Insaaf
নতুন স্বাধীন বাংলাদেশ
হাসিনা নিজে ও তার বাবাকে দেবতা/ভগবানের পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছিল।তাদের সমালোচনা ছিল “কবিরা গুনাহ”সম।শাস্তি জেল, মামলা, গুম,ক্রসফায়ার কিংবা রাস্তায় পেটানো। পরিণাম দিল্লী ভ্রমণ!শেখার আছে কি?
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর কাছে প্রশ্ন—সংবিধানের কোন ধারার ভিত্তিতে এ ধরনের হামলা ও ভাঙচুরের সুযোগ তৈরি হচ্ছে?
প্রতিমন্ত্রী ফরহাদের অনৈতিক কর্মকান্ড নিয়ে কয়টা মিডিয়ায় আলোচনা দেখেছেন? নেই বললেই চলে। উল্টো এআই ভিডিও বলে তাকে ডিফেন্স করেছে! পরে প্রমাণিত হয়েছে এআই না, ভিডিও আসল।
কিন্তু সাতক্ষীরার এমপি গাজী নজরুলের ঘটনা কিন্তু কোনো মিডিয়াই কভার করতে বাদ দেয় নাই। দফায় দফায় নিউজ করেছে।
আমি এটাকে নিরুৎসাহিত করছি না। সমাজের দর্পণ মিডিয়া আমাদের সামনে সমাজের চিত্র তুলে ধরেছে। দ্যাটস গুড।
কথা হচ্ছে একজনের বেলায় চোখে পড়ার মতো সরব, আর আরেকজনের বেলায় ডিফেন্স কেন? একজন ক্ষমতাসীন দলের আর অন্যজন বিরোধীদলের এজন্য?
ক্ষমতাকে কুর্ণিশ করে চলার এই প্রবণতাই স্বৈরাচারের ভিত্তি প্রস্তুত করে। জাতির গলায় দাসত্বের শিকল পরায়।
বিএনপি প্রমান করতে চায় ৬৮.৫৯% এর চাইতে ৪৯.৯৭% বড়! জনগনকে বোকা ভাবা দলটার জন্য করুনা হয়।
13/07/2026
সবাই আমন্ত্রিত
আহো হাসিনা আহো!
😜
09/07/2026
২৪ এর আজাদী আমাদের কী দিয়েছে, তা বুঝতে হলে বাংলাদেশের সীমান্তের দিকে তাকাতে হবে।
আগের সীমান্তরক্ষী বাহিনী আর এখনকার সীমান্তরক্ষী বাহিনীর তফাত আকাশ-পাতাল। আগে মাথা নিচু করে মিনমিন করতে হতো। আর এখন সীমান্তরক্ষী বাহিনী মাথা উঁচু করে, চোখে চোখ রেখে কথা বলে। নিরস্ত্র জনগণও তাদের সাথে এসে প্রতিরোধে অংশগ্রহণ করে।
| আদর্শ পাত্রীর বৈশিষ্ট্য |
১. সৎকর্মশীলতা
-
একজন আদর্শ স্ত্রীর প্রথম ও সর্বপ্রধান গুণ হলো সৎকর্মশীলতা ও দীনদারিতা। নবী ﷺ পুরুষদেরকে দীনদার ও পুণ্যবতী নারীকে জীবনসঙ্গিনী হিসেবে বেছে নেওয়ার প্রতি উৎসাহিত করেছেন এবং ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, এমন স্ত্রীই প্রকৃত সুখ ও কল্যাণের কারণ।
আবু হুরায়রা (রা.) বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন—
"নারীকে চারটি কারণে বিয়ে করা হয়—তার সম্পদ, বংশমর্যাদা, সৌন্দর্য এবং দীনদারিতার জন্য। সুতরাং তুমি দীনদার নারীকে গ্রহণ করো; তাতেই তুমি সফল হবে।" (সহীহ বুখারী, হাদীস: ৫০৯০)
২. উত্তম চরিত্র
-
দীনদার হওয়ার পাশাপাশি একজন আদর্শ স্ত্রীর উত্তম চরিত্রের অধিকারিণী হওয়াও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এমন নারীকে বেছে নেওয়া উচিত, যিনি সুশীল ও নৈতিক পরিবেশে বেড়ে উঠেছেন। সৌন্দর্য বা ধন-সম্পদের মোহে পড়ে দুর্বল চরিত্রের নারীকে জীবনসঙ্গিনী হিসেবে গ্রহণ করা উচিত নয়।
আবু সাঈদ আল-খুদরী (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন—
"সাধারণত নারীকে সম্পদ, সৌন্দর্য কিংবা দীনদারিতার কারণে বিয়ে করা হয়। সুতরাং তুমি দীনদার ও উত্তম চরিত্রের নারীকে গ্রহণ করো; তাতেই সফলতা রয়েছে।"
৩. কুমারীত্ব
-
কুমারীত্ব বিয়ের জন্য কোনো আবশ্যিক শর্ত নয়। তবে যদি একাধিক নারীর মধ্যে অন্য সব দিক থেকে সমতা থাকে, তাহলে কুমারী নারীকে অগ্রাধিকার দেওয়ার প্রতি উৎসাহ দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ, এটি স্ত্রী নির্বাচনের ক্ষেত্রে একটি অতিরিক্ত ইতিবাচক বৈশিষ্ট্য, বাধ্যতামূলক শর্ত নয়।
৪. সন্তানধারণে সক্ষমতা
-
বিয়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উদ্দেশ্য হলো নেক সন্তান লাভ ও একটি সুন্দর পরিবার গঠন। তাই স্বাভাবিকভাবে সন্তানধারণে সক্ষম এবং স্বামীকে ভালোবাসে—এমন নারীকে বিয়ে করতে উৎসাহিত করা হয়েছে।
মা'কিল ইবনু ইয়াসার (রা.) বর্ণনা করেন—
এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর কাছে এসে বলল, "আমি এক সম্ভ্রান্ত ও সুন্দরী নারীকে পেয়েছি, কিন্তু তিনি সন্তান জন্মদানে অক্ষম। আমি কি তাকে বিয়ে করব?" তিনি বললেন, "না।" লোকটি একই প্রশ্ন আরও দুইবার করলে
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন—
"এমন নারীকে বিয়ে করো, যে স্বামীকে ভালোবাসে এবং অধিক সন্তান জন্মদানে সক্ষম। কেননা কিয়ামতের দিন আমি তোমাদের সংখ্যাধিক্য নিয়ে গর্ব করব।" সুনানে আবু দাউদ, হাদীস: ২০৫০
৫. সামঞ্জস্য
-
আল্লাহ তা'আলার সৃষ্টির অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো বৈচিত্র্য। মানুষের আর্থিক, সামাজিক, পারিবারিক, বুদ্ধিবৃত্তিক ও মানসিক অব
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
8320