Wild Collection

Wild Collection

Share

Welcome our small world “Wild Collection”. Here you will know or see some unknown things.

Photos from Wild Collection's post 21/04/2026

Nature!!💚🌿

Wild Collection Wild Collection🍁

14/03/2026

#জানা_অজানাঃ- ৮৩
​"হাতির করা গর্তে- প্রাণ বাঁচে লাখো প্রাণীর!"

আফ্রিকার রুক্ষ সাভানায় (জঙ্গল ও মরুভূমির মাঝামাঝি অঞ্চল) যখন দীর্ঘ খরা শুরু হয়, তখন মাইলের পর মাইল কোনো পানির দেখা মেলে না। নদী, হ্রদ, ছোট জলাশয়— সবকিছু শুকিয়ে কাঠ হয়ে যায়।

ছোট ছোট প্রাণীগুলো যখন তৃষ্ণায় মৃত্যুর প্রহর গোনে, তখন ত্রাতা হয়ে আসে হাতির পাল।

হাতিদের ঘ্রাণশক্তি মারাত্মক তীক্ষ্ণ।জলাশয় না খুঁজে তারা সোজাসুজি হাঁটতে থাকে সম্পূর্ণ শুকিয়ে যাওয়া মৃত নদীর বুকের দিকে।

সেখানে তারা তাদের বিশাল পা, শুঁড় আর লম্বা দাঁত দিয়ে শুকনো খটখটেমাটি খুঁড়তে শুরু করে।কয়েক ফুট খোঁড়ার পরেই মাটির নিচ থেকে বেরিয়ে আসে সুপেয় পানি! হাতিদের ঘ্রাণশক্তি এতোটাই প্রখর যে, মাটির ঠিক কত নিচে পানি লুকিয়ে আছে, তা তারা উপর থেকেই টের পায়।হাতিরা সেই পানি পেট ভরে পান করে তৃপ্তি নিয়ে চলে যায়।

শুধু নিজেদের তৃষ্ণাই মেটায় না, তারা মৃত নদীর বুকে আস্ত একটি "Open Water Well" বা উন্মুক্ত পানির কুয়ো রেখে যায়!

গর্তের পানির গন্ধ পেয়ে ছুটে আসে জঙ্গলের শত শত তৃষ্ণার্ত প্রাণী— জেব্রা, বানর, এমনকি হিংস্র সিংহরাও!

ন্যাশনাল জিওগ্রাফিকের মতে, হাতিদের তৈরি করা এই গর্তগুলো না থাকলে খরার সময় আফ্রিকার লাখ লাখ প্রাণী স্রেফ পানির অভাবেই মারা যেত। এই কারণেই হাতিকে বলা হয় "Keystone Species " । এরা বনের সাধারণ কোনো প্রাণী নয়, এরা হলো পুরো ইকোসিস্টেমের 'লাইফ সাপোর্ট সিস্টেম'!

সূত্র: National Geographic.

Wild Collection Wild Collection🍁

14/02/2026

সুন্দরবন দিবস ২০২৬💚
আসুন সুন্দরবনকে ভালোবাসি

১৪ ফেব্রুয়ারি পালিত ‘সুন্দরবন দিবস’ বিশ্বের সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ বন ও ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট ‘সুন্দরবন’-এর অনন্য জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা।
সুন্দরবনে রয়েছে ৫ হাজার প্রজাতির উদ্ভিদ, ১৯৮ প্রজাতির উভচর প্রাণী, ১২৪ প্রজাতির সরীসৃপ, ৫৭৯ প্রজাতির পাখি, ১২৫ প্রজাতির স্তন্যপায়ী প্রাণী ও ৩০ প্রজাতির চিংড়ি মাছ। এর বাইরে এই বন অজস্র উদ্ভিদ-প্রাণিকূলের আশ্রয়স্থল।

সুন্দরবন দিবসের প্রধান গুরুত্বসমূহ:

🌲জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশ রক্ষা
🌲জনসচেতনতা সৃষ্টি
🌲প্রাকৃতিক ঢাল হিসেবে সুরক্ষা
🌲অর্থনৈতিক ও বাস্তুতান্ত্রিক গুরুত্ব


Wild Collection Wild Collection🍁

Photos from Wild Collection's post 06/02/2026

#জানা_জানাঃ- ৮৩
“বাংলাদেশের বাঁশ প্রজাতি”

বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট (BFRI) এর তথ্যমতে বাংলাদেশে প্রায় ৩০ প্রজাতির বাঁশ রয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কিছু হলোঃ-

Mozumder

Wild Collection Wild Collection🍁

17/01/2026

New skin!🐍

Alam
Wild Collection Wild Collection🍁

25/12/2025

No matter who you are. Woman will be women!!🙂

22/12/2025

"𝙆𝙞𝙡𝙡𝙚𝙧 ☠️"
𝑾𝒉𝒆𝒏 𝒅𝒂𝒏𝒈𝒆𝒓 𝒘𝒆𝒂𝒓𝒔 𝒂 𝒔𝒎𝒊𝒍𝒆.
📌 - Wilpattu National Park, Sri Lanka.

Roamer
Wild Collection Wild Collection🍁

Photos from Wild Collection's post 20/12/2025

পাখি পরিচিতি-১৮৭

#​নামঃ-শোবিল (Shoebill)
​বৈজ্ঞানিক নাম: Balaeniceps rex
শোবিল বা জুতা-ঠোঁট সারস বিশ্বের অন্যতম অদ্ভুত ও আকর্ষণীয় পাখি। এটি মূলত এর প্রাগৈতিহাসিক চেহারা এবং জুতার আকৃতির বিশাল ঠোঁটের জন্য পরিচিত। বিজ্ঞানীদের মতে, এটি বর্তমান বিশ্বের অন্যতম 'জীবন্ত ডাইনোসর' (Living Dinosaur)। এরা বালােনিসিপিটিডি (Balaenicipitidae) গোত্রের একমাত্র জীবিত প্রজাতি।

#​বিস্তৃতিঃ
​শোবিল মূলত পূর্ব ও মধ্য আফ্রিকার ট্রপিক্যাল জলাভূমিগুলোতে বাস করে। দক্ষিণ সুদান, উগান্ডা, কঙ্গোর পূর্বাঞ্চল, রুয়ান্ডা, তানজানিয়া এবং উত্তর জাম্বিয়ার বিশাল বিশাল জলাশয় ও নলখাগড়ার বনে এদের পাওয়া যায়। এদের আবাসের জন্য মূলত অগভীর মিঠা পানির জলাশয় প্রয়োজন, যেখানে মানুষের আনাগোনা খুবই কম।

#​বিবরণঃ
​শোবিল একটি বিশালকায় পাখি। এদের গড় উচ্চতা প্রায় ১১০ থেকে ১৫০ সেন্টিমিটার (৩.৫ থেকে ৫ ফুট)। এদের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এদের বিশাল ও শক্তিশালী ঠোঁট, যা প্রায় ২৩ সেন্টিমিটার (৯ ইঞ্চি) পর্যন্ত লম্বা হয় এবং দেখতে অনেকটা কাঠের জুতার মতো। এই ঠোঁটের অগ্রভাগ হুকের মতো তীক্ষ্ণ, যা দিয়ে এরা পিচ্ছিল শিকারও ছিঁড়ে ফেলতে পারে। লেজ থেকে ঠোঁট পর্যন্ত দৈর্ঘ্য ১০০ থেকে ১৪০ সেমি (৩৯ থেকে ৫৫ ইঞ্চি) এবং ডানার বিস্তার ২৩০ থেকে ২৬০ সেমি (৭ ফুট ৭ ইঞ্চি থেকে ৮ ফুট ৬ ইঞ্চি) পর্যন্ত হতে পারে। জানা গেছে যে ওজন ৪ থেকে ৭ কেজি (৮.৮ থেকে ১৫.৪ পাউন্ড) পর্যন্ত হতে পারে। একটি পুরুষ পাখির ওজন গড়ে ৫.৬ কেজি (১২ পাউন্ড) এবং একটি সাধারণ স্ত্রী পাখির চেয়ে ৪.৯ কেজি (১১ পাউন্ড) বড় হয়।
শরীরের রঙ মূলত ধূসর বা নীলচে-ছাই বর্ণের। এদের চোখ সোনালি বা হলুদাভ-ধূসর এবং দৃষ্টি অত্যন্ত তীক্ষ্ণ। উড়ন্ত অবস্থায় এদের ডানার বিস্তার প্রায় ২.৫ মিটারের (৮ ফুটের বেশি) মতো হয়ে থাকে। পুরুষ ও স্ত্রী পাখি দেখতে একই রকম হলেও পুরুষরা আকারে সামান্য বড় হয়ে থাকে।

#​স্বভাবঃ
​এরা অত্যন্ত শান্ত এবং একাকী স্বভাবের পাখি। এরা সাধারণত কোনো শব্দ করে না, তবে মূর্তির মতো স্থির দাঁড়িয়ে থাকার জন্য এরা বিখ্যাত। এরা ঘণ্টার পর ঘণ্টা নড়াচড়া না করে জলাভূমিতে দাঁড়িয়ে থেকে শিকারের অপেক্ষা করে। এদের ধৈর্য প্রবাদতুল্য। এরা সাধারণত সামাজিক নয় এবং প্রজনন কাল ছাড়া একাকী বিচরণ করে।

#​প্রজননঃ
​জলাভূমির দুর্গম ও নির্জন স্থানে ঘাস এবং কাদা দিয়ে এরা বিশালকার বাসা তৈরি করে। এদের প্রজনন ঋতু সাধারণত পানি নেমে যাওয়ার সময়ের সাথে মিলে যায়। স্ত্রী শোবিল সাধারণত ১ থেকে ৩টি ডিম পাড়ে। ডিম ফুটতে ৩০ থেকে ৩৫ দিন সময় লাগে। তবে প্রকৃতির নিষ্ঠুর নিয়মে, মা-বাবা সাধারণত কেবল সবচেয়ে শক্তিশালী বাচ্চাটিকেই বড় করে তোলে; বাকিরা অবহেলায় বা শক্তিশালী ভাইটির আক্রমণে মারা যায়। বাচ্চারা প্রায় ৩ থেকে ৪ মাস বয়সে পূর্ণাঙ্গ রূপ পায়। ছোট ছানাগুলো সম্পূর্ণরূপে যৌনভাবে পরিণত হতে প্রায় তিন বছর সময় লাগবে।

#​খাবারঃ
​শোবিল মূলত মাংসাশী এবং অত্যন্ত দক্ষ শিকারি। এদের প্রধান খাদ্য হলো লাংফিশ (Lungfish), ক্যাটফিশ এবং তিলাপিয়া মাছ। এ ছাড়াও এরা জলজ সাপ, ব্যাঙ, কচ্ছপ এবং সুযোগ পেলে ছোট কুমির ছানাও শিকার করে। শিকার করার সময় এরা পুরো শরীর নিয়ে শিকারের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে, যাকে বিজ্ঞানীরা 'Collapse' পদ্ধতি বলেন।

#​অদ্ভূত_কিছু_আচরণঃ
◾​মেশিনগান শব্দ: এরা ডাকতে পারে না, তবে ঠোঁটে ঠোঁট ঘষে এক ধরণের শব্দ তৈরি করে যা শুনতে হুবহু মেশিনগানের গুলির মতো মনে হয়। এটি সাধারণত তারা একে অপরকে অভিবাদন জানাতে বা ভয় দেখাতে ব্যবহার করে।
◾​পায়ে মলত্যাগ: আফ্রিকার প্রচণ্ড গরমে নিজেদের শরীর শীতল রাখার জন্য এরা নিজ পায়ের ওপর তরল মলত্যাগ করে। এই পদ্ধতিকে 'ইউরোহাইড্রোসিস' বলা হয়।

#​বিবর্তন_ও_ইতিহাসঃ
​শোবিলের শারীরিক গঠন দেখে অনেক বিজ্ঞানী এদের ডাইনোসর যুগের শেষ বংশধর বলে মনে করেন। যদিও এদের জেনেটিক গঠন সারস বা পেলিকান পাখির কাছাকাছি, কিন্তু এদের মাথার খুলি ও পায়ের গঠন সম্পূর্ণ অনন্য, যা লক্ষ লক্ষ বছর ধরে অপরিবর্তিত রয়েছে।

#​সতর্কতা_ও_সংরক্ষণঃ
​আইইউসিএন (IUCN) এর লাল তালিকায় শোবিলকে 'বিপন্নপ্রায়' (Vulnerable) হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। সারা বিশ্বে বর্তমানে এদের সংখ্যা মাত্র ৫,০০০ এর আশেপাশে। জলাভূমি ধ্বংস, চোরাশিকার এবং অবৈধ বন্যপ্রাণী ব্যবসার কারণে এই রাজকীয় পাখিটি বিলুপ্তির পথে। আফ্রিকান আদিবাসীদের অনেক কুসংস্কারের কারণেও এই পাখিদের হত্যা করা হয়। এদের আবাসস্থল রক্ষা করা না গেলে অচিরেই আমরা এই প্রাগৈতিহাসিক বিস্ময়টিকে হারাবো।

​(সকল পাখি পরিচিতিঃ- https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=114433354189347&id=105771988388817)


#পাখি_পরিচিতি
Wild Collection Wild Collection🍁
🍁
​ Biswas

Photos from Wild Collection's post 18/12/2025

🐍: Home, Sweet Home!!

Davenport
Wild Collection Wild Collection🍁

Photos from Wild Collection's post 17/12/2025

Little wonder is 🦜🦜🦜🦜🦜🦜 🌿🍃🌱
1000 parakeets on trees in London during winter like leaves!!



Wild Collection Wild Collection🍁

Photos from Wild Collection's post 06/11/2025

#জানা_অজানাঃ- ৮২
“সাকার ফিশ (Suckermouth Catfish)”

যতক্ষণ কাচের অ্যাকুয়ারিয়ামে, ততক্ষণ নিরাপদ । বাইরে এলেই সাকার ফিশ হয়ে ওঠে জলাশয় ও জলজ জীববৈচিত্র্যের নীরব মৃত্যুদূত!

আমাদের দেশের নদী, খাল, বিল আর জলাশয়গুলো একসময় ছিল দেশীয় মাছের স্বর্গরাজ্য। কিন্তু আজ সেই শান্ত জলে নেমেছে এক বিদেশি আতঙ্ক, Pterygoplichthys spp. যাকে সবাই চেনে Suckermouth catfish বা common pleco নামে। বাংলাদেশে একে আবার লোকজন রোহিঙ্গা মাছও বলে তবে দেখতে কুমিরের মতো চওড়া মাথা, শরীরে বর্মের মতো শক্ত আঁশ থাকায় তাই অনেকেই একে ক্রোকোডাইল ফিশও বলে। অ্যাকুয়ারিয়ামের কাচ পরিষ্কার করে বলে একে অনেকে অন্যান্য রঙিন মাছের সাথে কিনে আনে। এরা দক্ষিণ আমেরিকার নদী থেকে এসেছে মানুষের ঘরে ঘরে ছোট্ট অ্যাকুয়ারিয়ামে । কিন্তু বড় হয়ে গেলেবা জায়গা না থাকলে, অনেকে একে স্থানীয় পুকুর খালে ছেড়ে দেওয়ায় শুরু হয় এক নীরব আগ্রাসন।
এই মাছ একটা ইনভেসিভ প্রজাতি। একবার কোনো জলাশয়ে ঢুকে পড়লে, একে থামানো প্রায় অসম্ভব। এরা অক্সিজেন কম, দূষিত এমনকি কাদাযুক্ত জলেও দিব্যি টিকে থাকে। মুখের বিশেষ আকৃতির কারণে তারা পাথর, বাঁধ বা ট্যাংকের দেয়ালে শক্তভাবে লেগে থাকে, এবং এরা সর্বভুক ! মৃত উদ্ভিদ, শৈবাল, পচা জৈব , মরা মাছ ,ছোট মাছ ,মাছের ডিম খেয়ে বেঁচে যায়। ফলে দেশীয় মাছদের সঙ্গে খাদ্যের জন্য ও বাসস্থানের জন্য প্রতিযোগিতা শুরু হয়। সবচেয়ে ভয়ঙ্কর দিক হলো এদের প্রজনন কৌশল। তারা জলাশয়ে গর্ত খুঁড়ে ডিম পাড়ে ,ফলে নদী বা পুকুর ঘোলা হয়ে যায়, এবং দেশীয় মাছদের প্রজনন বাধাগ্রস্ত হয়। স্ত্রী মাছ একবারে 150-200 ডিম পাড়ে, আর পুরুষ মাছ সেই ডিম পাহারা দেয় ফলে অল্প সময়েই এদের সংখ্যা বিস্ফোরকভাবে বেড়ে যায়। এরা বছরে একাধিক বার ডিম পারতে পারে । এই আগ্রাসনের প্রভাব এখন চোখে দেখা যাচ্ছে। ,ল্যাঠা , চ্যাং,কই ,শিঙ্গি ,খোলসে ,শোল, টেংরার মতো দেশীয় মাছের সংখ্যা কমে যাচ্ছে। জেলেদের জালে ধরা পড়ছে প্রচুর সাকার ফিশ, যা বিক্রি হয় না ! উপরন্তু এদের শক্ত আঁশ জাল ছিঁড়ে দেয়। অর্থনৈতিক ক্ষতি বাড়ছে, আর জলাশয়ের প্রাকৃতিক ভারসাম্য ভেঙে পড়ছে।
অনেকেই ভাবছেন যে মাছ দক্ষিণ আমেরিকায় জন্ম নিয়েছে, সেখানে কেন কোনো সমস্যা নেই?
এর উত্তর লুকিয়ে আছে প্রকৃতির ভারসাম্যে। দক্ষিণ আমেরিকার নদীগুলিতে রয়েছে এদের প্রাকৃতিক শত্রু যেমন পিরানহা, আরাপাইমার মতো মাছ থেকে বড় মাংসাশী ক্যাটফিশ এবং কুমির যারা এদের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণে রাখে। এছাড়া, ওখানে আরও অনেক দেশীয় ক্যাটফিশ প্রজাতি আছে, যাদের সঙ্গে খাদ্য ও জায়গার প্রতিযোগিতায় এরা খুব বেশি সংখ্যায় বাড়তে পারে না। কিন্তু ভারতে এই মাছের প্রাকৃতিক শত্রু বা প্রতিদ্বন্দ্বী কেউ নেই। এখানকার জলাশয়ে বড় শিকারি মাছ কমে গেছে, নদীগুলির প্রবাহ দুর্বল, আর জলাশয়ের মানও বদলে গেছে। ফলে সাকার মাছ এখানে একপ্রকার রাজত্ব করছে কোনো বাধা নেই, কোনো শিকারি নেই, শুধু দ্রুত প্রজনন আর দখল।
এই আগ্রাসন রুখতে এখনই ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। অ্যাকুয়ারিয়ামের মাছ কখনোই স্থানীয় জলাশয়ে ছেড়ে দেওয়া উচিত নয়। সরকার ও প্রশাসনের উচিত জলাশয়গুলো নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা, আর সাধারণ মানুষকেও জানতে হবে এই সুন্দর দেখতে বিদেশি মাছও একদিন আমাদের দেশীয় জলজ জীববৈচিত্র্যের জন্য মৃত্যুবার্তা হতে পারে।

@ Aditi Prakriti Kannya

Wild Collection Wild Collection🍁

Want your public figure to be the top-listed Public Figure in Badda?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address

Dhaka
Badda