Life With Sumu
creating a softer, prettier life �
small joys, gentle days
life with sumu♡
02/04/2026
বিয়ের জন্য এড়িয়ে চলা উচিত এমন ৯ ধরনের পুরুষ—
সব পুরুষই তোমার স্বামী হওয়ার জন্য উপযুক্ত নয়। কেউ তোমাকে আল্লাহর দিকে এগিয়ে দেবে, আবার কেউ ধীরে ধীরে দূরে সরিয়ে দিতে পারে। তাই হৃদয়ের পাশাপাশি দ্বীনকেও গুরুত্ব দিয়ে নির্বাচন করো।
১. যে পুরুষ দায়িত্ব নিতে চায় না
ইসলামে পরিবারের আর্থিক দায়িত্ব স্বামীর উপর,যেকোনো পরিস্থিতিতেই শুধুমাত্র স্ত্রীর দায়িত্ব বাধ্যতামূলক।(কুরআন ৪:৩৪)।
যে এই দায়িত্ব এড়িয়ে চলে, সে বিয়ের জন্য প্রস্তুত নয়।
২. অমুসলিম পুরুষ
একজন মুসলিম নারীর জন্য অমুসলিম পুরুষকে বিয়ে করা বৈধ নয় (কুরআন ২:২২১)।
এটি আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলার নির্ধারিত সীমা।
৩. যে নামাজে অবহেলা করে
সালাত দ্বীনের ভিত্তি।
যে নিয়মিত নামাজ ত্যাগ করে, তার আল্লাহর সাথে সম্পর্ক দুর্বল—এটি বড় সতর্কতার বিষয়।
৪. যে ভালোবাসা ও সম্মান দিতে পারে না
আল্লাহ বিবাহকে ভালোবাসা ও রহমত হিসেবে বর্ণনা করেছেন (কুরআন ৩০:২১)।
অবহেলা, রুক্ষতা বা নির্যাতনের কোনো স্থান নেই ইসলামী দাম্পত্যে।যে দাম্পত্য জীবনে শান্তির জন্য স্ত্রীর কাছে নত হতে চায় নাহ,নবিজী বলেছেন,আল্লাহর পরে স্ত্রী একমাত্র ব্যক্তি যার কাছে কোনো ব্যাক্তিত্ব থাকা যাবে নাহ,সর্বদা তাকে খুশি রাখার জন্য নিজেকে ব্যাক্তিত্বহীন হতে হবে।কারণ স্ত্রী-ই একমাত্র ব্যক্তি যার সুপারিশ আপনাকে জাহান্নাম থেকে জান্নাতে প্রবেশ করাবে।
৫. দায়িত্বহীন ও নেতৃত্বহীন পুরুষ
একজন স্বামী হওয়া উচিত দায়িত্বশীল, নিরাপত্তাদাতা ও পরিপক্ক।
ইসলামে নেতৃত্ব মানে নিয়ন্ত্রণ নয়—বরং জবাবদিহিতা, যত্ন ও তাকে নিরাপদ ফিল করানো।
৬. যে মা ও স্ত্রীর মাঝে ভারসাম্য রাখতে পারে না
ইসলাম পিতামাতার সাথে সদাচরণ করতে বলে, আবার স্ত্রীর অধিকারও নিশ্চিত করতে বলে যা কিনা পিতামাতার উর্ধে রেখেছে ইসলাম।সবার আগে স্ত্রীর সন্তুষ্টি লাভের জন্য সবার সাথে প্রতিবাদ করে স্ত্রীর ন্যায্য বিচার বা হক পাইয়ে দিতে হবে।
স্ত্রীর ভুল হলে সেটা ভালোবেসে একাকি স্ত্রীকে বুঝাতে হবে,আর অন্যদিকে বাবা মায়ের ভুল তাদেরকেউ ধরিয়ে দিতে হবে।যে এই ভারসাম্য রক্ষা করতে পারে নাহ সে পুরুষের প্রতি আল্লাহর নায়ালত নাজিল হয়।
৭. যার চরিত্র ও দ্বীন তোমার সন্তুষ্টির কারণ নয়
রাসূল ﷺ বলেছেন:
“যার দ্বীন ও চরিত্রে তুমি সন্তুষ্ট, তাকে বিয়ে করো।” (তিরমিযী)
চরিত্র কখনো অবহেলা করার বিষয় নয়।
৮. যে শুধু দুনিয়ার জন্য ভালোবাসে
যদি তার ভালোবাসা শুধু সৌন্দর্য বা অবস্থানের উপর নির্ভর করে, তা একসময় ম্লান হয়ে যাবে।
একজন নেককার মানুষ এমনভাবে ভালোবাসে, যা তোমাকে আল্লাহর কাছাকাছি নিয়ে যায়।
৯. যার মধ্যে গায়রাহ (protective concern) নেই
ইসলামে গায়রাহ মানে ভারসাম্যপূর্ণ দায়িত্ববোধ।
এটি অহেতুক সন্দেহ বা কঠোরতা নয়—বরং সীমার ভেতরে থেকে সুরক্ষা ও ভালোবেসে বোঝানো।
ইসলামে ভালোবাসা কখনো উদাসীন নয়।
একজন নেককার পুরুষ রক্ষা করে—নিয়ন্ত্রণ বা কঠোরতা দিয়ে নয়, বরং আন্তরিকতা, দিকনির্দেশনা ও দায়িত্ববোধ,ভালোবাসা দিয়ে।
তাই এমন কাউকে বিয়ে করো,
যে আগে আল্লাহকে বেছে নেয়—
তারপর তোমাকে, আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য।
(Copy post)
31/03/2026
রাহুলের চলে যাওয়ায় প্রিয়াঙ্কা হাউমাউ করে কাঁদছে না কেন এটা সবার আক্ষেপ। চিরদিন তুমি যে আমার মুভিতে যেমন পল্লবী তার কৃষ্ণর জন্য কেঁদেছিল ঠিক তেমন কান্না এক্সপেকটেশন করছে সবাই। কিন্তু বাস্তব জীবনটা সিনেমার থেকে ব্যতিক্রম। হতে পারে তাদের প্রেম, বিয়ে সব সিনেমার মতোই কিন্তু বাস্তব জীবনে একসাথে থাকতে থাকতে দুটো মানুষের মধ্যে দূরত্ব সৃষ্টি হয়। সেই দূরত্ব কখনও একজনের ভুলে, কখনও দুজনের ভুলের জন্যই হয়। যেভাবেই হোক দূরত্ব হয়েছিল। সেই দূরত্ব বিচ্ছেদ পর্যন্তও টেনে নিয়েছিল। একমাত্র সন্তানের জন্য তারা আবার একও হয়েছিল। কিন্তু সিনেমায় দেখায় আলাদা হওয়া দুটো মানুষ আবার এক হয়ে যায় কিন্তু বাস্তবে আলাদা হয়ে যাওয়া দুটো মানুষ আসলেই কি আবার এক হতে পারে? চাইলেই পারে! না চাইলেও হয়না আর। অনুভূতিগুলো নষ্ট হয়ে যায়। তারা এক হলেও তাদের মধ্যে দূরত্বটা ঠিকই রয়ে গিয়েছিল৷ প্রিয়াঙ্কাকে ওভাবে কাঁদতে না দেখে আমিও বলছিলাম সময়ের সাথে সাথে সবচেয়ে কাছের মানুষও বদলে যায়৷ আসলেই বদলে যায়, বদলে যেতে বাধ্য হয়। আমার জায়গায় দাঁড়িয়ে আমি যেটা ভাবছি, যেটা ভাববো সেই মানুষটার জায়গায় দাঁড়িয়ে সে কি ভাবছে তা বুঝতে পারবো না। এই যে আলাদা হওয়া, এই যে দূরত্বটা, একসাথে না থাকা এসবকিছুর পর আজ প্রিয়াঙ্কার হাউমাউ করে কাঁদা মানায়? তখন সবাই বলবে এতোদিন তো একসাথে থাকোওনি আজ লোক দেখানো কাঁদছো। আবার সে কান্না চেপে রেখছে তারপরও সবাই বলছে সে হাসছে। আসলে সে হাসছে না কাঁদছে না শোকে পাথর সেটা একমাত্র তারই ব্যাপার। লাইফটা তার আর সেটা একটা মুভির দুই ঘন্টা অথবা আড়াই ঘন্টা না সেটা অনেক বছর, অনেক সময়। সে অনেক সময় একসাথে থেকেছে, জেনেছে, বুঝেছে, ভালোবেসেছে অথবা বাসেনি। সবমিলিয়ে সে জানে তার মনে কতোটা কি ছিল বা আছে। আজ সে কাঁদেনি বলে তাকে আমরা কাঠগড়ায় দাঁড় করাতে পারিনা।
কয়েকটা লাইন সত্যিই হয়ে যায় সবার জীবনে -
03/03/2026
আজকে আলভি অনেকবার বলল— ইকরা অনেক টক্সিক ছিল।
আবার তিথির কথা বলার সময় বলল— তিথি তার জন্য কমফোর্ট, তার আস্থা, মেন্টালিটি মিলে। বাকিদের মতো সে না।
আরও কত ব্লা ব্লা।
আমি পুরোটা ভিডিও দেখেছি।
মনোযোগ দিয়ে দেখেছি। আর এই ছেলেটার এই কথাগুলোয় আমি বিন্দু পরিমাণ অবাক হইনি। কারণ স্ত্রীকে টক্সিক ভাবা ব্যক্তি সে একা না।
লক্ষ লক্ষ পুরুষ আছে এমন।
আর গার্লফ্রেন্ডকে এদের কমফোর্ট জোনই মনে হবে।
খুবই স্বাভাবিক।
এখন আসি টক্সিক মানুষের সারাদিন নিয়ে।
টক্সিক মানুষ সারাদিন ঘর-সংসার দেখবে, বাচ্চা পালবে, বাসার বুয়ার সাথে ঘ্যান ঘ্যান করবে, জামাইয়ের পছন্দের রান্না করবে। যৌথ ফ্যামিলি হলে জামাইয়ের চৌদ্দ গুষ্টিকে হ্যাপি করবে।
সব সামলায়া নিজেরে নিয়ে আর ভাবার টাইম নাই।
এখন আসি কমফোর্ট জোনের মানুষের সারাদিন নিয়ে।
এই সব মানুষের সকাল হয় অনেক দেরিতে। একদম প্রিন্সেস টাইপ। ঘরে কোনো কাজ করা লাগে না। একটু পরপর স্কিন কেয়ার করে। ফিটনেস নিয়েও এরা অনেক সচেতন। এরা সুগার ড্যাডি বা সুগার আংকেলের টাকাতেই লাক্সারিয়াস লাইফ কাটায়। বন্ধু-বান্ধব, আড্ডা, পার্টি— একদম জাঁকজমক জীবন। এর মধ্যে বয়ফ্রেন্ড (অন্যের জামাই) যখন ফোন দেয়, তার মন থাকে উৎফুল্ল। দিনে যদি দেখা হয় দুই ঘণ্টার জন্য, তখন এই কমফোর্ট জোন তার বেস্ট কমফোর্ট দেওয়ার ট্রাই করে।
যারা বৌ রে টক্সিক ভাবে তাদের উদ্দেশ্যে বলি কি, তোর এই কমফোর্ট জোন যখন তোর ঘরে বউ হয়ে আসবে, যখন তোর সাথে সারাদিন থাকবে, তখন তোর মতো বেটার মুখে এই কমফোর্ট জোন মুতবেও না।
যেদিন তারও ২৪ ঘণ্টা তোমার বাস্তবতা সামলাতে হবে,
সেদিন “কমফোর্ট” শব্দটার সংজ্ঞা বদলে যাবে। তখন সেও টক্সিক ই হবে।
কারণ কমফোর্ট সবসময় মানুষ না— পরিস্থিতির ফিল্টার।
দায়িত্ব এলে ফিল্টার খুলে যায়।
অতিরিক্ত রাগ সব সময় বদমেজাজ থেকে আসেনা।
অনেক সময় এটা মনের ভেতর জমে থাকা কিছু আক্ষেপ থেকে আসে,
যেটা ঠিকভাবে বলা হয়নি, কারও শোনা হয়নি, কেউ বুঝতেও পারেনি।
রাগ হওয়া মানুষের স্বাভাবিক অনুভূতি।
কিন্তু যখন সামান্য কথায় রাগ ওঠে, বারবার নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়,
তখন ধরে নিতে হয় ভেতরে কোথাও মানসিক চাপ জমে আছে।
দীর্ঘদিনের দুশ্চিন্তা, না বলা কষ্ট, অবমূল্যায়নের যন্ত্রণা, এই সবকিছু মিলে রাগকে মুখ্য করে তোলে।
বিষণ্নতা সব সময় চোখের জল হয়ে আসে না। অনেকের ক্ষেত্রে সেটা রাগ হয়ে বের হয়।
উদ্বেগ আর অস্থিরতা থাকলে মাথা সারাক্ষণ ব্যস্ত থাকে,
তখন ছোট কোনো ঘটনাও বড় মনে হয়। এবং দুর্ভাগ্যবশত অধিকাংশ সময়,
এই রাগের ক্ষোভ প্রিয়জনের উপরেই দেখানো হয়।
আল্লাহ যাকে ভালোবাসেন তাকে সকল বিপদ আপদ দিয়ে পরিক্ষা করেন আলহামদুলিল্লাহ❤️🩹
゚viralシ
!! 💌
শবেবরাত-০৩/০২/২০২৬
প্রথম তারাবি-১৭/০২/২০২৬
প্রথম রোজা-১৮/০২/২০২৬
ঈদুল ফিতর-২০/০৩/২০২৬
আলহামদুলিল্লাহ❤️🩹
Chaa lovers🤎🥹
゚viralシ
Click here to claim your Sponsored Listing.