Mujib Radical
Find us here: https://www.facebook.com/MujibRadical2.0
24/08/2025
আমাকে যদি প্রশ্ন করা হয় আওয়ামীলীগের ভাগ্যে ৫আগস্ট কেন আসল? অনেকেই মার্কিনি ষড়যন্ত্র, কালার রেভ্যুলেশন এসব অনেক কথাই বলবেন বাট আমি সবকিছুর উর্ধ্বে গিয়ে যে কথাটা বলব তা হলো আদর্শিক বিচ্যুুতি।আওয়ামীলীগ তার আদর্শ থেকে যোজন যোজন দূরে চলে গেছিল। প্রকৃত ইতিহাস ও আদর্শকে ধারণ না করার জন্য এমন হয়েছে বলে মনে করি।এটার অন্যতম একটা কারণ হলো আমাদের এই জেনারেশন বই পড়তে আগ্রহী না।কিন্তু সত্য ইতিহাস জানতে বই পড়া, ডকুমেন্টস ঘাঁটার বিকল্প নেই।
আমরা ভবিষ্যতের জন্য একটি আদর্শিক প্রজন্ম তৈরী করতে চাই।মুজিববাদের মূলনীতিতে অনড় আওয়ামীলীগ গড়তে চাই,জাতির পিতার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে চাই।এরজন্য বই পড়ে নিজেদের জ্ঞানের পরিসীমা বাড়ানোর বিকল্প নাই।জামাতিদের প্রোপাগাণ্ডা কাউন্টার দিতে হলে আপনাকে আগে সত্য ইতিহাসটা বই ঘেঁটে বের করতে হবে তারপর মিথ্যাকে মোকাবিলা করতে পারবেন।
এই উদ্দেশ্য নিয়েই মাসখানেক আগে আমরা পাঠচক্রের একটা ইনিশিয়েটিভ চালু করেছিলাম।প্রথমদিকে ভালো সাড়া পেলেও আস্তে আস্তে সবার কেমন জানিবএকটা ক্লান্তি ধরছে।এটা হতাশজনক।তবুও অনেকেই পার্টিসিপেট করছে,বই পড়ছে এটা খুব ভালো লাগছে।তবে সমস্যা হলো এই পাঠচক্রটা শুধু আমাদের বাবলে আটকে আছে।আমাদের নিজেদের মানুষদের নিয়েই করছি।বাট আই হ্যাভ আ বিগার প্ল্যান টু প্রেচ আওয়ার ইডিওলজি এমাং ইভেন নিউট্রাল গাইজ এন্ড গালস।
তাইজন্য আমরা নতুন একটা উদ্যোগ হাতে নিতে যাচ্ছি। ত হলো প্রথমে শুধু স্কুল কলেজ লেভেলের ছেলেমেয়েদের দিশে শুরু করতে চাচ্ছি এইটা।এই বয়ষী ছেলেমেয়েদের মধ্যে বই পড়ার নেশাটা ঢুকাতে পারলে ইন দি লং রান আমরা একটা টোটাল সাউন্ড ইডিওলজিক্যাল প্রো-৭১ জেনারেশন আশা করতেই পারি।তাই-
১. যারা স্কুল বা বিভিন্ন কলেজে পড়াশোনা করছো বা এসএসসি/এইচএসসি পরীক্ষা দিয়েছো তাদের মধ্যে কেউ যদি বই পড়তে আগ্রহী থাকো বা পাঠচক্রে যুক্ত হতে চাও কাইন্ডলি ফিল ফ্রি টু নক মি।অথবা একটা মেসেঞ্জার গ্রুপের লিংক দিয়ে দিচ্ছি সেটায় আপাতত জয়েন রিকুয়েষ্ট দিয়ে রাখো পরবর্তী নির্দেশনা ওই গ্রুপেই দিব।
স্কুল কলেজের আগ্রহী পাঠকরা এই গ্রুপে এড হোন-
[ https://m.me/j/AbZL9O6HsaMMfZnA/]
২. যারা স্কুল/কলেজের না এবং আমাদের পূর্ববর্তী পাঠচক্রের সাথে এখনও জড়িত না কিন্তু জড়িত হতে ইচ্ছুক তারা এই মেসেঞ্জার গ্রুপটিতে জয়েন হয়ে নিন।
[ https://m.me/j/AbZGMNDTccitH7kS/]
হ্যাপি রিডিং। যাদের আইডিতে রিচ আছে ভালো তারা চাইলে কপি পেস্ট করে পোস্টটি নিজেদের টাইমলাইনে দিতে পারেন কারণ এই গ্রুপে বা আমার লিস্টে আমাদের কমিউনিটির মানুষ সব কিন্তু আমাদের রাজনৈতিক নিরপেক্ষ ও মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের প্রজন্মের কাছে পৌঁছাতে হবে।ধন্যবাদ।
23/08/2025
মেজর জিয়া ২৭ মার্চ কালুরঘাটে বঙ্গবন্ধুর পক্ষ থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করার পর পরই বেগম জিয়াকে হেফাজতে নেন আসিফ নেওয়াজ জানজুয়া, জিয়ার কমান্ডিং অফিসার।
মার্চে বেগম জিয়াকে হেফাজতে নিলেও জুন মাসে অফিশিয়ালি তাঁকে চটগ্রাম সেনানিবাসের হেফাজতে দেখানো হয়।
যদিও একই ধরণের সেনা হেফাজত এর ক্ষেত্রে অন্য অফিসারদের পরিবারের ক্ষেত্রে মার্চ-এপ্রিলেই দেখানো হয় অফিশিয়ালি। ডিসেম্বরের ১৭ তারিখে তাঁকে ঢাকা সেনানিবাস থেকে নিয়ে আসা হয়। (সূত্র: মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ব্যক্তির অবস্থান। লেখক: এ এস এম সামসুল আরেফিন, বইয়ের পাতার স্ক্যানকপি সংযুক্ত)
বিভিন্ন মুক্তিযোদ্ধাদের বরাতে জানা যায়, জিয়াউর রহমান খালেদা জিয়াকে ফেরত আনার জন্য দুই দুই বার মুক্তিযোদ্ধাদের ছোট্ট দল পাঠান গোপনে সেনানিবাসে। খালেদা জিয়া যুদ্ধের ভেতর যেতে সম্মত হন নি।
মুক্তিযুদ্ধের পর জিয়াউর রহমান খালেদাকে ফেরত নিতে অস্বীকৃতি জানাচ্ছিলেন। বঙ্গবন্ধুর মধ্যস্ততায় মেজর জিয়াকে বুঝিয়ে শুনিয়ে বেগম জিয়াকে আবার সসম্মানে ঘরে তুলে দেয়া হয়।
আসিফ নেওয়াজ জানজুয়া পাকিস্তান আর্মির চীফ অফ স্টাফ ছিল ৯১-৯৩ সাল পর্যন্ত। বাংলাদেশে গ/ণহত্যার অপরাধে বিচার করবার শর্তে যে ১৯৫ জন আর্মি অফিসারকে আত্মসমর্পণ এর পর পাকবাহিনির হাতে ফেরত দেয়া হয়, জানজুয়া তাদের অন্যতম।
আসিফ নেওয়াজ জানজুয়া মারা যায় ১৯৯৩ সালে। খালেদা জিয়া তখন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। জানজুয়ার মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তিনি তখন রাষ্ট্রীয় শোকবার্তা পাঠান।
কোন দেশের প্রধানমন্ত্রী অন্য একটি দেশের সেনাবাহিনির সদস্যের মৃত্যুতে রাষ্ট্রীয় শোক জানাবার কোন প্রটোকল বা নজির না থাকলেও; যুদ্ধাপরাধী, পরাজিত এই পাকিস্তানি জেনারেলের জন্য সকল প্রটোকল ভঙ্গ করে রাষ্ট্রীয় শোক প্রকাশ করা হয় খালেদা জিয়ার ইচ্ছায়।
তখনো পাকিস্তানের পক্ষ থেকে কোন শোক বার্তা দেয়া হয়েছিল না। বাংলাদেশের রাষ্ট্রপ্রধান খালেদা জিয়া শোক বার্তা দেবার পর পাকিস্তান জানজুয়ার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে।
(রাষ্ট্রীয় শোকবার্তার নিউজের স্ক্যান কপি সংযুক্ত)
বিঃদ্রঃ কোকোর ছবিটি পোস্টের সৌন্দর্য বর্ধনে সংযুক্ত করা হইয়াছে।
17/08/2025
তোতলা ফরহাদের পক্ষ থেকে তৌহিদ আফ্রিদির বাবা নাসিরুদ্দিনকে গ্রেফতারের তীব্র নিন্দা জানাই।
15/08/2025
আমার সেইসব রাজাকার বন্ধুদের জানাই স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা — যারা ইতোমধ্যেই এই দেশকে “পূর্ব পাকিস্তান” মনে করতে শুরু করেছে, কিংবা তা বানানোর জন্য নিরলস খাটুনি দিয়ে যাচ্ছে!
তো, বন্ধুদের কাছে আমার কয়েকটা প্রশ্ন আছে। উত্তর পেলে ভীষণ কৃতজ্ঞ থাকব, কারণ তোমাদের গলধঃকরণকৃত মওদূদী-হাদিস — যেটাতে তোমরা হাফিজ — তাতে এর কোনও উত্তর নেই।
তোমরা আসলে কীসের স্বাধীনতা উদযাপন করো? কোন জিনিস থেকে স্বাধীনতা? ৪৭-এর আগে “পাকিস্তান” নামে কোনও জিনিসের অস্তিত্বই ছিল না। স্বাধীনতার দিন বলতে সাধারণত বোঝায় — সাম্রাজ্যবাদী দখলদারের বিরুদ্ধে উপনিবেশিক জনগণের সংগ্রামের বিজয়, যেমন ফ্রান্সের হাত থেকে আলজেরিয়া, কিংবা ব্রিটিশদের হাত থেকে ভারত। সে হিসেবে পাকিস্তান ছিল ব্রিটিশ-ভারতের তৈরি এক শিশুর আঁকা রঙিন মানচিত্র — যেখানে ধর্মীয় জাতীয়তাবাদ মুছে দিলে দেশটা ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ভেঙে পড়বে, কারণ নাগরিকদের ভেতরেই শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের কোনও সংস্কৃতি নেই।
এই “রাষ্ট্র”-এর জন্ম লন্ডনের টেবিলে, সেই পুরনো গল্পে — মুসলমানদের জন্য আলাদা ভূখণ্ড চাই, নইলে ভারতে নিরাপদে থাকা যাবে না। ব্রিটিশরা এই একই গল্প ব্যবহার করেছিল ইহুদিদের জন্য আরেকটা দেশ বানাতে — আর সেই প্রজেক্টের ফলাফল আজ আমরা চোখের সামনে দেখতে পাচ্ছি।
এ ছিল অভিজাত মুসলিমদের — বিশেষত বড় জমিদার, সামন্তপ্রভু আর রাজনীতিবিদদের ক্ষমতা দখলের প্রয়াস; যারা ব্রিটিশ-পরবর্তী যুগে “ইসলামি ভ্রাতৃত্ব” ও “নিরাপত্তা”-র আড়ালে ক্ষমতার চেয়ারে বসতে চাইছিল। কিন্তু এই মেকি কাহিনি পুরোপুরি ফাঁস হয়ে যায় যখন মাত্র ২৪ বছরের মাথায় তারা ১৯৭১ সালে বাংলায় গণহত্যা চালায় — যার বড় অংশই ছিল বাঙালি মুসলমানদের ওপর। তারা লক্ষাধিক মানুষ হত্যা করে, হাজারো মা-বোনের ইজ্জত লুটে নেয় — এবং এর শিকারদের বিশাল অংশ ছিল তাদেরই “মুসলিম ভাই-বোন”।
তাহলে “মুসলমানদের জন্মভূমি” বা “নিরাপদ আশ্রয়” — সবই ছিল এক ব্রেনওয়াশের মিথ, যার মূল কাজ ছিল কেবল জমির মালিকানা বদলানো। একদল অ্যাংলো-ব্রিটিশ জমিদারের কাছ থেকে মালিকানা গিয়ে পড়ল শ্যামলা পাঞ্জাবিদের হাতে — এটাই কি তোমাদের কাছে স্বাধীনতা?
আমার তো মনে হয়, এটাকে “শুভ জমি হস্তান্তর দিবস” ঘোষণা করাই বেশি সঠিক হবে। এ নাম অন্তত প্রকৃত রাজনৈতিক বোঝাপড়া আর বিভাজন প্রকল্পকে হুবহু তুলে ধরে।
আর আমাদের একীভূত করার চেষ্টায় শুভকামনা রইল — যদিও তা ব্যর্থ হবেই। কারণ আমি বিশ্বাস করি সবকিছু নিয়তের ওপর নির্ভরশীল, আর তোমরা হয়তো কখনোই বুঝবে না — তোমাদের পূর্বপুরুষদের এই রাষ্ট্র বানানোর নিয়ত কোনওদিনই “পাক” ছিল না।
09/08/2025
এমনেই ফলো দিয়েন, কন্টেন্ট কী জানিনা।
05/08/2025
I was waiting a whole year to post this. Good Morning Pakistan Lite!
Let the meming begin - format posted in comments - add your own captions and get creative!
02/06/2025
Tribunal like Pindi 🇵🇰
Livestream like Baghdad 🇮🇶
Reeks of ISI😝CIA
BUT it's Dhaka🇧🇩 - it ain't gonna work!
Aynaghor toh banano kaheni. Kintu eder jonno ekta ashol aynaghor banano uchit.
Click here to claim your Sponsored Listing.