RRF RHL Project, Morrelganj
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from RRF RHL Project, Morrelganj, Non-Governmental Organization (NGO), Morrelganj, Bagerhat.
This page promotes activities of Rural Reconstruction Foundation (RRF) under ''Resilient Homestead and Livelihood Support to the Vulnerable Coastal People of Bangladesh (RHL) Project" funded by Green Climate Fund (GCF) and PKSF.
25/06/2026
প্রকল্পের বিভিন্ন সিসিএজি দলের সাথে জুন-২০২৬ মাসে বিভিন্ন সময় মাসিক সভা অনুষ্ঠিত। উক্ত সভাগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তন, পরিবেশ, বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগ, প্রাকৃতিক দুর্যোগ প্রতিরোধে করনীয়, প্রকল্পের বিভিন্ন কার্যক্রম ইত্যাদি নিয়ে ফ্লিপ চার্টের মাধমে আলোচনা করা হয়।
22/06/2026
🏠 আগে ও পরে: একটি পরিবর্তনের গল্প 🏠
মোঃ রফিক (৩৮), ইনডেক্স নাম্বারঃ ৮৫০০; বাগেরহাট জেলার মোড়েলগঞ্জ উপজেলার নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের হোগলপাতি গ্রামের হোগলপাতি পূর্বপাড়া জলবায়ু পরিবর্তন অভিযোজন দলের একজন সদস্য।
Green Climate Fund (GCF) এর অর্থায়নে এবং Palli Karma-Sahayak Foundation (PKSF) কর্তৃক কারিগরী সহায়তার মাধ্যমে বাস্তবায়িত “Resilient Homestead and Livelihood Support to the Vulnerable Coastal People of Bangladesh (RHL)” প্রকল্পের আওতায় দুর্যোগ সহনশীল বসতবাড়ি পেয়ে অগোছালো সংসারটা নতুন করে গোছাতে শুরু করেছে।
রফিকের অভাবের সংসারে একটি নিরাপদ ঘর নির্মাণ করার মতো সামর্থ্য ছিলো না। প্রতিবার বর্ষা এলেই শুরু হতো তাদের দুঃস্বপ্ন। টিনের ছাউনি থেকে চুঁইয়ে পড়ত পানি। বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে যায় উঠান, আর ঝড়ের সময় সন্তানদের নিয়ে কোথাও নিরাপদে আশ্রয় নেওয়ার উপায় ছিল না।
হোগলপাতি গ্রামের আরএইচএল প্রকল্পের হোগলপাতি পূর্বপাড়া জলবায়ু পরিবর্তন অভিযোজন দল (CCAG) গ্রামবাসীদের মধ্যে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণদের চিহ্নিত করে। এই প্রক্রিয়ায় মোঃ রফিকের নাম উঠে আসে। তার শারীরিক অসুস্থতা, ঘরবাড়ির অভাব এবং তিন সন্তান ও অসুস্থ স্ত্রীর দেখভালের দায়িত্ব তাকে করে তোলে একেবারে অগ্রাধিকারপ্রাপ্তদের একজন।
সবাই মিলে সিদ্ধান্ত নেয়, মোঃ রফিককে জলবায়ু সহনশীল একটি ঘর দেওয়া হবে। শুরু হয় ঘর নির্মাণের কাজ। পাকা মেঝে, মজবুত দেয়াল, উঁচু ভিত্তি—সব মিলিয়ে একটি নিরাপদ বাসস্থান তৈরি হয়। শুধু ঘর নয়, তার উঠান উঁচু করে দেওয়া হয়, যাতে জলাবদ্ধতা না হয়। দেওয়া হয় ৩০০০ লিটারের বিশুদ্ধ পানির ট্যাংক, বন্ধু চুলা, স্বাস্থ্যসম্মত পায়খানা এবং ১০০ ওয়াটের সৌর বিদ্যুৎ সুবিধা, যাতে রাতে আলো জ্বলে, মোবাইল চার্জ হয়, সন্তানরা পড়াশোনা করতে পারে।
ঘর পাওয়ার পর মোঃ রফিক বলেন, "এই ঘরটা আমার জন্য শুধু ইট-বালি-সিমেন্ট না, এটা আমার সন্তানদের ভবিষ্যতের নিরাপত্তা। আগে ঝড় এলেই বুক কাঁপত, এখন মনে সাহস পাই।"
রফিকের মুখে ফোটে দীর্ঘদিন পর একচিলতে হাসি। তাদের জীবনে এখন একটু স্বস্তি, একটু নিরাপত্তা, আর সবচেয়ে বড় কথা—আছে একটা নির্ভরযোগ্য আশ্রয়।
18/06/2026
"বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জ উপজেলায় পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, কার্বন নিঃসরণ হ্রাস ও উপকূলীয় এলাকায় ঘূর্ণিঝড়সহ প্রাকৃতিক দুর্যোগের প্রভাব মোকাবেলায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আয়োজন।"
GCF-এর অর্থায়নে ও PKSF-এর কারিগরী সহযোগিতায় Resilient Homestead and Livelihood Support to the Vulnerable Coastal People of Bangladesh (RHL) প্রকল্পের আওতায় আজ ১৮ জুন ২০২৬ ইং বাগেরহাট জেলার মোড়েলগঞ্জ উপজেলার পঞ্চকরণ ইউনিয়নের ১৯ টি জলবায়ু পরিবর্তন অভিযোজন দলের ৩৭৬ জন উপকারভোগীর মাঝে বিভিন্ন প্রজাতির মোট ২২৫৬ টি ফলজ ও ঔষুধি গাছের চারা এবং গাছের বেষ্টনীর জন্য প্রয়োজনীয় মোট ৪৫১২ গজ ব্লু-নেট বিতরণ করা হয়।
প্রত্যেক উপকারভোগী পেয়েছে— ২টি নারিকেল চারা, ১টি সুপারি চারা, ১টি সফেদা চারা, ১টি কদবেল চারা ও ১টি নিম গাছের চারাগাছ এবং চারাগাছ রক্ষায় বেষ্টনি হিসেবে ব্যবহারের জন্য ১২ গজ করে ব্লু-নেট।
এই উদ্যোগের মাধ্যমে প্রত্যেক উপকারভোগী তাদের বাড়ির আঙিনায় গাছ লাগাতে পারবে, যা পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, কার্বন নিঃসরণ হ্রাস ও উপকূলীয় এলাকায় ঘূর্ণিঝড়সহ প্রাকৃতিক দুর্যোগের প্রভাব মোকাবেলার পাশাপাশি পারিবারিক পুষ্টি চাহিদা পূরণ এবং আয় বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে।
17/06/2026
"কাঁকড়া চাষে কৃষকের মুখে ফুটেছে হাসি।"
পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) ও গ্রীন ক্লাইমেট ফান্ড (জিসিএফ)-এর অর্থায়নে রুরাল রিকনস্ট্রাকশন ফাউন্ডেশন (আরআরএফ) কর্তৃক বাস্তবায়িত বাগেরহাট জেলার মোড়েলগঞ্জ উপজেলায় আরএইচএল প্রকল্পের আওতায় ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে বিতরণকৃত কাঁকড়া চাষের উপকরণ ইতোমধ্যে উপকারভোগীদের ঘেরে স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়া আধুনিক কাঁকড়া চাষের উপর প্রশিক্ষণ পেয়ে বর্তমানে চাষীরা নিয়মিত পরিচর্যা, ব্যবস্থাপনা ও আধুনিক প্রযুক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে কাঁকড়া চাষ কার্যক্রম সফলভাবে এগিয়ে যাচ্ছে।
নতুন এই উদ্যোগ কাঁকড়াচাষীদের মধ্যে সৃষ্টি করেছে ব্যাপক উৎসাহ, আত্মবিশ্বাস ও আশার সঞ্চার। কাঁকড়া চাষ এখন তাদের কাছে শুধু একটি আয়ের উৎস নয়; বরং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় একটি টেকসই, লাভজনক ও জলবায়ু-সহনশীল জীবিকার মাধ্যম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে।
এই উদ্যোগ উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। চাষীদের স্বপ্ন, পরিশ্রম ও সফলতার গল্পই ভবিষ্যতের সমৃদ্ধ উপকূল গড়ার অনুপ্রেরণা।
15/06/2026
"নারীর ক্ষমতায়ন ও জলবায়ু অভিযোজনভিত্তিক জীবিকা উন্নয়ন একসঙ্গে টেকসই পরিবর্তন আনতে সক্ষম।"
------------------------------------------------------------------------------
ছোটবেলা থেকেই দারিদ্র্যতা আর প্রতিকূলতার সাথে লড়াই করে হাফিজা বেগমের জীবন সংগ্রাম। বাবার দারিদ্র সংগ্রামের সংসারে অভাবের কারনে অল্প বয়সেই হাফিজা বেগমের বিয়ে হয়ে যায়। স্বামীর সংসারের ব্যয় মেটাতে হাফিজা বেগমের নিয়মিত সংগ্রাম করতে হতো, স্থায়ী তেমন কোনো আয়ের উৎস ছিল না। প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও লবণাক্ততার প্রভাবে কৃষিকাজ অনিশ্চিত হয়ে পড়ায় তার জীবনে স্থিতিশীলতার অভাব ছিল স্পষ্ট।
এমন পরিস্থিতিতে ২০২৪ সালে তিনি আরআরএফ-আরএইচএল প্রকল্পের ভোলার পাড় জলবায়ু পরিবর্তন অভিযোজন দলের সদস্য হন। দলীয় মাসিক সভায় অংশ নিয়ে ছাগল পালনের জন্য তিনি দলের সভাপতির মাধ্যমে মাচা পদ্ধতিতে একটি ঘর নির্মাণের আবেদন করেন। পরবর্তীতে প্রকল্প থেকে তাকে মাচা পদ্ধতির ঘর নির্মাণে সহায়তা ও প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তিনি ছাগল লালন-পালনের সঠিক পদ্ধতি, রোগ প্রতিরোধ ও পরিচর্যার কৌশল আয়ত্ত করেন। শুরুতে ৩ টি ছাগল দিয়ে ছাগল পালনের যাত্রা শুরু করেন। ৬ মাস পরে ১ টি ছাগী ২ টি বাচ্চা দেয়। পরে আরো ২ টি ছাগল কিনে মোট ৬ টি ছাগল নিয়ে লালন-পালন করতে থাকেন।
চলতি বছরের ঈদ-ঊল-আযাহার আগে ২টি ছাগল বিক্রি করে মোট ২৪,৭০০ টাকা বিক্রি করে গরু পালনের জন্য গরুর থাকার যায়গা করার জন্য ১৪,০০০ টাকা খরচ করে ১০০০ পিস ইট কেনেন এবং বাকি টাকা দিয়ে ঈদ-ঊল-আযাহা উপলক্ষে বাজার করেন। এখন তিনি ছাগল পালন করে পরিবারের খরচ চালাতে সাহায্যের পাশাপাশি কিছু সঞ্চয়ও করতে পারছেন। বর্তমানে তাঁর আরো ৪ টি ছাগল আছে।
বর্তমানে হাফিজা বেগমের পরিবার আগের তুলনায় অধিক আয়, উন্নত খাদ্য নিরাপত্তা, ভালো আবাসন ব্যবস্থা এবং অর্থনৈতিক ঝুঁকি মোকাবিলার অধিক সক্ষমতা অর্জন করেছে। হাফিজা বেগম তাঁর এলাকায় একজন অনুকরণীয় নারী উদ্যোক্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন এবং অন্যান্য নারীদের দারিদ্র্য দূরীকরণে ছাগল পালনকে কার্যকর মাধ্যম হিসেবে গ্রহণ করতে উৎসাহিত করছেন।
13/06/2026
উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের জীবন ও জীবিকার উন্নয়নের লক্ষ্যে Resilient Homestead and Livelihood Support to the Vulnerable Coastal People of Bangladesh (RHL) Project-এর মাধ্যমে রুরাল রিকনস্ট্রাকশন ফাউন্ডেশন বাগেরহাট জেলার মোড়েলগঞ্জ উপজেলার উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর কল্যাণে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
এরই ধারাবাহিকতায় আজ ১৩ জুন, ২০২৬ তারিখ ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য বরাদ্দকৃত বাজেট সমন্বয়ের মাধ্যমে মোট ৩৩৭ জন কাঁকড়াচাষীর মধ্যে নির্বাচিত ৪১ জন কাঁকড়াচাষীর জন্য আধুনিক ও জলবায়ু সহনশীল পদ্ধতিতে কাঁকড়া চাষের প্রয়োজনীয় উপকরণ ক্রয় ও বিতরণ কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। এ কার্যক্রমে উপকারভোগীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে বিভিন্ন ভেন্ডর থেকে প্রয়োজনীয় উপকরণ ক্রয় করা হয় এবং পরবর্তীতে সেগুলো উপকারভোগীদের মাঝে বিতরণ করা হয়।
এই উদ্যোগ উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর জলবায়ু সহনশীল জীবিকা উন্নয়ন, আয় বৃদ্ধি এবং আর্থ-সামাজিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
10/06/2026
🤝কমিউনিটির অংশগ্রহণেই গড়ে উঠছে জলবায়ু সহনশীল ভবিষ্যৎ 🤝
পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) -এর সহায়তায় রুরাল রিকনস্ট্রাকশন ফাউন্ডেশন (আরআরএফ) -এর বাস্তবায়নে আরএইচএল প্রকল্পের আওতায় গঠিত ১৬৮ টি জলবায়ু পরিবর্তন অভিযোজন দল প্রতি মাসে নিয়মিত সভার মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তন, দুর্যোগ প্রস্তুতি, জীবিকা উন্নয়ন এবং প্রকল্পের বিভিন্ন কার্যক্রম নিয়ে ফ্লিপ চার্টের মাধমে আলোচনা করা হয়। আলোচনা করে। এসব সভা উপকারভোগীদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং স্থানীয় সমস্যা সমাধানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। পাশাপাশি কমিউনিটির সদস্যরা নিজেদের অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় আরও সক্ষম হয়ে উঠছেন। শক্তিশালী কমিউনিটি অংশগ্রহণই একটি সহনশীল ও টেকসই উপকূলীয় সমাজ গঠনের অন্যতম ভিত্তি।
08/06/2026
"সঠিক দিক নির্দেশনা আর সুযোগ পেয়ে নিজের পায়ে দাঁড়াতে শেখা"
পারভীন আক্তার তিশা (২৮), ইনডেক্স নাম্বারঃ ৬২২৮২; বাগেরহাট জেলার মোড়েলগঞ্জ উপজেলার নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের ভোলার পাড় দক্ষিণপাড়া জলবায়ু পরিবর্তন অভিযোজন দলের একজন সদস্য।
Green Climate Fund (GCF) এর অর্থায়নে এবং Palli Karma-Sahayak Foundation (PKSF) কর্তৃক কারিগরী সহায়তার মাধ্যমে বাস্তবায়িত “Resilient Homestead and Livelihood Support to the Vulnerable Coastal People of Bangladesh (RHL)” প্রকল্পের আওতায় দুর্যোগ সহনশীল মাচা পদ্ধতিতে ছাগলের ঘর পেয়ে নতুন দিনের স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছে।
ছোটবেলা থেকেই দারিদ্র্যতা আর প্রতিকূলতার সাথে লড়াই করেই পারভীন আক্তারের জীবন সংগ্রাম। বাবার দারিদ্র সংগ্রামের সংসারে অভাবের কারনে অল্প বয়সেই পারভীনের বিয়ে হয়ে যায়। স্বামীর সংসারের ব্যয় মেটাতে পারভীনকে নিয়মিত সংগ্রাম করতে হতো, স্থায়ী কোনো আয়ের উৎস ছিল না। প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও লবণাক্ততার প্রভাবে কৃষিকাজ অনিশ্চিত হয়ে পড়ায় তার জীবনে স্থিতিশীলতার অভাব ছিল স্পষ্ট।
এমন পরিস্থিতিতে ২০২৪ সালে তিনি আরআরএফ-আরএইচএল প্রকল্পের ভোলার পাড় দক্ষিণপাড়া জলবায়ু পরিবর্তন অভিযোজন দলের সদস্য হন। দলীয় মাসিক সভায় অংশ নিয়ে ছাগল পালনের জন্য তিনি দলের সভাপতির মাধ্যমে মাচা পদ্ধতিতে একটি ঘর নির্মাণের আবেদন করেন। পরবর্তীতে প্রকল্প থেকে তাকে মাচা পদ্ধতির ঘর নির্মাণে সহায়তা ও প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তিনি ছাগল লালন-পালনের সঠিক পদ্ধতি, রোগ প্রতিরোধ ও পরিচর্যার কৌশল আয়ত্ত করেন। ধীরে ধীরে তার ছাগলগুলো বংশবিস্তার শুরু করে, যা তার আয়ের একটি নতুন দ্বার উন্মোচন করে।
বর্তমানে পারভীন আক্তার একজন স্বাবলম্বী নারী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন। ছাগল পালন থেকে তার নিয়মিত আয় হচ্ছে। চলতি বছরে ১টি ছাগল বিক্রি করে তিনি একটি এন্ড্রয়েড মোবাইল কিনেছেন। এখন তিনি ছাগল পালন করে পরিবারের খরচ চালানোর পাশাপাশি কিছু সঞ্চয়ও করতে পারছেন। প্রতিকূল পরিবেশের মধ্যেও তিনি আত্মবিশ্বাসের সাথে জীবনযাপন করছেন এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদী।
05/06/2026
"প্রকৃতি দ্বারা অনুপ্রাণিত, জলবায়ুর জন্য, আমাদের ভবিষ্যতের জন্য" -প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে অদ্য ৫ জুন, ২০২৬ পালিত হলো 'বিশ্ব পরিবেশ দিবস -২০২৬'।
পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) -এর সহায়তায় রুরাল রিকনস্ট্রাকশন ফাউন্ডেশন (আরআরএফ) -এর বাস্তবায়নে আরএইচএল প্রকল্পের আওতায় প্রকল্পের উপকারভোগীদের নিয়ে নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের পিসি বারইখালী গ্রামে বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত হয়। এ কার্যক্রমে একটি পরিবেশ সচেতনতামূলক র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনায় পরিবেশ, আবহাওয়া, জলবায়ু, জলবায়ু পরিবর্তন ও অভিযোজন, পরিবেশ দূষণ, পরিবেশ দূষণের কারন ও প্রতিকার নিয়ে আলোচনা করা হয়। জলবায়ু পরিবর্তনের এই প্রেক্ষাপটে জলবায়ু পরিবর্তন প্রশমনে সকলের নিজ নিজ অবস্থান থেকে সচেতন হওয়া দরকার। উপস্থিত সকলে জলবায়ু পরিবর্তন প্রশমনে অংশীদারিত্বমূলক ভূমিকা রাখবে বলে প্রতিশ্রুতি প্রদান করেন। আলোচনা শেষে উপকারভোগীর বসতবাড়ির আঙিনায় বৃক্ষরোপন কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Website
Address
Bagerhat