শিক্ষার্থী, জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া কামিল মাদ্রাসা।

07/10/2025

শুভকামনা ও দোয়া আমরা গর্বিত আমাদের যাত্রা পথে জবাবদিহিতার অংশীদার পাওয়ায়

11/10/2024

সৈয়দ হাসান আজহারী আপনাদের ফতোয়া অনুযায়ী তওবা করলেন।

আপনারা যারা দুই দিনের মুফতি সেজে ফেইসবুকে ফতোয়ার বাজার গরম করছেন, আপনাদের কাছে কিছু প্রশ্ন!!?

আমাদের আজহারীরা যদি ভিন্ন ঘরনার আজহারীর সাথে দেখা করাতে ওহাবী হয় তাহলে কি সুন্নী আজহারীদের সাথে দেখা হওয়াতে মিজান আজহারী সুন্নি হয়ে গেছেন?

জামেয়াতে ভারতীয় রাষ্ট্রদূতের যাওয়াতে জামেয়া কি ভারতীয় হয়ে গেছে!?

কওমী ঘরনার উপদেষ্টা জামেয়ার পরিদর্শনে যাওয়া এবং অধ্যক্ষ মহোদয়ের সাথে সাক্ষাৎ হওয়াতে উনারা কি ওহাবী হয়ে গেছেন??

হাশেমী হুজুর দরবারে এম এ সামাদসহ আরও অনেক আলেম উলামার উপস্থিতিতে মেহমান ছিলেন আ ফ ম খালিদ হোসাইন যিনি রাসুল (সাঃ) শানে বয়ান করছিলেন ।

এখন হাশেমীয়া দরবার এবং এম.এ সামাদ সাহেব কি বাতেল হয়ে গেছেন ??

অসুস্থ দ্বীন অনুসরণকারী ছাড়া কেউ এমন চিন্তা করে না…….

সুস্থ মানসিকতার মানুষরা বলবে “না কেউ ওহাবী বা বাতেল হয়ে যায় নাই “। কারণ কারও সাথে দেখা করলে ,কুশল বিনিময় করলে আকীদা চলে যায় না অথবা বাতেল হয়ে যায় না।

আকিদা এত ঠুনকো বিষয় হলে ইসলাম তথা সুফী ইসলামের সারা বিশ্বব্যাপী এত জয় জয়কার হত না।

শুনেন গোঁড়ামি বাদ দেন ,চট্রগ্রাম কোনায় বসে ফতোয়া বাজি করে সুন্নিয়তের ক্ষতি ছাড়া লাভ কখনো করেন নাই এবং করবেনও না।

আপনাদের মত সংকীর্ণ মনের লোকেরাই হক ,দুনিয়ায় আর কোনো হক নেই, বাকী দুনিয়ার সবাই বাতিল।

এমন অসুস্থ চিন্তা থেকে বের হয়ে নিজেরাও তওবা করুন।

———————
শহিদুল ইসলাম
লন্ডন
১০-১০-২০২৪

20/09/2022
17/09/2022

৪০টি গুরুত্বপূর্ণ উপদেশ
যা অাপনার জীবনকে বদলে দেবে-
১। তিন সময়ে ঘুমানো থেকে বিরত থাকুনঃ
ক ) ফজরের পর থেকে সূর্যোদয় পর্যন্ত,
খ ) আসর থেকে মাগরিব এবং
গ ) মাগরিব থেকে এশা পর্যন্ত।
২। দুর্গন্ধময় লোকের সাথে বসবেন না, যেমন:- যাদের মুখ থেকে সিগারেট কিংবা কাঁচা পেয়াজের গন্ধ আসে এমন লোকের সাথে।
৩। এমন লোকের কাছে ঘুমাবেন না যারা ঘুমানোর পূর্বে মন্দ কথা বলে ।
৪। বাম হাতে খাওয়া এবং পান করা থেকে বিরত থাকুন।
৫। দাঁতে আটকে থাকা খাবার বের করে খাওয়া পরিহার করুন।
৬। হাতে-পায়ের আঙ্গুল ফোটানো পরিহার করুন।
৭। জুতা পরিধানের পূর্বে দেখে নিন।
৮। নামাজে থাকা অবস্থায় আকাশের দিকে তাকাবেন না।
৯। টয়লেটে থুথু ফেলবেন না।
১০। কয়লা দিয়ে দাঁত মাজবেন না।
১১। প্যান্ট, ট্রাউজার, পা পায়জামা বসে ডান পা আগে পরিধান করুন।
১২। ফুঁক দিয়ে খাবার_ঠাণ্ডা করবেন না।
প্রয়োজনে বাতাস করতে পারেন।
১৩। দাঁত দিয়ে শক্ত কিছু ভাঙতে যাবেন না।
১৫। ইকামাত এবং নামাজের মধ্যবর্তী সময়ে কথা বলবেন না ।
১৬। টয়লেটে থাকা অবস্থায় কথা বলবেন না।
১৭। বন্ধুদের সম্পর্কে গল্প করবেন না। ভালো কিছুও নয়। ভালো বলতে বলতে মুখ দিয়ে শয়তান খারাপ কিছু বের করে দেবে!
১৮। বন্ধুদের জন্য প্রতিকুলতা সৃষ্টি করবেন না।
১৯। চলার সময় বারবার পেছনে ফিরে তাকাবেন না ।
২০। হাঁটার সময় দম্ভভরে মাটিতে পা ঠুকবেন না ।
২১। বন্ধুদের সন্দেহ করবেন না।
২২। কখনো মিথ্যা বলবেন না । ঠাট্টা করেও নয়।
২৩। নাকের কাছে নিয়ে খাবারের গন্ধ শুকবেন না ।
২৪। স্পষ্ট করে কথা বলুন যাতে লোকজন সহজে বুঝতে পারে।
২৫। একা ভ্রমণ করবেন না। দুইয়ের অধিক বা সম্ভব হলে দলবেঁধে ভ্রমণ করুন।
২৬। একা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিবেন না, বুদ্ধিসম্পন্ন কারো সাথে পরামর্শ করুন, তবে সিদ্ধান্ত হবে আপনার!
২৭। নিজেকে নিয়ে কখনো গর্ব করবেন না।
২৮। খাবার নিয়ে কখনো মন খারাপ করবেন না। যা পেয়েছেন তাতেই আল্লাহ্ পাকের শুকরিয়া আদায় করুন।
২৯। অহংকার করবেন না। অহংকার একমাত্র আল্লাহ্ পাকের সাজে।
৩০। ভিক্ষুকদের পরিহাস করবেন না ।
৩১। মেহমানদের মন থেকে যথাসাধ্য ভালো মতো আপ্যায়ন করুন ।
৩২। ভালো কিছুতে সহযোগিতা করুন।
৩৩। দারিদ্র্যের সময়ও ধৈর্যধারণ করুন।
৩৪। নিজের ভুল নিয়ে ভাবুন এবং অনুসূচনা করুন।
৩৫। যারা আপনার প্রতি খারাপ কিছু করে, তাদের সাথেও ভালো আচরণ করুন।
৩৬। যা কিছু আছে তা নিয়েই সন্তুষ্ট থাকুন।
আলহামদুলিল্লাহ্‌ আল্লাহ্ যা দিয়েছেন তার জন্য শুকরিয়া আদায় করুন।
৩৭। বেশি ঘুমাবেন না , এতে স্মৃতিশক্তি লোপ পাবে।
৩৮। নিজের ভুলের জন্য দিনে অন্তত ১০০ বার আল্লাহ্ পাকের কাছে অনুতপ্ত হোন। আস্তাগফিরুল্লাহ পড়ুন!
৩৯। অন্ধকারে কিছু খাবেন না।
৪০। মুখ ভর্তি করে খাবেন না। বাচ্চাদেরকেও মুখ ভর্তি করে খেতে দিবেন না।
আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আমাদের সবাইকে এই উপদেশমূলক বাণীগুলো মেনে চলার তাওফীক দান করুক!
আমীন

11/06/2022

আমাদের জান,দিল কোরবান আপনার চরণে ইয়া রাসূলাল্লাহ্ ﷺ

নামা‌জের সময় মস‌জি‌দে যে‌তে হ‌বে নবী প্রিয়নবিজী কে অথচ তাঁর চাদ‌রের উপর বিড়াল ঘু‌মি‌য়ে প‌ড়ে‌ছে। বিড়া‌লের ঘুম না ভা‌ঙি‌য়ে কা‌চি দি‌য়ে চাদর কে‌টে কাটা অংশ নি‌য়ে মস‌জি‌দে গে‌লেন নবীজি!

প্রিয়নবী বল‌লেন,যাকাত দাও তোমার সম্পদ থে‌কে,এ‌তে গরীব,এ‌তিম,মিসকিন ও আত্মীয়‌দের হক র‌য়েছে।

রসুলুল্লাহ দ. এক‌দিন দেখ‌লেন আজ আর উনার প‌থে কাঁটা নেই! তাহ‌লে যে বু‌ড়ি প্রতি‌দিন কাঁটা বি‌ছি‌য়ে রাখ‌তেন,তি‌নি কি অসুস্থ হ‌য়ে পড়‌লেন? বু‌ড়ির খোঁজ নেওয়ার জন‌্য ছু‌টে গে‌লেন তি‌নি!

প্রতি‌বে‌শি না খে‌য়ে থাক‌লে তার খোঁজ নি‌তে ব‌লে‌ছেন রসুলুল্লাহ দ. বলেছেন, ৪০ দি‌নের অ‌তি‌রিক্ত খাদ‌্যশস‌্য মজুদ ক‌রো না।

প্রিয় নবীজি ব‌লে‌ছেন,যার যার ধর্ম তার তার,অন‌্য ধ‌র্মের সমা‌লোচনা বা নিন্দা ক‌রো না!

এ রকম হাজার হাজার উদাহরণ প্রিয়নবীজি সম্প‌র্কে দেওয়া যা‌বে। পৃ‌থিবী‌তে অন‌্য কো‌নো ধর্ম নি‌য়ে সমা‌লোচনা হয় না, অথচ ইসলাম,মুস‌লিম ও মানবতার অন্যন মুক্তির দিশারী, মহানবী হযরত মুহাম্মদ (দ.) কে নি‌য়ে সমা‌লোচনা হয় কেন? এর কারণ জগ‌তের যত নিন্দুক,বর্বর,অমানুষ মানুষগু‌লোর স্বার্থপ‌রিপন্থী বিধান ও কথা র‌য়ে‌ছে প‌বিত্র গ্রন্থ কুরআ‌নে।

ইসলাম ও প্রিয় নবীজি মুহাম্মদ (দ.) কে নি‌য়ে কট‌ূক্তিকারী নূপুর শর্মা গং‌দের উপযুক্ত এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি আমরা,যাতে আর কেহ প্রিয় নবীজিকে নিয়ে এধরনের কটুক্তি কর কথা বলার সাহস না পায়।

24/05/2022

_______ #একটি_শিক্ষামূলক_পোস্ট,_______

#শালী মারা যাওয়ার পর লাশের
চারপাশে মহিলারা
কুরআন তেলোয়াত করতেছে । এমন সময়
তার দুলাভাই এসে দাবি করল, "আমি
আমার
শালীকে শেষ গোসলটা করাইতে
চাই!!"
এই কথা শুনে আশেপাশের মানুষ
হামলে
পড়ল,
তারা দুলাভাইকে বুঝিয়ে দিল,
ফতোয়া
কত প্রকার কি
কি... একজন তো হেব্বি গরম হয়ে
বলেই
ফেলল, "মরার পরে শালীকার মুখ
দেখাও
নাজায়েয, আর তুই গোসল করাইতে
চাস
মানে?"
এইবার দুলাভাই বলা শুরু করল, আমার
শালীকা যখন
জীবিত ছিলো, তখন কতবার হাত
চেপে
ধরছে
৫০০ টাকার জন্য, গলা জড়িয়ে ধরছে
মেলায় যাওয়ার
জন্য, আমার মটর সাইকেলের পিছনে
উঠার
জন্য
কত কি যে করেছে! তখন সবই জায়েজ
ছিলো, আর মরার সাথে সাথে মুখ
দেখাও
নাজায়েজ হয়ে গেল? এতদিন
কোথায় ছিল
আপনাদের ফতোয়া??
তখন একজন বুঝিয়ে দিল, মৃত অবস্থার
তুলনায়
জীবিত থাকা অবস্থাতেই
দুলাভাইয়ের
সামনে
পর্দা মেইনটেইন করা অনেক বেশি
জরুরী
ছিল । দুনিয়াতে জীবিত থাকা
অবস্থায়
তার জন্য
পর্দা করা ফরজ ছিল। কিন্তু আজ যদি
আপনি তার
কাফনের ৫ টুকরা কাপড়ের উপরে
আরও ৬
টুকরা
এক্সট্রা কাপড় দিয়ে ঢেকে দেন,
তাতে
কোনো লাভ হবেনা ।
আর মরা মানুষকে কুরআন তেলোয়াত
শুনিয়ে
লাভ কি? জীবিত থাকতে কেউ যদি
কুরআন
মেনে চলতে না পারে, তাহলে
মরার পরে
কুরআনকে তাবিজ বানিয়ে তার
কবরে
পাঠিয়ে
দিলেও বিন্দু পরিমাণ লাভ হবে
না।
কোরআন মরা
মানুষের জন্য নাযিল হয় নাই।
কোরআন
নাযিল
হয়েছে আমরা যারা জীবিত আছি
তাদের
হেদায়াতের জন্য।
আল্লাহ আমাদের সবাইকে
সঠিকভাবে
দ্বীন
বুঝার তৌফিক দান করুন।

................. #আমিন

Website