Tempting
tasty, delicious, hygenic food maker
"দুজন"
-জীবনানন্দ দাশ
আমাকে খোঁজো না তুমি বহুদিন-
কতদিন আমিও তোমাকে
খুঁজি নাকো;- এক নক্ষত্রের নিচে তবু-
একই আলো পৃথিবীর পারে
আমরা দুজনে আছি; পৃথিবীর পুরনো পথের রেখা হয়ে যায় ক্ষয়,
প্রেম ধীরে মুছে যায়, নক্ষত্রেরও একদিন মরে যেতে হয়..........
জন্মদিনের অনেক শুভেচ্ছা রইল
শবে মেরাজ
কাল
Hello everyone
Dhaka moto jodi Barishal o 2 pound cake 800 tk
Kora sell kori tahola
Kmn hoy ???
সারাদিন খালি ঘুম আসে
কিন্ত যেই রাত নামে ঘুম যে কোন দেশে যায় আমি জানি না
22/12/2024
Christmas 🎄
Offer
Start
300 tk
10/12/2024
Celebrating my 3rd year on Facebook. Thank you for your continuing support. I could never have made it without you. 🙏🤗🎉
10/12/2024
Anniversary blackforest cake 🎂
রাঙামাটি টুর ২০২৩
06/09/2024
বর্তমান সমাজে বিশাল বড় একটা চ্যালেঞ্জ হচ্ছে, বিয়ের পর বাবার পরিবারে স্ত্রীকে নিয়ে থাকা। এই সংঘাত যৌথপরিবারের এক চিরচেনা রূপ। আমি বহু দ্বিনি ভাইকেও এই সংঘাতের চিপায় অসহায়ভাবে আটকে থাকতে দেখেছি। করণীয় কী?
সমাধান এতো সহজ নয় বিশেষ করে এই জাহেলিয়াতের যুগে। এই জন্য আমি প্রায়ই বলি,
"হালাল খাবার না পেলে হারামে ঝাপিয়ে পরবো তাই আমার বিয়ে করা দরকার।" এই টেন্ডেন্সি আপনাকে সাংসারিক জীবনে লম্বা সময় সারভাইভ করতে দিবে না। চিন্তার পরিধি বৃদ্ধি করে যথা সম্ভব প্রস্তুতি নিয়ে তারপর বিয়ে করুন।"
প্রতিটা মেয়ের কিছু ব্যাসিক চাহিদা থাকে যেমন। উদাহরণস্বরূপ- আমার এমন একটা সংসার হবে যেখানে,
১. আমার একটা নিজের ঘর থাকবে, যা আমি স্বাধীনভাবে সাজিয়ে নিবো।
২. আমার নিজের একটা পাকঘর থাকবে, যেখানে আমি আমার ইচ্ছেমত নিত্যনতুন রেসিপি ট্রাই করতে পারবো। পাছে তেল, চিনি, নুন অপচয়ের খোঁটা দেয়ার কেউ থাকবে না।
৩. একটা প্রাইভেট স্পেস থাকবে যেখানে আমার স্বামী ব্যতীত অন্যকেউ জবাবদিহি চাইতে আসবে না।
৪. স্বামীর কাছে যে কোনো ছোটোখাটো আবদার বড়সড় করে দাবী করে বসলে পাছে কেউ "ন্যাকামো" বলে তাচ্ছিল্যের তীর ছুড়বে না।
৫. স্বামীর সাথে একান্তে সময় কাটালে বাঁকা চোখে কেউ তাকিয়ে থাকবে না৷
৬. সামাজিকতার নামে গায়রে মাহরাম আত্মীয়দের সামনে স্বামীর পরিবার ঠেলে পাঠাবে না৷
৭. প্রাপ্ত বয়স্ক দেবরকে প্রতিদিন খাবার বেড়ে দেয়ার ছুঁতোয় তার সামনে যেতে হবে না।
৮. শাশুড়ী ননদদের নোংরা রাজনীতির স্বীকার হয়ে স্বামীর চক্ষুশূল হতে হবে না।
৯. যেখানে আমাকে মূল্যবান নেয়ামত ভাবা হবে, কাজ করার যন্ত্র ভাবা হবে না।
১০. যেখানে আমাকে এবং আমার পরিবারকে যথাযথ মর্যাদা দেয়া হবে, লাঞ্চিত করা হবে না।
ইত্যাদি ইত্যাদি, নানারকম স্বপ্নে তারা বিভোর। আর এগুলো তাদের হালাল যৌক্তিক স্বপ্ন। যেখানে নসিহা করার অধীকার কারো নেই। অথচ খুব সামান্য পরিমাণ মেয়েই তাদের এই মৌলিক চাহিদার কাছাকাছি পৌছতে পারে। বিশাল একটা অংশই হয় পুরোপুরি বঞ্চিত ও লাঞ্চিত।
সংগৃহীত
07/08/2024
আউট অফ টপিকঃ যে মেয়েদের বিয়ের ক্ষেত্রে নিজের পাত্র পছন্দ করার সুযোগ থাকে তারা কখনো ছেলে পছন্দ করোনা একজন দ্বায়িত্বশীল পুরুষ বিয়ে কোরো। তোমাদের কখনো মনে হয় না, শীলা আহমেদ হুমায়ূন আহমেদের মেয়ে হয়ে, এত নাম-যশখ্যাতি থাকতে আসিফ নজরুলকে কেন বিয়ে করছিল? তখন এই উত্তর না জানা গেলেও, আজ সেই উত্তর আমাদের সামনে স্পষ্ট। তারপর তিশা কেন ফারুকীকে বিয়ে করল? তারও তো অপশন কম ছিল না। উত্তর এটারও এখন পেয়ে গেছি আমরা।
প্রেম ছেলেদের সাথে হলেও, সংসার করতে পুরুষ লাগে। যে পুরুষ তার বুক টান টান করে সামনে দাঁড়াতে পারে দেশের জন্য । যে পুরুষ দেশের স্বার্থে ঢাল হতে পারে, ভাবো তুমি এমনি কোন এক পুরুষের যদি তুমি হও তোমায় সে কতটা আগলে রাখবে? তাই ছেলেদের পছন্দ করে বিয়ে করে ঝগড়া বিবাদ করে দিনে ছয়বার বাবার বাড়ি আসার পথ ধরার থেকে দায়িত্ববান পুরুষ বিয়ে করা উত্তম ।আজীবন তার দিকে তাকিয়ে চিন্তা করবা তোমার সিদ্ধান্ত ভুল ছিল না । সে তোমাকে ভুল প্রমাণ হইতে দিবে না।🫡
পৃথিবীর সব রঙ হিন সম্পর্ক গুলো ভালোবাসার রঙে রঙিন হয়ে উঠুক 💛
সংগৃহীত
জীবনে যেকোন শখ বা আহ্লাদ পূরণের সুনির্দিষ্ট একটা সময় আছে। সঠিক সময়টা একবার পেরিয়ে গেলে শখ হয়তো পূরণ হয় ঠিকই, তবে তৃপ্তিটা ঠিক পাওয়া যায় না।
১৭ বছর বয়সে যেই বার্গারটা, বিরিয়ানিটা খেতে অমৃতের মত লাগে, ২৭ বছর বয়সে এসে সেটা ভালো নাও লাগতে পারে।
১৮ বছর বয়সে এসে সমবয়সী কারো সাথে শাড়ি পাঞ্জাবী পরে রিকশায় ঘুরতে ভালো লাগতে পারে, ২৮ এ যে একই কাজ করতে ভালো লাগবে, তার কোন গ্যারান্টি নাই।
১৯ বছর বয়সে বিশ্ববিদ্যালয়ের সেকেন্ড ইয়ারে বন্ধুবান্ধব নিয়ে বান্দরবান ট্যুর দিলে যেই আনন্দ পাওয়া যাবে, ২৯ বছর বয়সে সেই আনন্দ নাও পাওয়া যেতে পারে।
একদিন নিজের ছাদে বাগান করবো, এই আশায় বসে থেকে যেই মানুষটা নিজের বারান্দায় টবে কোন গোলাপ এর চারা লাগালো না, ছাদ হওয়ার পর দেখা গেলো সেই মানুষটার আর বাগান করার সময়ই নাই।
একদিন চাকরি করে বাবা মাকে দামী দামী শাড়ি পাঞ্জাবী কিনে দেয়ার স্বপ্ন দেখা মানুষটা চাকরি করে টাকা কামাবে ঠিকই, কিন্তু ততদিনে বাবা মা হয়ে যেতে পারে আল্লাহর মেহমান।
জীবনের ছোটখাট সাধ আহ্লাদ খুব দামী জিনিস। এইসব জিনিসই একটা মানুষের হৃদয়কে জীবিত রাখে, সতেজ রাখে, প্রাণবন্ত রাখে। মানুষের হৃদয় একটু একটু করে মরে যায়, কাঠখোট্টা হয়ে যায় শখ পূরণের অভাবের হাহাকারে। এজন্য সময় থাকতেই এসব শখ পূরণ করে ফেলতে হয়।
অনেক টাকা জমলে একদিন খাবো, এই চিন্তা না করে অল্প কিছু টাকা জমিয়ে এখনি খেয়ে আসুন , ট্রাস্ট মি, জীবনের সেরা তৃপ্তিটা পাবেন।
দেরী না করে পছন্দের মানুষটাকে আজকেই রিক্সা ডেটের অফারটা দিয়ে দেখুন। রাজী হলে শাড়ি পাঞ্জাবি পরে হুডখোলা রিক্সায় বৃষ্টিতে ভিজতে ভিজতে ঢাকা শহর ঘুরে বেড়ান।
পকেটে কিছু টাকা হলেই বন্ধুর ঘাড়ে হাত রেখে বলে বসুন, "চল ব্যাটা, বান্দরবান যাবো। আজকেই যাবো, এক্ষণি যাবো। ব্যাগ গুছা, চিটাগাং এর ট্রেইন ধরতে হবে।"
নিজের ছাদে বাগান হবে, এই আশায় বসে না থেকে ভাড়া বাসার বারান্দার টবেই লাগিয়ে ফেলুন পছন্দের গোলাপের চারাটা। টিউশানির টাকায় কম দামেই কিনে ফেলুন বাবা মায়ের জন্য শাড়ি পাঞ্জাবিটা, হোক না সুতি, শখ পূরণটাই বড় কথা!!
মনে রাখবেন, একদিন সব হবে, এই আশায় যে নিজেকে বঞ্চিত করে, তার জীবনে কিছুই হয় না। তার জীবন কাটে বিষন্নতা আর অতৃপ্তিতে, শেষ হয় আফসোস আর হাহাকারে।
আর যা- ই করেন, এই ভুলটা করবেন না।
(সংগৃহীত)
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the restaurant
Telephone
Website
Address
Kashipur
Barishal