ইসলামিক জীবন ব্যাবস্থা

ইসলামিক জীবন ব্যাবস্থা

মেহেন্দিগঞ্জে ঈমাম লাঞ্ছিত গঠনায় ইউপি চেয়ারম্যান সহ ৩ আসামি কারাগারে ,
ভুল স্বীকার করেও চেয়ারম্যান ক্ষমা পাইনি ঈমাম।
ধন্যবাদ পুলিশ প্রশাসনকে।

#দাব্বাতুল_আরদ: কেয়ামতের অন্যতম বড় আলামত

এই আখেরী জামানায় কেয়ামতের নিকটবর্তী সময়ে জমিন থেকে দাব্বাতুল আরদ নামক এক অদ্ভুত জন্তু বের হবে। জন্তুটি মানুষের সঙ্গে কথা বলবে। এটি হবে কেয়ামতের নিকটবর্তী হওয়ার অন্যতম সর্বশেষ ভয়াবহ আলামত।
পশ্চিম আকাশে সূর্য উদিত হওয়ার পর তাওবার দরজা বন্ধ হয়ে গেলে এটি বের হবে। সহিহ হাদিস থেকে জানা যায় যে, পশ্চিম আকাশে সূর্য উঠার কিছুক্ষণ পরই জমিন থেকে এই অদ্ভুত জানোয়ারটি বের হবে। তাওবার দরজা যে একেবারে বন্ধ হয়ে গেছে- এ কথাটিকে চূড়ান্তভাবে প্রমাণ করার জন্য সে মুমিনদেরকে কাফির থেকে নির্দিষ্ট চিন্হের মাধ্যমে আলাদা করে ফেলবে। মু‘মিনের কপালে লিখে দেবে ‘মুমিন’ এবং কাফিরের কপালে লিখে দেবে ‘কাফির’। এ ব্যাপারে কোরআন থেকে যা জানা যায়-

পবিত্র কোরআনুল কারিমে সূরা আন নামলের ৮২ নম্বর আয়াতে আল্লাহ তায়ালা বলেন,

وَإِذَا وَقَعَ الْقَوْلُ عَلَيْهِمْ أَخْرَجْنَا لَهُمْ دَابَّةً مِّنَ الْأَرْضِ تُكَلِّمُهُمْ أَنَّ النَّاسَ كَانُوا بِآيَاتِنَا لَا يُوقِنُونَ

‘যখন প্রতিশ্রুতি (কেয়ামত) সমাগত হবে, তখন আমি তাদের সামনে ভূগর্ভ থেকে একটি জীব নির্গত করব। সে মানুষের সঙ্গে কথা বলবে। এ কারণে যে মানুষ আমার নিদর্শনসমূহে বিশ্বাস করত না।’ (সূরা: নামল, আয়াত: ৮২)।

প্রাণীটির কাজ কি হবে এবং কি বিষয়ে মানুষের সঙ্গে কথা বলবে-এ ব্যাপারে আল্লামা আলূসী বলেন, আয়াতে উল্লেখিত কোরআনের বাণীটিই হবে তার কথা।

অর্থাৎ- أَنَّ النَّاسَ كَانُوا بِآيَاتِنَا لَا يُوقِنُونَ

এই বাক্যটি সে মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে মানুষকে শুনাবে। মর্ম এই যে, আজকের পূর্বে অনেক মানুষই মহান আল্লাহর আয়াত ও নিদর্শনসমূহে বিশ্বাস করেনি। বিশেষ করে কেয়ামতের আলামত ও তা সংঘটিত হওয়ার বিষয়ে এমনকি আমার আগমনের বিষয়েও অনেক মানুষ বিশ্বাসকরত না। এখন সে সময় এস গেছে এবং আমিও বের হয়ে এসেছি।

#দাব্বাতুল_আরদের_পরিচয়ঃ

আরবিতে ‘দাব্বাতুন’ শব্দের অর্থ হচ্ছে জন্তু বা প্রাণী, যা জমিনে পা ফেলে চলাচল করে। আর ‘আরদ’ অর্থ হচ্ছে ভূমি, ভূপৃষ্ঠ বা ভূগর্ভ। কেয়ামতের আগে পৃথিবীর ভূপৃষ্ঠ থেকে অদ্ভুত ধরনের একটি প্রাণী বের হবে এবং পুরো পৃথিবীতে বিচরণ করবে। এটিকে কেয়ামতের বড় আলামতের একটি গণ্য করা হয়। হাদিসে এসেছে, হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘ওই সময় আসার আগ পর্যন্ত কেয়ামত কায়েম হবে না, যতদিন না পশ্চিম দিক থেকে সূর্যোদয়ের ঘটনা সংঘটিত হবে। পশ্চিম দিক থেকে সূর্যোদয়ের ঘটনা ঘটার পর মানুষ দাব্বাতুল আরদ দেখতে পাবে।’ (বুখারি : ৪৬৩৬; মুসলিম : ১৫৭)।

‘দাব্বাতুল আরদ’ প্রাণীটির নাম নয় বরং অদ্ভুত প্রাণীটির প্রসঙ্গে কোরআনে ব্যবহৃত শব্দ, যার অর্থ ‘ভূগর্ভস্থ প্রাণী’। আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘যখন প্রতিশ্রুতি (কেয়ামত) সমাগত হবে, তখন আমি তাদের সামনে ভূগর্ভ থেকে একটি প্রাণী বের করব। সে মানুষের সঙ্গে কথা বলবে।’ (সুরা নামল : ৮২)

ইবনু কাসীর বলেন, আখেরী জামানায় মানুষ যখন নানা পাপাচারে লিপ্ত হবে, মহান আল্লাহর আদেশ পালন বর্জন করবে এবং দ্বীনকে পরিবর্তন করবে তখন আল্লাহ তায়ালা তাদের সামনে এই জন্তুটি বের করবেন।’ (তাফসীরে ইবনু কাসীর-৩/৩৫১)।

ইবনু আব্বাস (রা.) বলেন, ‘জন্তুটি মানুষের মতই কথা বলবে।’(পূর্বোক্ত উৎস)।

#দাব্বাতুল_আরদের_আকৃতিঃ

‘দাব্বাতুল আরদ’ বা অদ্ভুত প্রাণীটির আকৃতি প্রসঙ্গে বিক্ষিপ্তভাবে বিভিন্ন হাদিসে আলোচনা এসেছে। সেসব পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, এর ভেতর অনেক প্রাণীর বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান থাকবে। অদ্ভুত এই প্রাণী কিছুটা উটের মতো হবে। পা হবে চারটি। মাথা হবে ষাঁড়ের মতো। চোখ হবে শূকরের মতো। কান হবে হাতির মতো। নাক হবে উটপাখির মতো। বুক হবে সিংহের মতো। রঙ হবে নেকড়ের মতো। কপাল হবে ভেড়ার মতো। ঘন পশমবিশিষ্ট হবে। মানুষের মতো চেহারা হবে। (ফাতহুল কাদির: ৪/১৫২; আদ-দুররুল মানসুর : ৬/৩৭৮)। সে পুরো পৃথিবীতে পরিভ্রমণ করবে এবং সব মানুষের সঙ্গে কথা বলবে। আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘যখন তাদের ওপর নির্দেশ পতিত হবে (পূর্ব দিক থেকে সূর্য না উঠে পশ্চিম দিক থেকে উদিত হওয়া) তখন আমি তাদের জন্য দাব্বাতুল আরদ বের করব। সে সবার সঙ্গে কথা বলবে। সে সবার কাছে গিয়ে বলবে, 'লোকেরা আমার নিদর্শনসমূহে বিশ্বাস করত না।’ (সুরা নামল : ৮২)।
আরও বিভিন্ন হাদিসে এসেছে, সে মানুষকে তাকওয়া, তাওয়াক্কুল, আল্লাহর ভয় প্রভৃতি বিভিন্ন সদুপদেশ দিতে থাকবে।

#দাব্বাতুল_আরদের_কাজঃ

সূর্য পশ্চিমে উদিত হওয়ার পর ঈমান আনয়ন ও তাওবা কবুলের দরজা যে একেবারেই বন্ধ হয়ে গেছে, এ বিষয়টি চূড়ান্ত করতে সে মুমিনদেরকে কাফের থেকে নির্দিষ্ট চিহ্নের মাধ্যমে আলাদা করে ফেলবে। রাসুল (সা.) বলেন, ‘দাব্বাতুল আরদ‌ বের হবে। তার সঙ্গে থাকবে মুসা (আ.)-এর লাঠি এবং সুলায়মান (আ.)-এর আংটি। ঈমানদারদের কপালে মুসা (আ.)-এর লাঠি দিয়ে নুরানি দাগ টেনে দিবে। ফলে তাদের চেহারা উজ্জ্বল হয়ে উঠবে। আর কাফেরদের নাকে সুলায়মান (আ.)-এর আংটি দিয়ে দাগ লাগাবে। ফলে তাদের চেহারা অনুজ্জ্বল হয়ে পড়বে। তখন অবস্থা এমন হবে যে, কোনো খাবারের টেবিল ও দস্তরখানায় কয়েকজন মানুষ বসলে প্রত্যেকেই একে অপরের ঈমান ও কুফুরির বিষয়টি স্পষ্ট দেখতে পাবে।’ (মুসনাদে আহমাদ: ৭৯২৪)। অন্য একটি হাদিসে এসেছে, হজরত আবু উমামা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেন, ‘দাব্বাতুল আরদ বের হবে এবং মানুষের নাকে চিহ্ন দিবে। তারপরও মানুষ পৃথিবীতে জীবনযাপন করবে। প্রাণীটি সকল মানুষের নাকেই দাগ লাগিয়ে দিবে। এমনকি উট ক্রয়কারীকে যদি জিজ্ঞেস করা হয় তুমি এটি কার কাছ থেকে ক্রয় করেছ? সে বলবে, 'আমি এটি নাকে দাগ লাগানো অমুক ব্যক্তির কাছ থেকে ক্রয় করেছি।’ (মুসনাদে আহমাদ: ৩২২)।
দাব্বাতুল আরদের কাজ শেষ হওয়ার পর অদৃশ্য হয়ে যাবে।

#দাব্বাতুল_আরদ_বের_হওয়ার_সময়কালঃ

কেয়ামতের বড় বড় কয়েকটি আলামত ঘটে যাওয়ার পর এক বছর জিলহজ মাসের কোরবানির ঈদের দিবাগত রাত এত দীর্ঘ হতে থাকবে যে, সফররত ব্যক্তিরা উৎকণ্ঠিত হয়ে পড়বে, শিশু-বাচ্চারা ঘুমাতে ঘুমাতে ক্লান্ত হয়ে জেগে উঠবে, গবাদি পশুরা চরণভূমিতে বের হতে ছটফট শুরু করবে, লোকেরা ভয়ে ও আতঙ্কে চিৎকার করে কান্নাকাটি ও দোয়া-তওবা করতে থাকবে। এভাবে তিন-চার দিন সময় পরিমাণ দীর্ঘ রাতের অবসান ঘটিয়ে চন্দ্রগ্রহণের মতো টিমটিমে আলো নিয়ে পশ্চিম দিক থেকে সূর্য উদিত হবে। এই নিদর্শন প্রকাশ পাওয়ার পর পৃথিবীর সব মানুষ আল্লাহর প্রতি ঈমান আনয়ন করবে এবং তাওবা করবে। কিন্তু তখন ঈমান ও তওবা আর কবুল করা হবে না। (ফাতহুল বারি : ১১/৩৫৩)। আকাশে আলো ফোটার পর মানুষ যখন বাইরে বের হবে তখন দুপুরের দিকে কাবা গৃহের পূর্ব দিকে অবস্থিত সাফা পাহাড় ভূমিকম্পে ফেটে যাবে। তখন সেখানকার জমিনের ভেতর থেকে দাব্বাতুল আরদ বের হবে। (মুসলিম : ২৯৪১)

#দাব্বাতুল_আরদ_সম্পর্কে_হাদিস_হতে_কিছু_কথাঃ

(১) সহিহ মুসলিম- এ হুযাইফাহ (রা.) হতে বর্ণিত হয়েছে। তিনি বলেন,

একদা রাসূল (সা.) আমাদের নিকট আগমন করলেন। আমরা তখন কিছু আলোচনা করছিলাম, তখন রাসূল (সা.) বলল, তোমরা কি বিষয়ে আলোচনা করছ? তারা বলল, আমরা কেয়ামতের আলামত সম্পর্কে আলোচনা করছিলাম। তিনি বললেন, যতদিন তোমরা দশটি আলামত না দেখবে ততদিন কেয়ামত হবে না।

(১ ) ধোঁয়া, (২) দাজ্জালের আগমন, (৩) ভূগর্ত থেকে নিগর্ত দাব্বাতুল/দাব্বাতুল আরদ নামক অদ্ভুত এক জানোয়ারের আগমন,(৪) পশ্চিম দিক থেকে সূর্যোদয়, (৫)‘ঈসা ইবনু মারইয়ামের আগমন,(৬) ইয়াজুয-মা‘জুযের আবর্ভাব, (৭) পূর্বে ভূমিধ্বস, (৮) পশ্চিমে ভূমিধ্বস, (৯) আরব উপদ্বীপে ভূমিধ্বস, (১০) সর্বশেষে ইয়ামান থেকে একটি আগুন বের হয়ে মানুষকে সিরিয়ার দিকে হাঁকিয়ে নেবে।

(২) রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন,

‘দাববাতুল/দাব্বাতুল আরদ নামক একটি প্রাণী বের হবে এবং মানুষের নাকে চিহ্ন দেবে। অতঃপর মানুষেরা পৃথিবীতে জীবন-যাপন করবে। প্রাণীটি সব মানুষের নাকেই দাগ লাগিয়ে দেবে। এমনকি উট ক্রয়কারীকে যদি জিজ্ঞেস করা হয় তুমি এটি কার কাছ থেকে ক্রয় করেছ? সে বলবে, আমি এটি নাকে দাগওয়ালা একজন ব্যক্তির নিকট থেকে ক্রয় করেছি।’ (মুসনাদে আহমাদ। সিলসিলায়ে সগিহ-হা: ৩২২)।

(৩) নবী (সা.) আরো বলেন,

‘দাব্বাতুল আরদ বের হবে। তার সঙ্গে থাকবে মূসা (আ.) এর লাঠি এবং সুলায়মান (আ.) এর আংটি। কাফিরের নাকে সুলায়মান (আ.) এর আংটি দিয়ে দাগ লাগাবে এবং মূসা (আ.) এর লাঠি দিয়ে মুমিনের চেহারাকে উজ্জল করে দেবে। লোকেরা খানার টেবিল ও দস্তরখানায় বসেও একে অপরকে বলবে, হে মুমিন! হে কাফির! (আহমাদ-আহমাদ শাকের সহিহ বলেছেন, হা: ৭৯২৪)।

#দাব্বাতুল_আরদের_পরের_অবস্থাঃ

দাব্বাতুল আরদের অন্তর্ধানের পর আল্লাহ তায়ালা ইয়েমেনের দিক থেকে রেশমের মতো মোলায়েম একটি বাতাস প্রবাহিত করবেন। যার অন্তরে সামান্য পরিমাণও ঈমান থাকবে তার শরীরে এই বাতাস স্পর্শ করবে। ফলে সব ঈমানদার ব্যক্তির ইন্তেকাল হয়ে যাবে। তারপর পৃথিবীতে কেবল নিকৃষ্ট লোকেরা থাকবে। তাদের ওপর কেয়ামত কায়েম হবে। (মুসলিম : ১১৭, ১৯২৪)।

অন্য হাদিসে এসেছে, পৃথিবীতে তখন শুধু নিকৃষ্ট আর পাপাচারী লোকেরা থাকবে। তাদের জীবনযাত্রা অত্যান্ত সুখময় হবে। পাখির মতো ক্ষিপ্রতা থাকবে তাদের। পশু-পাখির মতো স্বাধীনভাবে চলাফেরা করবে। কোনো কল্যাণকর কাজ তারা করবে না। কেউ কোনো মন্দ কাজ করলে বারণ করবে না। তখন শয়তান তাদের সামনে মানুষের আকৃতিতে এসে বলবে আমি তোমাদেরকে যা করতে বলব তোমরা কি তা করবে না? লোকেরা বলবে, তুমি আমাদেরকে কী করতে বল? তখন শয়তান তাদেরকে মূর্তিপূজার আদেশ করবে। সে যুগে মানুষের প্রাচুর্য ও সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য অনেক বৃদ্ধি পাবে। অতঃপর শিঙ্গায় ফুক দেওয়া হবে। (মুসলিম : ২৯৪০)।

অন্য একটি হাদিসে এসেছে, হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, 'পশ্চিমাকাশে সূর্যোদয় ও দাব্বাতুল আরদের আবির্ভাবের পর পৃথিবী আর একশ বিশ বছর অবশিষ্ট থাকবে।' (ফাতহুল বারি : ৩৬১)।

আবার কোনো হাদিসে এসেছে, 'পশ্চিমাকাশে সূর্যোদয় ও দাব্বাতুল আরদের আবির্ভাবের পর একশ বছর পর কেয়ামত হবে।'
অর্থাৎ মোট কথা, পশ্চিমাকাশে সূর্যোদয় ও দাব্বাতুল আরদের আবির্ভাবের পর একশ বা একশ বিশ বছর পর কেয়ামত হবে।

(কালেক্টেড)

ইহুদিবাদী জঙ্গি সন্ত্রাসী রাষ্ট্র আমেরিকা কখনো কল্পনাও করেনি যে তাদের এই অধপতন হবে তারা মহাবিশ্বের শক্তিশালী রবের কথা ভুলে গিয়েছিল।

বিক্ষোভে উত্তাল নিউইয়র্ক, লুটপাট, রেহাই পায়নি বাংলাদেশী শোরুম,
কারফিউ জারি
পুলিশের হাতে কৃষ্ণাঙ্গ যুবক জর্জ ফ্লয়েড হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভে উত্তাল যুক্তরাষ্ট্র। নিউইয়র্কে সেন্ট্রাল ম্যানহাটনে নামি-দামি অনেক দোকান, শো-রুমে লুটের ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে সেখানে কারফিউ জারি করা হয়েছে।
বিক্ষোভের সময় নিউইয়র্কের ম্যানহাটনের ফিফথ অ্যাভিনিউয়ে ফ্যাশন স্টোর মাইকেল কোরস’সহ নাইকি, লেগোতে লুটের ঘটনা ঘটেছে। রেহাই পায়নি বাংলাদেশী শপগুলোও। ক্ষতিগ্রস্থ বাংলাদেশী ব্যবসা প্রতিষ্ঠান তাজ অ্যারোমার কর্ণধার হেলাল উদ্দিন ভূইয়া নূর নিউজকে বলেন, ‘হামলাকারীরা আমার শোরুমের দরজা, জানালা ভেঙ্গে প্রবেশ করে লুটপাট চালিয়েছে। শোরুমের সব ল্যাপটপ, সেলফোন, ক্যাশ রেজিস্টার, লকার, পারফিউমসহ হাজার হাজার ডলার নিয়ে গেছে। অনেক কষ্টে গড়া প্রতিষ্ঠানটি এখন ধ্বংসস্তপে পরিণত হয়েছে’।

এ ব্যাপারে পুলিশ জানিয়েছে, বেশ কিছু দোকান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত শহর জুড়ে কয়েক’শ ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

মেয়র বিল দে ব্লাসিও বলেছেন, ম্যাডিসন অ্যাভিনিউতে অনেকগুলো দোকান লুট হয়েছে। এই পরিস্থিতি ‘সত্যিকার অর্থে অগ্রহণযোগ্য’। পরিস্থিতি সামাল দিতে মঙ্গলবার রাত ৮টা থেকে কারফিউ জারি করা হয়েছে।

নূর নিউজ ২৪.কমের নিউইয়র্ক প্রতিনিধি ফের হামলা ও লুটপাটের আশঙ্কা প্রকাশ করে প্রবাসী বাংলাদেশীদের রাস্তায় গাড়ী না রেখে নিরাপদ স্থানে রাখার আহবান জানিয়েছেন।

প্রকাশিত: ৩জুন, রাত ৪.৫৫
নূর নিউজ টুয়েন্টি ফোর ডটকম

করোনা আক্রান্ত(পজিটিভ) হলে প্রাথমিকভাবে সবচেয়ে কার্যকরী চিকিৎসা হচ্ছে লেবু, আদা, রসুন, লং, দারচিনি, এলার্চ ও খাঁটি সরিষার তেল পানিতে ফুটিয়ে গরম ভাপ নেওয়া এবং উক্ত উপকরণ গুলো দিয়ে বারবার গরম পানি খাওয়া।(করোনা আক্রান্তের পর সুস্থ হওয়া একাধিক ভিডিও/ ডাক্তার থেকে পাওয়া তথ্য)মনে রাখবেন, মানসিক ভাবে কখনো দুর্বল হওয়া যাবেনা।
আল্লাহ আমাদের সবাইকে হেফাজত করুন, আমিন।

উত্তম চরিত্র সম্পর্কে কিছু নসিহত,
বাংলাদেশের সুনামধন্য আলেমেদ্বীন, লেখক গবেষক, রাষ্ট্রচিন্তাবিদ দার্শনিক পীরে কামেল আল্লামা উবায়দুর রহমান খান নদভী হাফিজাহুল্লাহ
উত্তম চরিত্র ও সুন্দর আচরণ অনেক বড় আমল।
দ্বীন ইসলামের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে মানুষকে আল্লাহর খাঁটি বান্দাহ হিসেবে গড়ে তোলা। ইবাদত বন্দেগী একমাত্র আল্লাহর জন্য নিবেদিত করা এবং তার পাশাপাশি উত্তম আচার ব্যবহার অবলম্বনে নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়া।কিন্তু আমরা নামায রোযার ন্যায় উত্তম চরিত্র ও আচার ব্যবহারকে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নেক আমল হিসেবে তেমন গুরুত্ব দেই না।

পীর-মুরিদি কী? পীর বা শাইখ এর বাইআত গ্রহণ করার কোন প্রয়োজনীয়তা আছে কি?
পীর মানেই কী ভন্ড? অনৈসলামিক?
🎙️মাওলানা মামুনুল হক

[05/30/20]   দয়ালুর প্রতি আল্লাহ্‌ও দয়াশীল হন। তাই, পৃথিবীর মানুষের প্রতি দয়াশীল হও, তাহলে যিনি আসমানে আছেন–তিনি তোমার প্রতি দয়া দেখাবেন” আবু দাউদ, তিরমিযী

চীনের প্রতিটি বাড়িতেই করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রুগী আছে।কিন্তু সেখানকার বাসিন্দারা এই ভাইরাস এর জন্য কোনো ওষুধ বা ভ্যাকসিন নিচ্ছেন না।তারা এর চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছেন।এর পরিবর্তে তারা গরম পানির ভাপ দিয়ে ভাইরাসকে বিনাশ করছেন।এর জন্য তারা মাত্র ৩টি কাজ করছেন।
সেগুলো হলোঃ

১. তারা দিনে চারবার কেটলি থেকে গরম পানির ভাপ নিচ্ছেন।

২. দিনে চারবার গরম পানি দিয়ে গড়গড়া করছেন।

৩. আর দিনে চারবার গরম চা পান করছেন।
এভাবে টানা চারদিন এই ৩টি কাজ করেই ভাইরাসটিকে দমন করছেন তারা।
এভাবেই পঞ্চম দিনে হচ্ছেন করোনা নেগেটিভ।

সংগৃহীত: বাংলাদেশ প্রতিদিন।

ইসলামিক জীবন ব্যাবস্থা's cover photo

আলহামদুলিল্লাহ।

রমজানের রোজা পালনের পর শাওয়াল মাসে ছয়টি রোজা রাখা সুন্নত-মুস্তাহাব; ফরজ নয়। শাওয়াল মাসে ছয়দিন রোজা রাখার বিধান রয়েছে। এ রোজা পালনের মর্যাদা অনেক বড়, এতে প্রভূত সওয়াব রয়েছে। যে ব্যক্তি এ রোজাগুলো পালন করবে সে যেন গোটা বছর রোজা রাখল। এ বিষয়ে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে সহিহ হাদিস বর্ণিত হয়েছে। আবু আইয়ুব (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদিসে এসেছে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যে ব্যক্তি রমজানের রোজা রাখল এরপর শাওয়াল মাসে ছয়টি রোজা রাখল সে যেন গোটা বছর রোজা রাখল।”[সহিহ মুসলিম, সুনানে আবু দাউদ, জামে তিরমিজি, সুনানে নাসায়ী ও সুনানে ইবনে মাজাহ]এ হাদিসকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অন্য বাণী দিয়ে ব্যাখ্যা করেছেন তিনি বলেন: “যে ব্যক্তি ঈদুল ফিতরের পরে ছয়দিন রোজা রাখবে সে যেন গোটা বছর রোজা রাখল:যে ব্যক্তি একটি নেকি করবে সে দশগুণ সওয়াব পাবে।”অন্য বর্ণনাতে আছে- “আল্লাহ এক নেকিকে দশগুণ করেন। সুতরাং এক মাসের রোজা দশ মাসের রোজার সমান। বাকী ছয়দিন রোজা রাখলে এক বছর হয়ে গেল।”[সুনানে নাসায়ী, সুনানে ইবনে মাজাহ]হাদিসটি সহিহ আত-তারগীব ও তারহীব (১/৪২১) গ্রন্থেও রয়েছে। সহিহ ইবনে খুজাইমাতে হাদিসটিএসেছে এ ভাষায়- “রমজান মাসের রোজা হচ্ছে দশ মাসের সমান। আর ছয়দিনের রোজা হচ্ছে- দুই মাসের সমান। এভাবে এক বছরের রোজা হয়ে গেল।”

[05/26/20]   ইবনু রজব (রহ.) বলেন,
ঈদ শুধু নতুন ও পরিধানকারীর জন্য নয়, প্রকৃতপক্ষে ঈদ তো তার জন্য, যে আল্লাহর আনুগত্যের মাত্রা বৃদ্ধি করতে পেরেছে।

[05/25/20]   হাসান বসরি (রহ.)বলেন গুনাহমুক্ত প্রতিটি দিনই ঈদের দিন।
আল্লাহ তা'আলা আমাদের কে গুনাহ মুক্ত হওয়ার তৌফিক দান করুন।

ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ান
সমাজে অসহায় অবহেলিত মানুষের মুখে হাসি ফুটাতে না পারলে ঈদের আনন্দ ম্লান হয়ে যায়। এক মাস সিয়াম সাধনার পর ঈদুল ফিতর মুসলিম উম্মাহর সর্বোত্তম আনন্দের দিন। তাই আত্মশুদ্ধির মাস রমযান থেকে শিক্ষা গ্রহণ করে অসহায় মানুষের সাথে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করা সকলের নৈতিক দায়িত্ব। তাহলে ইহকালীন সফলতার পাশাপাশি পরকালীন মুক্তি সম্ভব ইনশাআল্লাহ।
আল্লাহ তা'আলা আমাদের নেক আমল গুলো কবুল করুন আমিন।

ভারত বিরোধী হতে হলে আপনার মুসলমান হওয়ার কোন দরকার নাই ।

মানবিক মূল্যবোধ সম্বলিত মানুষ হলেই চলবে ।

হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠ নেপাল কে দেখে আওয়ামীলীগের ভারতীয় ঘেঁটু পুত্র রা শিক্ষা নিতে পারে দেশপ্রেমের ।

ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে নিজের পেছন বর্গা না দিয়ে জনগণের পাশে দাঁড়ালে জনগণই ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত করবে এই শিক্ষা নেয়া উচিৎ এদের নেপালের কাছে থেকে।

লাইলাতুল কদর সম্পর্কে বিশেষ আলোচনা।
শাইখ আবদুর রহিম মাদানী।
হজরত আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বর্ণনা করেন, একবার আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞাসা করলাম- হে আল্লাহর রাসুল! (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আপনি বলে দিন, আমি যদি লাইলাতুল কদর কোন রাতে হবে তা জানতে পারি, তাতে আমি কী (দোয়া) পড়বো?

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, তুমি বলবে-

اللَّهُمَّ إِنَّكَ عُفُوٌّ تُحِبُّ الْعَفْوَ فَاعْفُ عَنِّي

উচ্চারণ : 'আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুয়্যুন; তুহিব্বুল আফওয়া; ফাফু আন্নি।’

অর্থ : হে আল্লাহ! আপনি ক্ষমাশীল; ক্ষমা করতে ভালোবাসেন; অতএব আমাকে ক্ষমা করে দিন। (মুসনাদে আহমাদ, ইবনে মাজাহ, তিরমিজি, মিশকাত)

যে চায় আমি আল্লাহর সাথে কথা বলবো, সে যেন নামাজ পড়া শুরু করে। অত্যন্ত মূল্যবান নসিহত।
শাইখ নজরুল ইসলাম কাসেমী দাঃমাঃ

সুবহানাল্লাহ.. প্রতি তিন দিনে কোরআন খতম।
কুরআন হলো দুনিয়া আখেরাতের বরকতের চাবি!
শাইখ মুস্তাকুন্নবী কেমন মায়ের সন্তান তার নিজের মুখেই শুনুন।

[05/15/20]   ‘রমজানের শেষ দশে তোমরা কদরের রাত তালাশ করো।’
(বোখারি ২০২০ মুসলিম :১১৬৯)
বিস্তারিত কমেন্টে

বদর দিবসের আলোচনা।
বুখারী শরীফের বর্ণনায় বদর যুদ্ধ।
বিশ্বনবী মুহাম্মাদ সাঃ এর প্রতি ছাহাবাদের
ভালোবাসা, ঈমান তাজা হওয়ার বয়ান।
-শায়খুল হাদিস মামুনুল হক হাফিজাহুল্লাহ

ঐতিহাসিক বদর দিবস আজ। মদিনা মনওয়ারা থেকে প্রায় ৮০ মাইল দূরে অবস্থিত একটি কুপের নাম ‘বদর’। সেখানে এ কূপের নামে একটি গ্রামও রয়েছে। ইতিহাসখ্যাত ‘বদর যুদ্ধ’ এ স্থানে সংঘটিত হয়েছিল দ্বিতীয় হিজরির ১৭ রমজানুল করিমে।

কোরাইশদের গর্ব ও অহঙ্কারের মাস এবং সকল প্রকার শক্তি-সামর্থ্যরে প্রধান উৎস ছিল সিরিয়ায় তাদের ব্যবসা-বাণিজ্য। তাই রাজনৈতিক নীতি ও কৌশল হিসেবে তাদের শক্তিমত্তা বিনষ্ট করার উদ্দেশে এ ব্যবসার ধারা বন্ধ করে দেয়া প্রয়োজন ছিল। এ সময় কোরাইশদের একটি সুবিশাল বাণিজ্য কাফেলা সিরিয়া থেকে ফিরছিল। এ সম্পর্কে জানতে পেরে দ্বিতীয় হিজরির ১২ রমজানুল করিমে নবীয়ে আকরাম (সা.) ৩১৩ মুহাজির ও আনসার সাহাবি সঙ্গে নিয়ে তাদের মোকাবিলা করতে নিজেই ময়দানে বের হয়ে পড়লেন।

রাওহা নামক স্থানে পৌঁছার পর তারা সেখানে তাঁবু ফেললেন। রাওহা মদিনা শরিফের দক্ষিণে ৪০ মাইল দূরবর্তী একটি জায়গার নাম। এদিকে কোরাইশদের বাণিজ্য বহরের নেতা এ খবর জানতে পেরে সে ওই রাস্তা বাদ দিয়ে সমুদ্রের উপকূল ধরে কাফেলা নিয়ে এগিয়ে চললো। সেই সঙ্গ ঘোড়সওয়ার লোককে মক্কার দিকে দৌড়ে পাঠাল এ কথা জানাতে, কোরাইশগণ নিজের পূর্ণ ক্ষমতা ও শক্তি নিয়ে যেন এ জায়গায় এসে পৌঁছে যায় এবং নিজেদের বাণিজ্য কাফেলাকে বিপদ হতে রক্ষা করে। কোরাইশরা পূর্ব থেকে মুসলমানদের মূলোচ্ছেদ করার ফন্দি-ফিকির খুঁজে ফিরছিল। এ খবরটি মক্কায় পৌঁছার সঙ্গে সঙ্গে ৯৫০ জন যুবকের এক বড় সেনাদল যাদের মধ্যে ১০০ ঘোড়া এবং ৭০০ উট ছিল। তারা নবীয়ে করিম (সা.) এর মোকাবিলা করার জন্য রওনা হয়ে গেল। এ সেনাদলে কোরাইশদের বড় বড় নেতা এবং বিত্তবান ব্যক্তিবর্গ সকলেই অংশ নিয়েছিল। নবীয়ে করিম (সা.) যখন এ বিষয় জানতে পারলেন তখন তিনি সাহাবিদের সাথে পরামর্শ করলেন।

হজরত আবু বকর (রা.) এবং অন্য সাহাবিগণ নিজেদের জীবন ও সম্পদ নবীজির নিকট সমর্পণ করে দিলেন। হজরত উমায়ের ইবনে ওয়াক্কাস (রা.) সে সময় কম বয়সী ছিলেন। তাই নবীয়ে করিম (সা.) তাকে জেহাদে অংশ নেয়া থেকে বিরত রাখেন। তিনি কাঁদতে শুরু করেন। এ অবস্থায় নবী করিম (সা.) তাকে জেহাদের অনুমতি প্রদান করেন। (কানজুল উম্মাল- ১ম খণ্ড, পৃষ্ঠা-২৭০)

আনসারদের মধ্য থেকে খাযরাজ গোত্রের দলপতি হজরত সা’দ ইবনে উবাদা (রা.) উঠে দাঁড়িয়ে বললেন, আল্লাহের কসম। আপনি নির্দেশ দিলে আমরা সমুদ্রে ঝাঁপিয়ে পড়ব (মুসলিম শরীফ)। ঐতিহাসিক বদরের যুদ্ধে মুসলানদের ঐতিহাসিক বিজয় হয়েছিল এবং কাফেরদের পরাজয় হয়েছিল এবং অসংখ্য কাফেররাও বদর যুদ্ধে মুসলমানদের হাতে বন্দি হন।

এ বন্দিদের মধ্যে নবীয়ে করিম (সা.) এর চাচা হজরত আব্বাস (রা.) ছিলেন। তিনি পরবর্তী সময়ে ইসলাম কবুল করেন। হজরত আব্বাস (রা.) রাতের বেলা বন্দি থাকায় কষ্টে কাতর ছিলেন। তার কাতর ধ্বনি নবী করিম (সা.) এর পবিত্র কানে গিয়ে পৌঁছলে সঙ্গে সঙ্গে তার ঘুম ভেঙ্গে যায়। তিনি আর ঘুমাতে পারলেন না। সঙ্গী-সাথীরা ভোরবেলায় জিজ্ঞাসা করলো ‘হে আল্লাহের রাসূল (সা.) আপনার ঘুম আসেনি কেন’? তিনি উত্তর দিলেন িআমি কিভাবে ঘুমাব যেখানে আমার সম্মানিত চাচাজানের কাতর ধ্বনি আমার কানে আসছে। (কানজুল উম্মাল- ১ম খণ্ড, পৃষ্ঠা-২৭২)এ বছর অর্থাৎ দ্বিতীয় হিজরিতে বদর প্রান্ত হতে ফিরে আসার পর প্রথম বার ঈদুল ফিতরের নামাজ পড়া হয়। রমজানের রোজা, সাদকায়ে ফিতর এবং যাকাত এ বছরই ফরজ করা হয়।

Want your school to be the top-listed School/college in Doha?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Videos (show all)

Address


Doha
8625
Other Doha schools & colleges (show all)
Arab Innovation Academy Arab Innovation Academy
Doha

Entrepreneurship accelerator program aimed at equipping entrepreneurs in Arab region with the skillset to build their startup in 10 days.

Asian Integrated School Asian Integrated School
Madinat Khalifa
Doha, 4217

Doha, State of Qatar Doha, State of Qatar
AN NAJADA SLATA
Doha, 50000

Traveler & tourist guide

Bonjour Paris Doha Bonjour Paris Doha
Doha, 4801

Bonjour Paris is a newly opened Language Center for all ages providing a variety of courses for all ages in Doha, Qatar near Landmark. Opened Saturday to Thursday from 8.00 am to 8.00 pm

Fun First Nursery Fun First Nursery
West Bay, Saha 47, Zone 66
Doha, 1000

A Fun Filled Environment For Your Child To Discover!! www.funfirstnursery.com

Stafford Sri Lankan School Doha - SSLSD Stafford Sri Lankan School Doha - SSLSD
P.O. Box 30220, Stafford Sri Lankan School
Doha

Stafford Sri Lankan School Doha offers a range of sports such as; Basketball, Football, Cricket, Volleyball, Netball, Hockey, Athletics, Swimming etc.

Dong Hai's Space Dong Hai's Space
La DoHa Palais
Doha, 570000

Dong Hai's Space is the home of all Nguyen Le Dong Hai, a.k.a. DoHa Von Rusi, 's projects and works.

Amara sunar bangla das Amara sunar bangla das
QATAR
Doha, 3050

amadar sunar bangla das

CS4Help.qu CS4Help.qu
Doha
Doha, 2713

A Team of CS students who aim to help students having problems in Programming concepts course , (Both H.W's and Projects ) .

Education City Education City
Bin Omran
Doha, 00

গোনাহ্গার বান্দা গোনাহ্গার বান্দা
Qatar
Doha, +974

#গোনাহ্গারবান্দা সবাই পেজে লাইক দিবেন ইনশাআল্লাহ

Naoum El Deeb - Market Research Consultant Naoum El Deeb - Market Research Consultant
Grand Hamad Street, Mashreq Bank Building, Floor 6
Doha

This page Introduces you to one of the best in the business of Market Research; Naoum El Deeb, a researcher who has been in the MENA & LEVANT region conducting market research & client servicing for more than a decade now.