Dr. M R MAMUN Homeopath
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Dr. M R MAMUN Homeopath, Medical and health, Raichand Bazar, Lalmohon, Bhola.
✍️ অর্শে দু'টি শক্তিশালী ঔষধের তুলনামূলক বিশ্লেষণ: Aesculus Hip vs Collinsonia
✍️ অর্শের প্রকৃতি ও উপসর্গ :
👉 Aesculus Hip:
➡ অর্শ সাধারণত বাহ্যিক, নীলচে বা বেগুনি রঙের হয়। অনেক সময় এটি ঘায়ের মতো দেখতে হয়।
➡ এটি বেশিরভাগ সময় ব্লাইন্ড টাইপ, অর্থাৎ রক্তপাত নেই, কিন্তু ব্যথা তীব্র। পূর্ণতা বোধ।
➡ মলত্যাগের সময় মনে হয় যেন কাঁটার মতো বা চোখা কিছু বের হচ্ছে।
👉 Collinsonia:
➡ অর্শ সাধারণত বাহ্যিক ও রক্তক্ষরণযুক্ত। শিরা স্ফীত ও ব্যথাদায়ক।
➡ মলত্যাগের সময় বা আগে ভার ও টানানুভূতি হয়।
➡ লক্ষণগুলো রাতে বাড়ে, তবে সকালে উপশম হয়।
✍️ কোষ্ঠকাঠিন্য ও হজমের পার্থক্য :
👉 Aesculus Hip:
➡ মল থাকে শুষ্ক ও শক্ত, কোষ্ঠকাঠিন্য তীব্র।
➡ ডান পার্শ্বে জ্বালা বা ভার অনুভূত হয়, যকৃৎ দুর্বল লাগে।
➡ মলত্যাগের সময় প্রচণ্ড চাপ ও যন্ত্রণা হয়।
👉 Collinsonia:
➡ কোষ্ঠকাঠিন্য ও ডায়রিয়া পর্যায়ক্রমে দেখা যায়।
➡ মল হয় ছোট ছোট গোলাকার, যেন ভেড়ার বিষ্ঠা (sheep-dung)।
➡ মলত্যাগের আগে নাভির নিচে মোচড়ানো ব্যথা ও টান অনুভব হয়।
✍️ মেরুদণ্ড ও পেছনের ব্যথা :
👉 Aesculus Hip:
➡ স্যাক্রামে (কোমরের নিচে) গভীর ব্যথা, যেন কিছু চেপে বসেছে।
➡ বসা থেকে উঠতে কষ্ট হয়, হাঁটলে কিছুটা উপশম হয়।
👉 Collinsonia:
➡ কোমরের ব্যথা তুলনামূলক কম, তবে পেটে চাপ ও ভার অনুভূত হয়।
➡ অর্শ থাকাকালে উপরের পেটেও চাপ পড়ে।
✍️ মানসিক লক্ষণ :
👉 Aesculus Hip:
➡ থাকে বিরক্তি, হতাশা, বিভ্রান্তি ও স্মৃতিভ্রংশের মতো অনুভূতি।
➡ ঘুম থেকে উঠলে মাথা ভার ও অস্বস্তি হয়।
➡ শারীরিক কাজে ব্যস্ত থাকলে উপসর্গ হ্রাস পায়।
👉 Collinsonia:
➡ মানসিকভাবে থাকে দুশ্চিন্তা, উত্তেজনা ও অস্থিরতা।
➡ অতিরিক্ত কথা বলার প্রবণতা দেখা যায়।
➡ অর্শ ও কোষ্ঠকাঠিন্য মানসিক চাপ বাড়ায়।
✍️ স্ত্রীসংক্রান্ত লক্ষণ :
👉 Aesculus Hip:
➡ মাসিকের সময় পিছনে ব্যথা, ভারবোধ ও প্রচুর প্রদর হয়।
➡ গর্ভাবস্থায় অর্শ দেখা দিতে পারে এবং কোমরের নিচে ব্যথা হয়।
👉 Collinsonia:
➡ মাসিক অনিয়মিত ও অতিরিক্ত হতে পারে।
➡ মাসিক চলাকালীন অর্শ বেড়ে যায়।
➡ ডিম্বাশয়ে কাঁটার মতো ব্যথা বা টানানুভূতি হয়।
✍️ হৃদপিণ্ড সংক্রান্ত লক্ষণ :
👉 Aesculus Hip:
➡ মাঝে মাঝে শব্দযুক্ত পালপিটেশন হয়, বিশেষ করে ঘুমের সময়।
➡ তবে অর্শের সঙ্গে হৃদযন্ত্রের লক্ষণের সরাসরি সংযোগ নেই।
👉 Collinsonia:
➡ অর্শ বাড়লে হৃদপিণ্ডের ধড়ফড়ানিও বাড়ে।
➡ হাঁটলে বা খাওয়ার পর পালপিটেশন বেড়ে যায়।
✍️ মডালিটি :
👉 ইস্কুলাস:
➡ অর্শের ব্যথা হাঁটলে, দাঁড়ালে, মলত্যাগের সময়, গরমে বাড়ে, ঠান্ডায় উপশম হয়।
👉 কলিনসোনিয়া:
➡ অর্শের ব্যথা মল কঠিন হলে বাড়ে, তাপে উপশম হয়।
✍️ সারসংক্ষেপ :
👉 Aesculus Hip উপযোগী যদি থাকে —
➡ বাহ্যিক ও রক্তহীন অর্শ,
➡ স্যাক্রামে তীব্র ব্যথা,
➡ যকৃতে ভার,
➡ ঘুম থেকে উঠার পর বিভ্রান্তি,
➡ কাঁটার মতো অনুভূতি সহ মলত্যাগ। চুলকানি, জ্বালা।
👉 Collinsonia উপযোগী যদি থাকে —
➡ বাহ্যিক ও রক্তক্ষরণযুক্ত অর্শ, মলদ্বারে জ্বালা, চুলকানি,
➡ পেটে টান ও ভার,
➡ কোষ্ঠকাঠিন্য ও ডায়রিয়ার পর্যায়ক্রমে উপস্থিতি,
➡ অর্শের সঙ্গে পালপিটেশন।
✍️ চূড়ান্ত কথা:
➡ হোমিওপ্যাথিতে ঔষধ নির্বাচন সবসময় লক্ষণসমষ্টি (totality of symptoms) অনুযায়ী হওয়া উচিত।
➡ দুইটি ঔষধই কার্যকর, তবে রোগীর শরীরিক ও মানসিক উপসর্গ বিশ্লেষণ করে নির্বাচন করাই শ্রেয়।
( বিঃদ্রঃ ভুল-ত্রুটি সংশোধনযোগ্য )
✍️ কানের ব্যথায় হোমিওপ্যাথির তিন মুকুট:
পালসেটিলা ( Pulsatilla ),
ক্যামোমিলা ( Chamomilla ),
বেলেডোনা ( Belladonna )
👉 ১. পালসেটিলা (Pulsatilla)
➡ ব্যথার প্রকৃতি: ধরা বা টান ধরার মতো (dull, pressing, or drawing pain), মৃদু ব্যথা, ধীরে ধীরে আসে, কখনো কখনো দপদপে ব্যথা হয়।
➡ স্রাব: ঘন, হলুদ-সবুজ, অ-ক্ষতিকর।
➡ সংশ্লিষ্ট লক্ষণ: ঠান্ডা লাগার পর শুরু, কানে ভরাট অনুভূতি, শ্রবণশক্তি হ্রাস, ব্যথা রাতে বা উষ্ণ ঘরে বাড়ে, খোলা বাতাসে উপশম।
➡ মানসিক অবস্থা: মৃদু, কান্নাকাটি করে, সান্ত্বনা চায়, পরিবর্তনশীল মেজাজ।
➡ শারীরিক গঠন: মৃদু স্বভাব, তৃষ্ণাহীন, উষ্ণতায় অস্বস্তি।
➡ অন্যান্য লক্ষণ: হলুদ-সবুজ শ্লেষ্মা, মুখে শুষ্কতা, পানি পানের ইচ্ছা কম।
➡ ক্লিনিকাল প্রয়োগ: মধ্যকর্ণের প্রদাহ, ঠান্ডা লাগার পর কানের ব্যথা, শিশুদের ক্ষেত্রে অধিক উপযুক্ত।
➡ বৃদ্ধি : উষ্ণ ঘরে, রাতে, চর্বিযুক্ত খাবারে, বিশ্রামে।
➡ উপশম: খোলা বাতাসে, ঠান্ডা প্রয়োগে, সান্ত্বনায়।
👉 ২. ক্যামোমিলা (Chamomilla)
➡ ব্যথার প্রকৃতি: তীব্র, ছুরিকাঘাতের মতো, অসহনীয়।
➡ স্রাব: সাধারণত হয় না, কখনো কখনো ক্ষতিকর বা দুর্গন্ধযুক্ত হতে পারে।
➡ সংশ্লিষ্ট লক্ষণ: দাঁত উঠার সময়, ঠান্ডা বাতাসে শুরু, এক গাল লাল ও অন্যটি ফ্যাকাশে, উষ্ণতায় ব্যথা বাড়ে।
➡ মানসিক অবস্থা: খিটখিটে, রাগী, সান্ত্বনা সহ্য করতে পারে না, শিশুদের কোলে নিলেও শান্ত হয় না।
➡ শারীরিক গঠন: শিশু বা অতিসংবেদনশীল ব্যক্তি, ব্যথায় অতিরিক্ত প্রতিক্রিয়া।
➡ অন্যান্য লক্ষণ: দাঁত উঠা, জ্বর, ডায়রিয়া, তিক্ত স্বাদ।
➡ ক্লিনিকাল প্রয়োগ: শিশুদের দাঁত উঠার সময় কানের ব্যথা, ঠান্ডা বাতাসে তীব্র ব্যথা।
➡ বৃদ্ধি : রাতে, উষ্ণতায়, ঠান্ডা বাতাসে, রাগে, শব্দে, কফিতে।
➡ উপশম: কোলে নিলে, দোলালে, ঠান্ডা প্রয়োগে।
👉 ৩. বেলেডোনা (Belladonna)
➡ ব্যথার প্রকৃতি: হঠাৎ, তীব্র, দপদপে ব্যথা।
➡ স্রাব: সাধারণত হয় না, তবে কখনো কখনো রক্তমিশ্রিত বা পাতলা স্রাব যেতে পারে।
➡ সংশ্লিষ্ট লক্ষণ: হঠাৎ শুরু, উচ্চ জ্বর, লাল মুখ, গরম ত্বক, প্রদাহ, শব্দে সংবেদনশীলতা।
➡ মানসিক অবস্থা: উত্তেজিত, অস্থির, প্রলাপ বকে, হ্যালুসিনেশন।
➡ শারীরিক গঠন: বলিষ্ঠ, গরম ও শুষ্ক ত্বক।
➡ অন্যান্য লক্ষণ: গলার ব্যথা, মাথাব্যথা, চোখে রক্ত জমাট।
➡ ক্লিনিকাল প্রয়োগ: তীব্র প্রদাহ, উচ্চ জ্বরসহ কানের ব্যথা।
➡ বৃদ্ধি : আলো, শব্দ, ঝাঁকুনি, উষ্ণতা, রাতে, মাথা নিচু করলে।
➡ উপশম: ঠান্ডা প্রয়োগে, শান্ত অবস্থায় বসে থাকলে, অন্ধকার ঘরে, মাথা উঁচু রাখলে।
👉 তিনটি ঔষধের মধ্যে পার্থক্য
➡ পালসেটিলা: ধীরে ধীরে শুরু, মৃদু ব্যথা, হলুদ স্রাব, সান্ত্বনা চায়।
➡ ক্যামোমিলা: তীব্র ব্যথা, দাঁত উঠা ও ঠান্ডায় শুরু, শিশুরা কোলে শান্ত হয় না, রাগী।
➡ বেলেডোনা: হঠাৎ শুরু, স্পন্দনশীল ব্যথা, উচ্চ জ্বর, প্রদাহ প্রকট, উত্তেজিত মনের অবস্থা।
👉 সারাংশ
➡ পালসেটিলা: ঠান্ডা লাগার পর, খোলা বাতাসে ভালো লাগে, সান্ত্বনা চায়।
➡ ক্যামোমিলা: দাঁত উঠার সময়, তীব্র ব্যথা, সান্ত্বনা সহ্য করতে পারে না।
➡ বেলেডোনা: হঠাৎ শুরু, জ্বর, প্রদাহ, উত্তেজনা ও স্পর্শে সংবেদনশীলতা।
24/07/2025
10/06/2025
🍀 মুখের সৌন্দর্যের আসল রহস্য :
""""""""""""""""""""""""""""""""""""'''''"""""""
স্থায়ী সৌন্দর্যের চাবিকাঠি: বাহ্যিক নয়, অভ্যন্তরীণ যত্ন ও জীবনযাপন।
মুখের সৌন্দর্য ধরে রাখতে শুধু ফেসওয়াশ বা ক্রিম যথেষ্ট নয় — কারণ এগুলো সাময়িকভাবে ত্বকের উপরিভাগ পরিষ্কার রাখে মাত্র।
ত্বক আমাদের শরীরের আয়না। ভেতরটা ঠিক না থাকলে বাইরে ঝকঝকে হওয়া কঠিন।
তাই চাই অভ্যন্তরীণ যত্ন, সঠিক খাদ্য, ঘুম ও চিকিৎসা।
🌿 মুখের সৌন্দর্য রক্ষায় ৫টি স্থায়ী পরামর্শ :
➡ ১. পুষ্টিকর খাদ্যাভ্যাস (Nutrition is Beauty):
• পর্যাপ্ত পানি পান
• ফলমূল ও শাকসবজি
• বাদাম/চিয়া সিডসের মতো ওমেগা-৩ যুক্ত খাবার
• ফাস্টফুড, চিনি এড়িয়ে চলা
➡ ২. পর্যাপ্ত ঘুম ও বিশ্রাম:
• প্রতিদিন ৬–৮ ঘণ্টা ঘুম
• রাত ১০টার মধ্যে ঘুমানোর চেষ্টা
• ঘুম কম হলে ত্বকে কালচে ভাব ও ডার্ক সার্কেল দেখা দেয়
➡ ৩. মানসিক প্রশান্তি (Stress Control):
• ধ্যান, নামাজ, মেডিটেশন
• হাসিখুশি থাকা
• স্ক্রিন টাইম কমানো
➡ ৪. সঠিক স্কিনকেয়ার রুটিন:
• সকালে হালকা ফেসওয়াশ + ময়েশ্চারাইজার + Sunscreen
• রাতে মুখ ধুয়ে ময়েশ্চারাইজার, মাঝে মাঝে হালকা ফেসপ্যাক
Harsh chemical, ব্লিচ, ফেয়ারনেস ক্রিম করবেন না।
➡ ৫. অভ্যন্তরীণ যত্ন ও সঠিক চিকিৎসা:
যদি ত্বকে বারবার দাগ, ব্রণ, রুক্ষতা, কালো ছোপ, অতিরিক্ত তেল বা শুষ্কতা দেখা দেয়— তবে সেটা হতে পারে লিভার, হরমোন, রক্ত দূষণ বা মেটাবলিজমজনিত কারণে।
এ ক্ষেত্রে বাহ্যিক যত্ন নয়, দরকার সুনির্দিষ্ট ও কার্যকর অভ্যন্তরীণ চিকিৎসা।
🌿 শেষ কথা:
সুন্দর ত্বক কেবল বাহ্যিক পরিচর্যার ফল নয়—
বরং, এটি আমাদের শরীর ও মনের সামগ্রিক স্বাস্থ্য প্রতিফলিত করে।
সৌন্দর্যের শুরু হোক ভেতর থেকেই। মনের সৌন্দর্যই আসল সৌন্দর্য।
একজন প্যারালাইসিস রো*গীর সুস্থতার বাস্তব কাহিনী
নিজে সুস্থ হয়েছেন, তাই এবার স্বামীকে নিয়ে এলেন সুদূর ঢাকা থেকে ভোলায়—আমার কাছে।
এই ভিডিওতে নেই কোনো প্রস্তুতি, নেই কোনো অভিনয় বা আর্টিফিশিয়ালতা।
তাই কথায় নেই ফুলঝুরি, নেই অলংকারের বাহার—আছে শুধু হৃদয়ের সরল প্রকাশ।
রো*গীর সঙ্গে যেমন করে কথা বলেছি, ঠিক তেমনভাবেই সোজাসাপ্টা প্রকাশ করেছি।
সরলতা আমার জন্মগত প্রাপ্তি।
শুভেচ্ছান্তে,
ডা. এম আর মামুন
রেজিস্টার্ড হোমিওপ্যাথ
গণি টাওয়ার, উকিল পাড়া, ভোলা
মোবাইল: ০১৭৫ ০০ ৩৩ ৭৩০
একটা প্যারালা"ইসিস কেই'সের সুস্থতার গল্প।
আপনি কেন হোমিওপ্যাথিক চিকি*ৎসা গ্রহণ করবেন?
নিরাপদ | কার্যকর | পার্শ্ব'প্রতিক্রি'য়াহীন
➡ মা ও শিশুর জন্য সম্পূর্ণ নিরাপদ
➡ গর্ভ'বতী মায়েদের জন্য স্বাভাবিক ও নিরাপদ প্রসব
➡ বহু জ'টিল ও পুরাতন রো*গের স্থা'য়ী সমাধান
➡ অনেকক্ষেত্রে সার্জা'রির বিকল্প — যেমন:
টিউ'মার, পলিপ, টনসিল, ফাই'ব্রয়েড, কি'ডনি পাথর, পাইলস, সিস্ট ইত্যাদি
আমাদের চিকি*ৎসা পদ্ধতি:
➡ দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা
➡ আধুনিক কম্পিউটার বিশ্লেষণ
➡ ক্লাসিক্যাল হোমিও'প্যাথিক পদ্ধতিতে লক্ষণভিত্তিক চিকিৎসা
আল্লাহর উপর ভরসা করুন,
অভিজ্ঞতায় আস্থা রাখুন।
সবার সুস্বাস্থ্য কামনায় –
ডা. এম আর মামুন
তারিখঃ ২২ মে, ২০২৫
আলহামদুলিল্লাহ!
একটি ডান পাশের প্যারালাইসিসের কেস—মাত্র ১১ দিনের চিকিৎসায় চোখে পড়ার মতো উন্নতি।
রোগীটি স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার ২ দিন পর ঢাকা থেকে ভোলায় আমার কাছে এসেছিলেন।
বিশেষ লক্ষণ:
ডান সাইড আক্রান্ত। সাধারণভাবে ডান পাশের জন্য Causticum ভাবা হলেও, এই কেইস পর্যালোচনা করে Causticum এর চেয়ে ফসফরাসকে বেশি উপযুক্ত মনে হয়েছিল। তাই Phosphorus প্রয়োগ করা হয়
এবং তাতেই স্পষ্ট উন্নতি দেখা যায়।
(প্রথম ভিডিওটি কমেন্টে সংযুক্ত আছে)
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Bhola
Opening Hours
| Monday | 09:00 - 17:00 |