AKM Rasel
Fulltime businessmen, part-time comedian
কিছুই বলার নেই😁😁😁
#বলার
24/02/2025
This is real?
Is there any experienced guy?
I can clearly see my friends future
21/02/2025
তাৎক্ষণিকভাবে সম্মান অর্জন করবেন যেভাবে!
•
আপনার কি মনে হয়, আপনি যে সম্মান ‘ডিজার্ভ’ করেন, অন্যরা সেটি আপনাকে দিচ্ছে না? আপনি কি সেই দলের লোক, যাঁরা মনে করেন, জগতে সম্মানের চেয়ে বড় অর্জন আর নেই? আপনি কি জীবনে আরও সম্মানিত হতে চান? এই তিন প্রশ্নের যেকোনো একটির উত্তর যদি হয় ‘হ্যাঁ’, তাহলে লেখাটি আপনার জন্য। চলুন, চট করে চোখ বুলিয়ে নেওয়া যায় অন্যের চোখে সমীহ আর সম্মান অর্জনের উপায়গুলোয়।
•
১. কথা কম বলুন। হুট করে কোনো মন্তব্য করে বসবেন না। বেশি শুনুন। অন্যের কথা মন দিয়ে শোনার অভ্যাস করুন।
২. একটা মানুষের সবচেয়ে প্রিয় শব্দ কী, জানেন? তাঁর নাম। মানুষ তাঁর নিজের নাম শুনতে ভালোবাসে। তাই মানুষের নাম মনে রাখুন। নাম ধরে ডাকুন।
৩. পেছনে প্রশংসা করুন। সামনে সমালোচনা করুন।
৪. কেউ যদি কোনো কথা গোপন রাখতে বলে, যেকোনো মূল্যে গোপনীয়তা রক্ষা করুন।
৫. অন্যকে বেড়ে উঠতে বা অন্যের উন্নতিতে সাহায্য করুন, অনুপ্রাণিত করুন। একজন নেতার সবচেয়ে বড় গুণ এটিই।
৬. অন্যরা আগে প্লেটে খাবার তুলে নিক। তারপর আপনি নিন অথবা অন্যদের সার্ভ করে সবার শেষে নিজের পাতে খাবার তুলুন।
৭. যেকোনো কথোপকথন বা মিটিংয়ের সময় মুঠোফোন চোখের আড়ালে রাখুন। চোখে চোখ রেখে কথা বলুন। মন দিয়ে কথা শুনুন। থেমে থেমে কথা বলুন।
৮. যেকোনো প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার আগে ৩ সেকেন্ড সময় নিন।
৯. পার্টি বা খাওয়াদাওয়া শেষে টেবিল বা ঘর পরিষ্কার করতে সাহায্য করুন।
১০. কেউ ঘরে ঢুকতে চাইলে দরজা খুলে দাঁড়ান। সে ভেতরে ঢোকা পর্যন্ত অপেক্ষা করুন।
১১. কথা দেওয়ার সময় কম করে বলুন। প্রত্যাশার চেয়ে বেশি দিন।
১২. যেকোনো জায়গায় সময়মতো উপস্থিত হোন।
১৩. জীবনসঙ্গী, বন্ধু, পরিবার ও কাজের প্রতি শতভাগ সৎ থাকুন।
১৪. একমত না হলেও অন্যের মতামতকে সম্মান করুন।
১৫. কেউ যখন দেখছে না, তখনো মন দিয়ে কাজ করুন।
১৬. ‘প্লিজ’, ‘সরি’, ‘থ্যাংক ইউ’—এই শব্দগুলোর অনেক ক্ষমতা, কাজে লাগান।
১৭. নিজের ভুল বুঝতে পারার সঙ্গে সঙ্গে স্বীকার করুন।
১৮. মনে রাখবেন, আপনার সঙ্গে কী ঘটেছে, তা দিয়ে মানুষ আপনাকে বিচার করবে না; বরং সেই ঘটনাগুলোতে আপনার প্রতিক্রিয়া কেমন ছিল, সেটি আপনাকে ‘আপনি’ করে তোলে। তাই মানুষ কেমন, সে আপনার সঙ্গে কী আচরণ করেছে, সে হিসেবে তার সঙ্গে আচরণ করবেন না; বরং আপনি মানুষ হিসেবে কেমন, সে অনুযায়ী সামনের মানুষটার সঙ্গে আচরণ করুন।
১৯. ‘রিঅ্যাক্ট’ করবেন না; বরং ‘রেসপন্ড’ করুন। প্রতিক্রিয়া দেখাতে সময় নিন। ভুল থেকে শিখুন। রাগ, হতাশা ও দুশ্চিন্তার মতো নেতিবাচক বিষয়গুলো সামলাতে শিখুন।
২০. যেকোনো সম্পর্কে সীমানা টানুন। শেয়ার করার আগে ভাবুন, ‘ওভারশেয়ারিং’ করছেন না তো?
২১. যেকোনো পরিস্থিতি ইতিবাচকতা আর মনোবলের মাধ্যমে মোকাবিলা করুন।
২২. ‘লাস্ট বাট নট দ্য লিস্ট’, সবার আগে নিজেই নিজেকে সম্মান করুন। নিজের নৈতিক মানদণ্ড বজায় রাখুন। নিজেকে জানুন। নিজেকে প্রতিনিয়ত ‘বেটার ভার্সন’ করে তোলার যাত্রা অব্যাহত রাখুন।
19/02/2025
The reality of our society
18/02/2025
🤔🤔🤔
14/02/2025
WTF is all of this
কারো বেডরুমে নক না করে এ ঢুকে পড়া, কারো চিরুনী দিয়ে চুল আচরানো, কারো টাওয়েল ব্যবহার করা, কারো ব্যাগ খোলা - এগুলো যে 'অসভ্যতা' এইটা বেশির ভাগ মানুষ বোঝেইনা, তারা এটাকে কোন ব্যাপারই মনে করেনা।
আরেক গ্রুপ আছে দেখা হলেই জিজ্ঞেস করবে এই তুমি কি কালো হয়ে গেছো, শুকায় গেছো, মোটা হয়ে গেছো! এইটা বলে আমাকে খুব উদ্ধার করলেন, আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ, আপনি না বললে আমি জানতাম না, আমার বাসায় আয়না নাই।
আরেক জাতি আছে যারা, বেতন কত? বাড়ি, গাড়ি করতে পারছি কিনা? বাচ্চা নিবো কিনা!
মানুষের এতটুকু পারসোনাল স্পেস থাকা/রাখা জরুরী, আমি আমার কাছের লোকজনকেও এইসব কথা বলার আগে দ্বিতীয়বার ভেবে নিই।
এই সমাজ শিক্ষিত হয়েছে কিন্তু কার্টিসি বা ভদ্রতার এক বিন্দুও শিখেনি!
13/02/2025
এক গ্রামে শ্রমিক লাগে ৬০০। বেডা আছে ৫০০৷ মহাজনের কাছে শ্রমিক শর্ট৷ বেডা শ্রমিকদের ১০০০ টাকা মজুরি দেয়া লাগে। ঐ টেকা দিয়ে পুরুষ শ্রমিকরা সংসার চালায়৷ মহাজন তো দেখল, ব্যাপক মুশকিল৷ সে গ্রামের বেডিদের যাইয়া কইলো, তোরা জামাইর অত্যাচার সহ্য করতাছস কেন, জামাই তোগোরে খাওয়ার খোটা দেয়, ঠিক মত শপিং এর টেকা দেয় না, আয় আমার কারখানায় কাম কর, তোগোরে টেকা দিমু, তোরা ঐ টেকা দিয়া শপিং করতে পারবি, রেস্টুরেন্টে ঘুরতে পারবি৷ জামাইর দিকে চাইয়া থাকতে হবে না, নিজে স্বাবলম্বী হবি, নিজের খরচ নিজে চালাবি৷ এখন বেডিগুলা নেমে গেছে কামলা দিতে৷ শ্রমিক হয়ে গেছে ১০০০, শ্রমিক লাগে ৬০০। শ্রমিকের দাম কমে গেছে৷ এইদিকে বেডিগুলা ২০০ টাকা মজুরি তেই কামলা দিতে রাজি হইয়া গেছে, ওদের তো আর একাই পুরা ফ্যামেলি চালাইতে হবে না। এখন বেডাগুলো যখন ১০০০ দাবি করল, মহাজন কয়, আরে যা ব্যাডা যাহ৷ ২৫০ টাকা মজুরি দিমু, আইলে আয়, না আইলে ভাগ। আরো ৪০০ শ্রমিক সিরিয়ালে আছে৷ এখন ব্যাডাগুলো ২৫০ টাকায় কামলা দিতেই রাজি হয়ে গেল৷ এখন ২০০ + ২৫০ = ৪৫০ জামাই বৌ দুইজন মিলে কামাই করল৷ কিন্তু সংসার চালাইতে ১০০০ লাগে৷ তাই লিভিং স্ট্যান্ডার্ড কমাইয়া ফেলল৷ অথচ, জামাই যদি একা কামাই করতো, তাহলে কিন্তু ১০০০ টাকাই কামাতে পারতো৷
এইদিকে লাগলো আরেক ভ্যাজাল। জামাইর ২৫০ টাকা দিয়া তো হচ্ছে না, সে বৌয়ের কামাইতে ভাগ দাবি করে বসল৷ সংসারের খরচ দেয়া তো জামাইর দায়িত্ব, বৌয়ের দায়িত্ব না৷ বৌ কামলা দিতে গেছে নিজে ভোগবিলাস করার জন্য, সংসারের খরচ দেয়ার জন্য না৷ এখন এই ট্যাকা নিয়া লাগলো বৌ জামাই মারামারি৷ সংসারে অশান্তি৷ কিসের পুরুষ মানুষ হইছে৷ সংসারের খরচ দেয়ার মুরোদ নাই, আবার বৌয়ের কামাই খাইতে চায়, কিসের পুরুষ সে৷
এরপরই একটা একটা করে সংসার ভাঙতে লাগলো৷ নারী এখন নিজে ২০০ টাকা কামাই করে, নিজে খায় শুধু৷ পুরুষও নিযে ২৫০ টাকা কামাই করে, নিজে খায় শুধু৷ একার ইনকাম দিয়ে সংসার চালানো সম্ভব না৷
এইদিকে মহাজন তো লালে লাল৷ ব্যবসা চাংগা৷ অধিক প্রোডাকশন, স্বল্প মজুরি, প্রচুর প্রফিট হচ্ছে৷ এই প্রফিট দিয়ে সে বান্ধা নারীবাদী ভাড়া রাখলো৷ নারীবাদী গুলো মহাজনের টাকায় মৌজ মাস্তি করতেছে, আর সাধারন নারীদেরকে বলতেছে, জামাইর সংসারে লাথি দিয়ে চলে আয়৷ মহাজনের কারখানায় কাম নে। স্বাবলম্বী হ৷ পরাধীন থাকিস না৷ নিজের খরচ নিজে চালা৷
আর সাধারন নারীগুলো মগজ বন্ধক দিয়ে দিল
ইসমাইল
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Dubai