সাধনা ঔষধালয়

সাধনা ঔষধালয়

Comments

মোটা হতে চাই সমাধান দিবেন দয়া করে প্লিজ ??
কেমন আছেন আপনারা সবাইয়
১ লা ফেব্রুয়ারি ১৯৫৮ কলকাতা থেকে প্রকাশিত একটি পত্রিকায় সাধনার বিজ্ঞাপন।
আপনারা সবাই কেমন আছেন
ভালো মানের কিছু ঘুমের ওষুধের নাম বলবেন Please
সিজারিয়ান পদ্ধতিতে কতবার ডেলিভারি করা যাবে তা জরায়ুর অবস্থা, মূত্রাশয়ের অবস্থা, জরায়ুর আশপাশের অর্গানগুলোর সঙ্গে জরায়ু কতটা জড়িয়েছে তার ওপর নির্ভর করে। স্বাভাবিক ডেলিভারি ঝুঁকিপূর্ণ হলে মা ও শিশুর সুস্থতার জন্য সিজারিয়ান পদ্ধতি অবলম্বন করা হয়। তবে তিন বারের বেশি সিজার করা নিরাপদ নয়। অধিক সিজারের ফলে বেশ কিছু জটিলতাসহ কিছু ঝুঁকি থাকে। সিজার কেন করা হয়? অনেক সময় দেখা যায় নির্দিষ্ট সময় পার হওয়ার পরও প্রসব ব্যথা শুরু না হলে। গর্ভে থাকা অবস্থায় কোনো কারণে যদি শিশুর স্বাস্থ্যের অবনতি হয়। প্রসব ব্যথা ৮-১২ ঘণ্টা অতিবাহিত হওয়ার পরেও যদি প্রসবের উন্নতি না হয়। প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়ে মা ও শিশুর জীবনের ঝুঁকি থাকলে গর্ভফুলের অবস্থান জরায়ুর মুখে থাকলে। এছাড়া গর্ভের শিশুটি যদি অস্বাভাবিক অবস্থানে থাকে। প্রথম এক বা দুটি শিশুর জন্ম যদি সিজারিয়ান পদ্ধতিতে হয়ে থাকে। এসকল ক্ষেত্রে শিশু জন্মের জন্য সিজারিয়ান পদ্ধতিতে ডেলিভারি করা হয়ে থাকে। কিছু জটিলতা প্রসবে জটিলতা প্রতিটি সিজারিয়ানের সাথে সাথে প্রসবের ঝুঁকি বাড়তে থাকে। বেড়ে যায় প্রসবের সময়। একটি সিজারিয়ান এর আগের বারের চাইতে বেশী সময় লাগতে পারে। কারণ সিজারিয়ান করা হলে মায়ের উদরে ক্ষত সৃষ্টি হয়এর ফলে অপারেশনের সময় ঘণ্টা ছাড়িয়ে যেতে পারে। অতিরিক্ত রক্তপাত যেকোনো সিজারই নরমাল ডেলিভারির চাইতে রক্তপাত বেশী হয়। কিন্তু সিজারের সংখ্যা বাড়ার সাথে সাথে এর ঝুঁকি বাড়তে থাকে। দ্বিতীয় সিজারিয়ানের ক্ষেত্রে ৩.৩ ভাগ মায়ের এবং তৃতীয় সিজারিয়ানের ক্ষেত্রে তা বেড়ে ৭.৯ ভাগ মায়ের হতে পারে। অতিরিক্ত সার্জারি সিজারের সাথে অতিরিক্ত কিছু অপারেশনের প্রয়োজন পড়তে পারে। প্রতিবার সিজারিয়ানের সাথে সাথে মায়ের জরায়ুতে ক্ষতের সংখ্যা বাড়তে থাকে। অনেক সময় এসব ক্ষত শরীরের অন্য অঙ্গের সাথে লেগে যেতে পারে। যার ফলে সিজারের সময় সেই অঙ্গের কাটা পড়ার সম্ভাবনা থাকে। এই কারণে আবার সার্জারি করার প্রয়োজন পড়তে পারে। মূত্রথলীর ক্ষতি সিজারিয়ানের আরেকটি কমন ঝুঁকি হলো মূত্রথলীর ক্ষতি বা ব্লাডার ইনজুরি। ব্লাডার ইনজুরি প্রথম সিজারের ক্ষেত্রেও হতে পারে তবে এর সম্ভাবনা খুব কম। তবে প্রতিবার সিজার করার সাথে সাথে এর ঝুঁকি বাড়তে থাকে। দেরি সুস্থ হওয়া সাধারণ প্রসবের থেকে সিজারিয়ানের ক্ষেত্রে সেড়ে উঠতে বেশী সময় লাগে। সিজারের সংখ্যা বাড়ার সাথে এই সেড়ে ওঠার সময় ও বাড়তে থাকে। এছাড়া একাধিকবার সিজার করা হলে তা শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কমতে থাকে। রক্ত জমাট বাঁধা সিজারের একটি সাধারণ ঝুঁকি হলো রক্ত জমাট বাঁধা। এটাই সম্ভবত সবচাইতে ভয়ের কারণ একই সাথে মাতৃ মৃত্যুর কারণও। রক্ত জমাট বাঁধার কারণে পা ফুলে যেতে পারে এবং ব্যথা হতে পারে। প্লাসেন্টার সমস্যা সিজার করার ফলে প্লাসেন্টা প্রিভিয়া, প্লাসেন্টা অ্যাক্রিটা এবং প্লাসেন্টাল অ্যাবরাপশন এর সমস্যাগুলো হওয়ার সম্ভাবনা থাকে
প্রস্রাবের পর সাদা বীর্যপাত হওয়ার কারন? -------------------------------------------------------- অনেকেই এমন সমস্যা আছে যে, প্রস্রাবের পর সাদা পাতলা বীর্য বের হয়। মলমুত্রের শেষে সাদা আস্তরণ পরে। এটি স্বাভাবিক একটা বিষয় কারণ আমাদের টেস্টিকলে বীর্য প্রতিনিয়ত উত্‍পন্ন হচ্ছে। এই ধরনের সমস্যা কে ধাতু দূর্বলতা বলে। আসুন জেনে নেয়া যাক ধাতু দূর্বলতার কারণ ও প্রতিকার কি? ধাতু দৌর্বল্য (Spermatorrhoea) কি: অনৈচ্ছিক বীর্যপাতের নামই হলো ধাতু দূর্বলতা হলো ইচ্ছা, উত্তেজনা, নাড়াচাড়া ছাড়াই পেশাবের আগে বা পরে পুরুষাঙ্গ হতে বীর্য বের হওয়া, অথবা পেশাবের সাথে বা কঠোর মেহনত, বোঝা উত্তোলন অথবা উত্তেজনা আসার দ্বারা কিংবা মহিলাকে স্পর্শ করার দ্বারা বীর্যপাত হয়। আবার অনেক সময় জোর খাটানোর সময় বীর্যপাত হয়ে যায়। তদ্রুপভাবে ঘুমে গেলে বীর্যপাত হয়। ধাতু বা বীর্য যেহেতু শরীরের রূহ বলা হয়ে থাকে, সেহেতু বীর্যপাত হওয়ার দ্বারা শরীরে অলসতা ও ধাতু দূর্বলতা দেখা দেয়। এমনকি কোমরে ব্যথাও অনুভব হয়। ধাতু দূর্বলতা: সবচেয়ে ক্ষতিকর দিক হলো মাথার ব্রেণে দুর্বলতা প্রকাশ পায়। চেহারা শুকিয়ে যায়। শারীরিক দুর্বলতাও ব্যাপকভাবে প্রকাশ পায়। কোনো কাজেই ভালো লাগে না। সব কাজেই বিরক্তি বিরক্তি ভাব দেখা দেয়। সব সময় মনে চায় যদি শুয়ে থাকতে পারতাম। মহিলাদের প্রতি যৌন আকর্ষণ হ্রাস পেতে পেতে এক সময় তাদের প্রতি কোনো চাহিদাই জাগে না। কারো সাথে মেলা-মেশা, কথাবার্তা বলতেও ভালো লাগে না। নীরব ও অন্ধকার লাগে। একাকী ও নির্জনতা পছন্দ হয়। কারো কারো অবস্থা এমন করুণ হয়ে দাড়াঁইয়, যার কারণে আত্মহত্যার জন্যও প্রস্তুতি নেয়। এসব কেবল ধাতু দুর্বলতার কারণে হয়ে থাকে। ধাতু দুর্বলতা রোগের কারণঃ ধাতু দুর্বলতার অনেক কারণ আছে। তন্মধ্যে নিম্মোক্ত কারণগুলো বেশিরভাগ লোকদের মাঝে পাওয়া যায়। ১. উত্তেজনার বশিভুত হয়ে হস্তমৈথুন করে বীর্যপাত ঘটানো। ২. সমকামিতার মাধ্যমে বীর্যপাত ঘটানো। ৩. সব সময় পেটের অসুখ লেগে থাকার কারণে ধাতু দূর্বলতা হয়। ৪. কতক সময় অধিক গরম ও বিলম্বে হজম হয় এম খাদ্য খাওয়ার দ্বারা। ৫. ভরপেটে সহবাস করার দ্বারা ধাতু দূর্বলতার দেখা দেয়। ৬. অশ্লীল, যৌন উদ্দীপক ছবি দেখার দ্বারা বীর্যপাত হয়ে থাকে। আর এসব কারণেই বেশিরভাগ ধাতু দুর্বলতা রোগ সৃষ্টি হয়ে থাকে। ধাতু দূর্বলতার সমস্যা ও সমাধান প্রত্যহ প্রাত:কালে অর্ধ পোয়া পরিমাণ ছোট পিয়াঁজ কুচি লবন চূর্নসহ চিবাইয়া খাইয়া আধা সের পরিমান কাচাঁ দুধ পান করিবেন ২/৩ সপ্তাহ এ ঔষধ সেবনে শুক্র গাড় ও তিশক্তি বৃদ্বি হইবে এবং ধাতু দূর্বলতা দূর হবে। পূর্ব দিন রাত্রে সামান্য একটু পানিতে অর্ধ ছটাক পরিমান ইছুবগুল ভিজাইয়া রখিবেন। পরদিন প্রাত:কালে ইহার সহিত ১ পোয়া ছাগলের কাচাঁ দুধ ও কিছু চিনি মিশাইয়া, বাসি পেটে সেবন করিবেন। নিয়মিত এ ঔষধ ২/৩ সপ্তাহ সেবন করিলে বলবীর্য অত্যাধিক বৃদ্বি পাইবে এবং ধাতু দূর্বলতার আস্তে আস্তে সম্পাপ্তি ঘটবে। শুকনো আমলকী ৫০ গ্রাম উত্তমরুপে চূর্ন করে পরিস্কার কাপড়ে ছেকে নিতে হবে এবং কিছু পরিমান আমলকি পিষে রস বাহির করে নিতে হবে। ঐ আমলকী রসের সহিত আমলকি গুড়া উত্তমরুপে মিশাইয়া অল্প আঁচে শুকাইয়া পুনরায় রৌদ্রে শুকাইয়া, শুস্ক করে নিতে হইবে। এবার ঐ চূর্নের সহিত মিছরি গুড়া করে পরিমান মতো মধু নিয়ে প্রত্যহ সকালে সেবন করিলে নপুংসকতা নাশ হয়। তিন তোলা পরিমাণ ছোলাবুট রাত্রে ধুইয়া ভিজাইয়া রাখিনে সকাল বেলা ঘুম হইতে উঠে হাত মুখ ধুয়ে খালী পেটে চিবাইয়া খাইবেন। এই ভাবে একাধারে অন্তত একমাস খাইলে পরে ধাতু দৌর্বল্য রোগ আরোগ্য হয়। কৃষ্ণতিলা ও আমলকী সমপরিমানে চূর্ন করিয়া উত্তমরুপে ছেপে নিবেন, প্রত্যহ রাত্রে শয়নকালে ১ তোলা পরিমান চূর্ন মুখে দিয়া এক গ্লাস ঠান্ডা পানি পান করিবেন। এইভাবে ২১ দিন নিয়মিত পান করিলে আপনার গোপন সমস্যা সমাধান হবে। আম, জাম, ও তেঁতুলের বীজ সমান পরিমান নিয়া উত্তমরুপে চূর্ন করিতে হইবে। প্রত্যহ রাত্রে শয়নকালে ১ তোলা পরিমান চূর্ন মুখে দিয়া এক গ্লাস ঠান্ডা পানি পান করিবেন। এই ভাবে ৩ সপ্তাহ সেবন করলে আপনার ধাতু দূর্বলতাসহ গোপন সমস্যা সমাধান হবেই। প্রতি রাতে শোয়ার পূর্বে এক কোয়া পিয়াজ দশটি কালো জিরার সাথে চিবিয়ে খেলে ৮০ বছর বয়স পর্যন্ত যৌবন শক্তি বহাল থাকে। পুরাতন আম গাছের ছাল আগের দিন আধা গ্লাস পরিমান পানিতে ভিজিয়ে রেখে পরের দিন সকালে খালী পেটে সমপরিমানে গরুর কাচাঁ দুধ দিয়ে পান করলে আপনার গোপন সমস্যা ভালো হবে এবং ধাতু দূর্বলতাও দূর হবে। কেউ যদি যৌনরোগে ভূগেন। এই রোগ দেখা দেওয়ার পূর্বে বহু হস্তমৈথুন করেছেন। বর্তমানে ধজভঙ্গ হয়ে গেছে। প্রসাবের বেগ হলে ২/১ মিনিট ধারণ করতে পারেন না। প্রসাবে জ্বালা পোড়া হয়। কোমর ব্যথা করে। পায়খানা ও প্রাসাব কালে ধাতু যায়। শরীর দুর্বল। তাহলে আপনে নিয়মিত ভাবে তা হলে আপনি সকালে খালী পেটে ইসুপগুলের ভুশি ১ চামচ শতমুল ১ চামচ তালমাখা ১ চামচ শিমগাছের মূল ১ চামচ খাবেন ৪৫ দিন তার পরে আপনি দেখতে পারবে ফলাফল আপনার চোখের সমনে চলপ আসবে আপনাদের যে কোন যৌন রোগ ও জটিল ও কঠিন রোগের চিকিৎসা ও পরামর্শ জন্য আমাদের পেইজে লাইক দিন অথবা আমাদের ইনবক্সে যোগাযোগ করুন বিঃ দ্রঃ এখানে নারী ও পুরুষের গোপন রোগ সহ জটিল ও কঠিন রোগের চিকিৎসা করা হয় দেশে ও বিদেশে ঔষধ পাঠানো হয় মোবাইল ইমু 01636933143 আমাদের পোস্ট শেয়ার ও লাইক দিয়ে আপনাদের মতামত জানান
মাজুফল একটি ঔষধি গুণসম্পন্ন ফল ভার্জিনা টাইটিং,ব্রেস্ট টাইটিনিং আর পিম্ আর ব্রন, ব্রনের গর্ত সহ চলে যায়! মাজুফল একটি ঔষধি গুণসম্পন্ন ফল যা স্কিন, ভ্যজিনা, ব্রেস্ট টাইটেনিং এর জন্য অনেক আগে থেকে কোরিয়া /চায়নার মহিলারা ব্যবহার করে আসছে। এন্টি এজিং থেকে শুরু করে ব্রেস্ট ক্যন্সার প্রতিরোধ ক্ষমতা আছে এই ফলের। আপনারা গুগলে সার্চ দিয়ে দেখতে পারেন বিশ্বের নামীদামী টাইটেনিং ক্রিমগুলো তৈরির মূল উপাদান হিসেবে এই ফল ব্যবহার করা হয়। আপুরা মাজুফল নিতে চাইলে ইনবক্স করবেন, । বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ব্যাপকভাবে "Majufol" এর ব্যবহার রয়েছে। যদিও এটা বেশ দূর্লভ ও আমাদের দেশে পাওয়া যায় না কিন্ত এটি এমন এক যাদুকরী ফল যা ব্যবহারে আপনাকে ইনস্ট্যান্ট রেজাল্ট দিবে অবাক করার মত। ব্যাবহারবিধি: 7/8 টা ফল গুড়ো করে এক গ্লাস পানিতে অল্প আচে সিদ্ধ করে পানিটা অর্ধেক পরিমাণ করে নিতে হবে।পানিটা ঠাণ্ডা করে জারে সংরক্ষন করে ব্যাবহার করতে হবে।এই পানিটা ফ্রিজে রেখে অনেকদিন ইউজ করা যায়। . Uses: -VAGINA TIGHTENNING : পৃথীবির বিভিন্ন দেশের এটি ব্যাপক ব্যাবহার রয়েছে instant vagina tightening agent হিসেবে। কটন বল বা তুলা এই পানিতে ভিজিয়ে সেটা vagina তে ২০ মিনিট রেখে দিলে ইনস্ট্যান্ট VAGINA tight হয়ে যাবে।এভাবে পরপর ৭ দিন ব্যাবহার করলেই vagina আগের অবস্থায় ফিরে আসবে। . বাচ্চা হউয়ার পর এটা এভাবে কয়েকদিন ব্যাবহারের ফলে vagina পুরোপুরি আগের অবস্থায় ফিরে আসে। . -বয়সের ছাপ দুরীকরন: এই পানিটা নিয়ে মুখে ৫ মিনিট লাগিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে।এভাবে অল্পদিন ব্যবহারেরই স্কিন টানটান হয়ে বয়সের ছাপ দ্রুত দূর করে দেয় . -মুখের ছোট ছোত গর্ত দূর করে -প্রথম ব্যাবহারেই ফেইসের স্কীন মসৃণ করে। -সাদাস্রাব দূরীকরণঃ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মেয়েদের একটি অত্যন্ত কমন একটি সমস্যা সাদাস্রাব দূর করতে মাজুফলের ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে। এটির পানি তুলার মাধ্যমে কিছুদিন নিয়মিত ব্যবহারে এই সমস্যার প্রতিকার মেলে। ব্রন প্রতিরোধ করে: এটি antibacterial agent.যার কারনে এটি ব্যাবহারে ব্রনের সমস্যা দূর হয়। . -BREAST TIGHTENNING : একইভাবে এটি breast এ use এর ফলে অল্পদিনেই আপনার breast এর skin পুরোপুরি tight হয়ে যাবে। -মাতৃত্বকালীন দাগ প্রতিরোধঃ মহিলাদের বাচ্চা প্রসবের পর পেটে মাতৃত্বকালীন যে দাগ দেখা যায়, তা সম্পুর্ণ রুপে দূর করতে এই ফলের ব্যপক ব্যবহার রয়েছে। -দাঁত ব্যথা দূরীকরণঃ পুরুষ এবং মহিলা উভয়ের দাঁত ব্যথা দূর করতেও এই ফলের প্রচলন আছে। এই ফলের গুঁড়ো দিয়ে কিছুদিন ঘুমানোর আগে দাঁত ব্রাশ করলে দাঁত ব্যথা পুরোপুরি ভালো হয়। Side effect: প্রেগন্যান্ট ও পিরিওড চলা অবস্থায় এটি vagina তে use করা যাবে না। মাজু ফলের ব্যবহার করার নিয়ম জানতে হলে আমাদের ইনবক্সে যোগাযোগ করুন কবিরাজ সঞ্জয় দত্ত ডি এ এম এস ঢাকা আয়ুর্বেদিক কলেজ গভঃ রেজিষ্ট্রেশন নং ৩২২০ঢাকা আয়ুর্বেদিক চেম্বার সাধনা ঔষধালয় বাসাবো খিলগাঁও ঢাকা মোবাইল 01636933143 এখানে নারী ও পুরুষের সকল রোগের চিকিৎসা করা হয় দেশে ও বিদেশে ঔষধ পাঠানো হয়
আমাদের এখানে নারী ও পুরুষের সকল গোপন ও যৌন রোগ সহ জটিল ও কঠিন রোগের চিকিৎসা ও পরামর্শ দেওয়ার হয় 01636933143
আপনাদের আশির্বাদের আজ আমাদের পেইজে লাইক ৪ হাজার হয়ে ছে আপনারা আমাদের সাথে থাকার জন্য আমাদের
আপনাদের যে কোন রোগের চিকিৎসা ও পরামর্শ জন্য আমাদের নাম্বারে যোগাযোগ করুন 01636933143
কেমন আছেন আপনরা

আয়ুর্বেদিক এন্ড হারবাল চিকিৎসা সাধনা ঔষধালয়

সিজারিয়ান পদ্ধতিতে কতবার ডেলিভারি করা যাবে তা জরায়ুর অবস্থা, মূত্রাশয়ের অবস্থা, জরায়ুর আশপাশের অর্গানগুলোর সঙ্গে জরায়ু কতটা জড়িয়েছে তার ওপর নির্ভর করে। স্বাভাবিক ডেলিভারি ঝুঁকিপূর্ণ হলে মা ও শিশুর সুস্থতার জন্য সিজারিয়ান পদ্ধতি অবলম্বন করা হয়। তবে তিন বারের বেশি সিজার করা নিরাপদ নয়। অধিক সিজারের ফলে বেশ কিছু জটিলতাসহ কিছু ঝুঁকি থাকে।

সিজার কেন করা হয়?

অনেক সময় দেখা যায় নির্দিষ্ট সময় পার হওয়ার পরও প্রসব ব্যথা শুরু না হলে।

গর্ভে থাকা অবস্থায় কোনো কারণে যদি শিশুর স্বাস্থ্যের অবনতি হয়।

প্রসব ব্যথা ৮-১২ ঘণ্টা অতিবাহিত হওয়ার পরেও যদি প্রসবের উন্নতি না হয়। প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়ে মা ও শিশুর জীবনের ঝুঁকি থাকলে

গর্ভফুলের অবস্থান জরায়ুর মুখে থাকলে। এছাড়া গর্ভের শিশুটি যদি অস্বাভাবিক অবস্থানে থাকে।

প্রথম এক বা দুটি শিশুর জন্ম যদি সিজারিয়ান পদ্ধতিতে হয়ে থাকে। এসকল ক্ষেত্রে শিশু জন্মের জন্য সিজারিয়ান পদ্ধতিতে ডেলিভারি করা হয়ে থাকে।

কিছু জটিলতা

প্রসবে জটিলতা

প্রতিটি সিজারিয়ানের সাথে সাথে প্রসবের ঝুঁকি বাড়তে থাকে। বেড়ে যায় প্রসবের সময়। একটি সিজারিয়ান এর আগের বারের চাইতে বেশী সময় লাগতে পারে। কারণ সিজারিয়ান করা হলে মায়ের উদরে ক্ষত সৃষ্টি হয়এর ফলে অপারেশনের সময় ঘণ্টা ছাড়িয়ে যেতে পারে।

অতিরিক্ত রক্তপাত

যেকোনো সিজারই নরমাল ডেলিভারির চাইতে রক্তপাত বেশী হয়। কিন্তু সিজারের সংখ্যা বাড়ার সাথে সাথে এর ঝুঁকি বাড়তে থাকে। দ্বিতীয় সিজারিয়ানের ক্ষেত্রে ৩.৩ ভাগ মায়ের এবং তৃতীয় সিজারিয়ানের ক্ষেত্রে তা বেড়ে ৭.৯ ভাগ মায়ের হতে পারে।

অতিরিক্ত সার্জারি

সিজারের সাথে অতিরিক্ত কিছু অপারেশনের প্রয়োজন পড়তে পারে। প্রতিবার সিজারিয়ানের সাথে সাথে মায়ের জরায়ুতে ক্ষতের সংখ্যা বাড়তে থাকে। অনেক সময় এসব ক্ষত শরীরের অন্য অঙ্গের সাথে লেগে যেতে পারে। যার ফলে সিজারের সময় সেই অঙ্গের কাটা পড়ার সম্ভাবনা থাকে। এই কারণে আবার সার্জারি করার প্রয়োজন পড়তে পারে।

মূত্রথলীর ক্ষতি

সিজারিয়ানের আরেকটি কমন ঝুঁকি হলো মূত্রথলীর ক্ষতি বা ব্লাডার ইনজুরি। ব্লাডার ইনজুরি প্রথম সিজারের ক্ষেত্রেও হতে পারে তবে এর সম্ভাবনা খুব কম। তবে প্রতিবার সিজার করার সাথে সাথে এর ঝুঁকি বাড়তে থাকে।

দেরি সুস্থ হওয়া

সাধারণ প্রসবের থেকে সিজারিয়ানের ক্ষেত্রে সেড়ে উঠতে বেশী সময় লাগে। সিজারের সংখ্যা বাড়ার সাথে এই সেড়ে ওঠার সময় ও বাড়তে থাকে। এছাড়া একাধিকবার সিজার করা হলে তা শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কমতে থাকে।

রক্ত জমাট বাঁধা

সিজারের একটি সাধারণ ঝুঁকি হলো রক্ত জমাট বাঁধা। এটাই সম্ভবত সবচাইতে ভয়ের কারণ একই সাথে মাতৃ মৃত্যুর কারণও। রক্ত জমাট বাঁধার কারণে পা ফুলে যেতে পারে এবং ব্যথা হতে পারে।

প্লাসেন্টার সমস্যা

সিজার করার ফলে প্লাসেন্টা প্রিভিয়া, প্লাসেন্টা অ্যাক্রিটা এবং প্লাসেন্টাল অ্যাবরাপশন এর সমস্যাগুলো হওয়ার সম্ভাবনা থাকে
?????...?

. ঘুম থেকে উঠেই নিশ্চয়ই দাঁত ব্রাশ করতে যান? ব্রাশ করা শেষ হলে সামান্য একটু মুলতানি মাটি ও চন্দন গুঁড়ো হাতে নিন। অল্প অল্প পানির সাথে মিশিয়ে মুখ, গলায়, ঠোঁটে ব্যবহার করুন। ২/৩ মিনিট ম্যাসাজ করে ধুয়ে ফেলুন। প্রয়োজনে এরপর ফেসওয়াশ ব্যবহার করতে পারেন। এই ম্যাসাজ জরুরী। এতে মুখে রক্ত সঞ্চালন বাড়বে। আপনার ত্বক উজ্জ্বল ও গোলাপি দেখাবে।

২. সকাল বেলা অবশ্যই খালি পেটে এক গ্লাস উষ্ণ পানি পান করবেন। এর বেশি নয়। কারণ বেশি খেলে হিতে বিপরীত হতে পারে। সারাদিনে প্রচুর পানি পান করবেন, সাথে ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল বা ফলের রস। রাতে যদি ঘুম ভাঙে, তখনও অল্প অল্প করে পানি পান করবেন। বরফ শীতল পানি পরিহার করবেন।

আরো পড়ুন : নিরামিষাশী হওয়ার স্বাস্থ্যকর উপায়

৩. সকালে মুখ ধুয়ে ভালো করে মুছে নিন। এরপর ব্যবহার করুন একটি ভালো ময়েশ্চারাইজার ক্রিম। আপনার ত্বকে যা স্যুট করে সেটাই ব্যবহার করবেন। দিনে দুবার অন্তত। পরিষ্কার ত্বকে ক্রিম খুব ভালো কাজ করে। তাই মুখ মুছেই সাথে সাথে দিন।

৪. ময়েশ্চারাইজার ক্রিমের উপরে হালকা একটু পাউডার বুলিয়ে নিতে পারেন। এতে সারাদিন ত্বক উজ্জ্বল দেখাবে ও তেলতেলে ভাব হবে না। মনে রাখবেন, মুখ তেলতেলে হয়ে গেলেও কালো ও নোংরা দেখায়। যাদের ত্বক খুব বেশি তেলতেলে, তারা ক্রিম ব্যবহারের পর এক টুকরো বরফ মুখে ঘষে নিতে পারেন। আর হ্যাঁ, বাইরে যাবার আগে সানস্ক্রিন কিন্তু ব্যবহার করতেই হবে।

৫. যেহেতু মেকআপ করবেন না, তাই মাসকারা বা আইলাইনার ব্যবহারের প্রশ্নই আসে না। কিন্তু আকর্ষণীয় দেখাতে চোখের পাপড়িও সুন্দর হওয়া জরুরী। সামান্য একটু ভ্যাসেলিন নিন, চোখের পাপড়িতে মেখে নিন। এবার হাত দিয়ে বা কারলার দিয়ে পাপড়ি কার্ল করে নিন। মুহূর্তেই চেহারা আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে।

আরো পড়ুন : ডায়াপারে র‍্যাশ দেখা দিচ্ছে শিশুর?

৬. লিপস্টিক বা লিপগ্লস ব্যবহার করবেন না যদি পেতে চান ন্যাচারাল লুক। বরং রোজ লিপবাম কিনে নিন হালকা গোলাপি রঙের। সেটাই ঠোঁটে অল্প পরিমাণে একটু ম্যাসাজ সহকারে ব্যবহার করুন। ঠোঁট হবে এমনিতেই আকর্ষণীয়।

৭. ভ্রু সুন্দর করে শেপ করা আছে কিনা খেয়াল করুন। প্রয়োজনে দুই/একটি চুল টিজার দিয়ে তুলে ফেলে ভ্রু শেপ করে নিন। ভ্রু এলোমেলো থাকলে মুখকেও নোংরা মনে হয়।

৮. ব্যাগে সবসময়ে ফেস ওয়াইপার রাখুন। মুখ বেশি তেলতেলে বা নোংরা মনে হলে হালকা করে ওয়াইপ করে নিন। দেখবেন তেল ও ময়লা সরে যাবে।

৯. চুল পরিষ্কার রাখুন। প্রয়োজনে প্রতিদিন শ্যাম্পু করুন। চেহারা সুন্দর দেখাতে সুন্দর দাঁতের মতোই সুন্দর চুলও অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। তেল চিটচিটে চুলে চেহারার সকল আকর্ষণ হারিয়ে যায়।

১০. অন্তত ৮ ঘণ্টা রোজ রাতে ঘুমাতে হবে। ঘুম না হলে কোন রূপচর্চাতেই চেহারা সুন্দর হয়ে উঠবে না। মনে রাখবেন, ভেতর থেকে আসে যা, সেটাই আসল সৌন্দর্য। আর হাসি আপনার সকল খুঁত চাপা দিয়ে দেয়। তাই নিজের দিকে মনযোগ দিন, হাসতে থাকুন, চেহারা নিজে থেকেই উজ্জ্বল হয়ে উঠবে।

বলা বাহুল্য যে আল্লাহরই ইচ্ছানুযায়ী মানব বংশ বিস্তার ও তার জন্য দাম্পত্য ও পারিবারিক জীবন যাপনের উদ্দেশ্যে স্বামীকে-স্ত্রীকে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে একটি শান্ত, নিরালা ও সুশৃঙখল পরিবেশের সৃষ্টি করতে হয় এবং এজন্য স্বামী-স্ত্রী দুজনকেই যথাযথভাবে আপনাপন কর্তব্যসমূহ সাধন করতে হয়।
সহবাসের স্বাভাবিক পন্থা হলো এই যে, স্বামী উপরে থাকবে আর স্ত্রী নিচে থাকবে। প্রত্যেক প্রাণীর ক্ষেত্রেও এই স্বাভাবিক পন্থা পরিলক্ষতি হয়। সর্বপরি এ দিকেই অত্যন্ত সুক্ষভাবে ইঙ্গিত করা হয়েছে আল কুরআনেও। আর স্বামী যখন স্ত্রীর উপরে থাকবে তখন স্বামীর শরীর দ্বারা স্ত্রীর শরীর ঢাকা পড়বে। এতে স্ত্রীরও কষ্ট সহ্য করতে হয়না এবং গর্ভধারণের জন্যেও তা উপকারী ও সহায়ক। কাজেই স্বামী স্ত্রী সহবাস করার সময় কিছু নিয়ম কানুন মেনে চলতে হয়।

তাহলে জেনে নেই বিশেষ কিছু নিয়মগুলি-

১. সহবাসের প্রথমে দোয়া পড়বেন (স্ত্রী সহবাসের দোয়া)। তারপর স্ত্রীকে আলিঙ্গন করবেন। তখন বিসমিল্লাহ বলে শুরু করবেন।

২. সহবাস করার সময় নিজের স্ত্রীর রূপ দর্শন শরীর স্পর্শন ও সহবাসের সুফলের প্রতি মনো নিবেশ করা ছাড়া অন্য কোনো সুন্দরি স্ত্রী লোকের বা অন্য সুন্দরী বালিকার রুপের কল্পনা করবে না। তার সাথে মিলন সুখের চিন্তা করবেন না। স্ত্রীরও তাই করা উচিৎ।

৩. স্ত্রী যদি ইচ্ছা হয় তখন তাকে ভালোবাসা দিবে এবং আদর সোহাগ দিবে। চুম্বন দিবে। তখন উভয়ের মনের পূর্ণ আশা হবে সহবাস।

৪. রাত্রি দ্বি-প্রহরের আগে সহবাস করবে না।

৫. ফলবান গাছের নিচে স্ত্রী সহবাস করবে না।

৬. রবিবারে সহবাস করবেন না।

৭. চন্দ্র মাসের প্রথম এবং পনের তারিখ রাতে স্ত্রী সহবাস করবেন না।

৮. স্ত্রীর হায়েজ-নেফাসের সময় বা উভয়ের অসুখের সময় সহবাস করবেন না।

৯. বুধবারের রাত্রে স্ত্রীর সহবাস করবেন না।

১০. জোহরের নামাজের পরে স্ত্রী সহবাস করবেন না। ভরা পেটে স্ত্রী সহবাস করবেন না।

১১. উল্টাভাবে স্ত্রী সহবাস করবেন না। স্বপ্নদোষের পর গোসল না করে স্ত্রী সহবাস করবেন না।

১২. পূর্ব-পশ্চিমদিকে শুয়ে স্ত্রী সহবাস করবেন না।

১৩. বিদেশ যাওয়ার আগের রাতে স্ত্রী সহবাস করবেন না।

১৪. স্ত্রীর জরায়ু দিকে চেয়ে সহবাস করবেন না। ইহাতে চোখের জ্যোতি নষ্ট হয়ে যায়।

১৫. সহবাসের সময় স্ত্রীর সহিত বেশি কথা বলবেন না এবং নাপাক শরীরে স্ত্রী সহবাস কবেন না। উলঙ্গ হয়ে কাপড় ছাড়া অবস্থায় স্ত্রী সহবাস করবেন না।

সাধনা ঔষধালয়

আপনি কি বিবাহিত কিন্তু
আপনি নিঃ সন্তান বন্ধাত্ব
তা হলে এই পোস্ট টি আপনার জন্য
আপনার কি অনিয়মিত মাসিক হয় ৩/৪ মাস পর পর মাসিক হয়
তা ও আপবার পরিমানে অল্প হয় তল পেটে ব্যাথা
আপনি নিশ্চিত রক্ত জবাফুল সেবন করতে পারেন

দেখতে অনেকটাই সাদামাটা ধরনের আর গন্ধহীন। কিন্তু জবা ফুলের রয়েছে অসাধারণ কিছু স্বাস্থ্য উপকারিতা।

উদ্ভিদের নাম: জবা।

উদ্ভিদের পরিচয়ঃ জবা ঝোপ জাতীয় গাছ। সাত আট ফুট উচ্চতায় হয়ে থাকে। এই গাছের ফুল নানা রঙ্গের হয়ে থাকে । জবা ফুল ঠোঙ্গা আকৃতি, পঞ্চমুখি ও থোকা আকারের হয়ে থাকে।

স্থানীয় নামঃ জবা।

বৈজ্ঞানিক নামঃ Hibiscus rosa-Sinensis Linn.

ব্যবহৃত অংশঃ ফুল, পাপড়ি ও গাছের ছাল।

ঔষধি গুনাগুণঃ

ঔষধি গুনাগুণ সমৃদ্ধ জবা ফুলে আমাদের অনেক রোগের ঔষধ হিসাবে ব্যবহার করি যেমন: বমনের প্রয়োজনে, অনিয়মিত মাসিকের স্রাব, মাসিক ঋতুর অতিস্রাবে, চোখ উঠা, মাথায় টাক পোকা, হাতের তালুতে চামড়া উঠা ইত্যাদি।
ব্যবহারঃ

বমি করতে চাইলেঃ

অসাত্ম্য দ্রব্য খেয়ে ফললে যদি বমি করার প্রয়োজন হয়, যেমন অজান্তে মাছি, চুল অথবা এই ধরনের কোন জিনিস পেটে গিয়েছে, এর পরিণতিতে বমির উদ্রেগ হয়, অথচ বমি হচ্ছে না; এক্ষেত্রে ৪/৫ টি জবা ফুল নিয়ে বোঁটার সঙ্গে যে সবুজ ক্যালিকাস অংশ থাকে, এই অংশ টাকে বাদ দিয়ে ফুল অংশটাকে পানি ও চিনি পরিমাণমত দিয়ে চটকে সরবত করে দিনে ২/১ বার খেলে বমি হয়ে পেট থেকে ওগুলি সব বেরিয়ে যাবে।

ঘন প্রস্রাব বন্ধ করতেঃ

বেশি পরিমাণে পানি পান করে আবার ঘন ঘন প্রস্রাব করে অথচ ডায়াবেটিস রোগী নয়, এই ক্ষেত্রে জবা গাছের ছালের রস এক কাপ পানির সাথে পরিমাণমত চিনিসহ মিশিয়ে ৭/৮ দিন খেলে উপকার পাওয়া যায়।

অনিয়মিত মাসিকের স্রাবঃ

দুই এক দিন একটু একটু হয়, আবার সময় হয়ে গিয়েছে আদৌ হয়না আবার হয়তো এক মাস বন্ধ হয়ে থাকলো, এ ক্ষেত্রে দু তিনটি পঞ্চমুখী জবা ফুলের কুঁড়ি ও ৩/৪ ইঞ্চি দারুচিনি আধা অথবা এক গ্রাম এক সঙ্গে বেটে সরবত করে কয়েকদিন খেতে হয়। রসের সাথে এক গ্লাস পরিমাণ পানি মিশিয়ে সকালে কিছু খাওয়ার পর ঋতুকালীন সময়ে দিনে একবার করে ৩/৪ দিন মাসিক স্বাভাবিক হওয়া অবধি খেতে হবে।

বয়স ধীর গতিতে বৃদ্ধিঃ

অ্যান্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ জবা ফুল শুধু ক্যান্সার প্রতিরোধই করে না নিয়মিত এই জবা ফুল আহারে আমাদের বয়স বাড়ার প্রবণতাকে ধীর গতি সম্পন্ন করে তুলতে সহয়তা করে। ফলে এই জবা ফুল একজনকে চিরযৌবন এনে দিতে পারে।

ব্রণ থেকে মুক্তির উপায়ঃ

আমাদের দেশে ব্রণের একিট সাধারণ সমস্যা। বিভিন্ন ব্রণ প্রতিরোধক উপকরণেও এটি উপশম করা সম্ভব হয় না। এর জন্য প্রাকৃতিক গুণসম্পন্ন জবা ফুল অনেক উপকারী। কেননা প্রাকৃতিক অ্যান্টি ইনফ্ল্যামাটরি উপাদান এবং ভিটামিন সি সমৃদ্ধ এই জবা ফুল ব্রণের সমস্যা প্রাকৃতিকভাবেই নির্মূল করে থাকে।

হজমে সহায়তাঃ

প্রতিদিন সকালে খালি পেটে নিয়ম করে এই জবা ফুল খেলে শরীরের বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ করে এবং হজমক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে শারীরিকভাবে সুস্থ রাখে। জবা ফুল হজমেও সহায়তা করে।

চুল পড়া বন্ধ করেঃ

প্রাকৃতিক গুণসম্পন্ন এই জবা ফুল চুলে বিভিন্ন পুষ্টি প্রদান করে চুল পড়া বন্ধ করে এবং চুলের স্বাস্থ্য রক্ষা করে উজ্জ্বল আর ঝলমলে করে তোলে। নারিকেল তেলের সাথে জবা ফুল মিশিয়ে চুলে ব্যবহার করলে চুল কালো হয় এবং চুলের স্বাস্থ্য রক্ষা পায়। প্রাকৃতিকভাবেই এই ফুলটি রোদের তাপে চুল ধূসর হয়ে যাওয়া থেকে বাঁচায়।

স্কাল্পের চুলকানি কমায়ঃ

জবা ফুলে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন এ, সি। যা স্কাল্পের চুলকানি রোধে সাহায্য করে। এছাড়া স্কাল্পের যেকোনো সমস্যা রোধে জবা ফুলের বিকল্প নেই। অল্প পানিতে কয়েকটি জবা ফুল সিদ্ধ করতে হবে। তারপর সেই পানি ঠান্ডা হলে চুলে লাগাতে হবে। এর ফলে দেখবেন স্কাল্পের চুলকানি কমে গেছে।

চুল কালো করেঃ

নারিকেল তেলের সাথে জবা ফুল মিশিয়ে চুলে ব্যবহার করলে চুল কালো হয় এবং চুলের স্বাস্থ্য রক্ষা পায়। প্রাকৃতিকভাবেই এই ফুলটি রোদের তাপে চুল ধূসর হয়ে যাওয়া থেকে বাঁচায়।

শারীরিক শক্তি বৃদ্ধি করেঃ

অ্যান্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ জবা ফুল দেহের শারীরিক শক্তি বৃদ্ধি করে এবং প্রাকৃতিক শারীরিক সুস্থতা প্রদান করে।

টাক পোকা রোগঃ

চুল স্বাভাবিক আছে অথচ ফাঙ্গাসে কিছু জায়গা চুল উঠে টাক হয়ে গেছে এ অবস্থায় জবাফুল বেটে ওখানে লাগালে কিছু দিনের মধ্যে চুল উঠে যাবে। এক /দুইটা ফুল বেটে ৭/৮ দিন যে কোনো সময় লাগাতে হবে এবং দুই/এক ঘণ্টা রাখতে হবে অথবা যতক্ষণ সম্ভব রাখতে হবে।

চোখ উঠাঃ

চোখের কোণে ক্ষত হয়ে পুঁজ পড়ছে। সে ক্ষেত্রে জবা ফুল বেটে চোখের ভিতরটা বাদ দিয়ে চোখের উপর ও নিচের পাতায় গোল করে লাগিয়ে দিলে উপকার পাওয়া যায়। দিনের যে কোনো সময় এক /দুইটা ফুল বেটে ৭/৮ দিন লাগাতে হবে এবং এক ঘন্টা রাখতে হবে।

হাতের তালুতে চামড়া উঠাঃ

শীত কালে হাতের তালুতে চামড়া উঠে খসখসে হয়ে গেলে জবা ফুল তালুতে মাখলে খুব উপকার পাওয়া যায়। দিনে দুই তিন বার এক /দুইটা ফুল হাতের মধ্যেই ডলে ডলে লাগাতে হবে । লাগিয়ে স্বাভাবিক কাজ কর্ম করা যাবে। যতক্ষণ সম্ভব রাখতে হব ।

শারীরিক শক্তি বৃদ্ধি করেঃ

অ্যান্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ জবা ফুল দেহের শারীরিক শক্তি বৃদ্ধি করে এবং প্রাকৃতিক শারীরিক সুস্থতা প্রদান করে।

বয়স ধীর গতিতে বৃদ্ধি পায়ঃ

অ্যান্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ জবা ফুল শুধু ক্যান্সার প্রতিরোধই করে না নিয়মিত এই জবা ফুল আহারে আমাদের বয়স বাড়ার প্রবণতাকে ধীর গতি সম্পন্ন করে তুলতে সহয়তা করে। ফলে এই জবা ফুল একজনকে চিরযৌবন এনে দিতে পারে
আপনাদের যে কোন রোগের চিকিৎসা ও পরামর্শ জন্য আমাদের ইনবক্সে যোগাযোগ করুন
কবিরাজ সঞ্জয় দত্ত
ডি এ এম এস ঢাকা আয়ুর্বেদিক কলেজ এন্ড হাসপাতাল
গভঃ রেজিষ্ট্রেশন নং ৩২২০ ঢাকা আয়ুর্বেদিক বোর্ড
মোবাইল

01636933143
চেম্বার
সাধনা ঔষধালয়
বাসাবো খিলগাঁও ঢাকা
?????
দেশে ও বিদেশে ঔষধ পাঠানো হয়
????????

আপনাদের সবাইকে
সাধনা ঔষধাল পেইজের
পক্ষে থেকে
শার্দীয় দুর্গা পূজার শুভেচ্ছা ও অভিন্দন
মা দুর্গা প্রাথিবী সকল মানব
জাতিকে সুখে ও শান্তিতে রাখবে
এই আর্শিবাদ করছি মা দুর্গার কাছে
?????

#সজিনা_গাছ_কে_বলা_হয়_পুস্টির_ডিনামাইট

সজিনা গাছের পাতাকে বলা হয় অলৌকিক পাতা। এটি পৃথিবীর সবচেয়ে পুষ্টিকর হার্ব। গবেষকরা সজিনা পাতাকে বলে থাকেন নিউট্রিশন্স সুপার ফুড।

এটির শাক হিসেবে ব্যবহৃত পাতা ভিটামিন A -এর এক বিশাল উৎস। সজনের পাতা এবং ফল উভয়ের মধ্যেই বিপুল পরিমাণে পুষ্টি আছে। এতসব পুষ্টিগুণ একসাথে আছে বলেই এর মাধ্যমে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং জীবন ধারনের পুষ্টি দুটোই পাওয়া যায়।

★ প্রতি গ্রাম সজনে পাতায়ঃ-
* একটি কমলার চেয়ে সাত গুণ বেশি ভিটামিন c রয়েছে।
* দুধের চেয়ে চার গুণ বেশি ক্যালসিয়াম ও দুই গুণ বেশি প্রোটিন রয়েছে।
* গাজরের চেয়ে চার গুণ বেশি ভিটামিন a এবং কলার চেয়ে তিন গুণ বেশি পটাশিয়াম বিদ্যমান।ফলে এটি অন্ধত্ব, রক্তস্বল্পতা সহ বিভিন্ন ভিটামিন ঘাটতি জনিত রোগের বিরুদ্ধে বিশেষ হাতিয়ার হিসেবে কাজ করে।

★ এতে প্রচুর পরিমাণে জিঙ্ক থাকে এবং পালংশাকের চেয়ে তিন গুণ বেশি আয়রণ বিদ্যমান, যা এ্যানেমিয়া দূরীকরণে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

★ সজনে শরীরে কোলেস্টেরল এর মাত্রা নিয়ন্ত্রনেও অন্যতম অবদান রাখে।

★ মানুষের শরীরের প্রায় ২০% প্রোটিন যার গাঠনিক একক হলো এমাইনো এসিড। শরীরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মেটাবোলিজম এবং অন্যান্য শারীরবৃত্ত্বীয় কার্যাবলী পরিপূর্ণরূপে সম্পাদনে এমাইনো এসিড গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। মানুষের শরীরের যে ৯ টি এমাইনো এসিড খাদ্যের মাধ্যমে সরবরাহ করতে হয়, তার সবগুলোই এই সাজনার মধ্যে বিদ্যমান।

★ এটি শরীরে সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রনের মাধ্যমে ডায়াবেটিসের মত কঠিন রোগের বিরুদ্ধে কাজ করে থাকে।

★ নিয়মিত দৈনিক সেবন শরীরের ডিফেন্স মেকানিজমকে আরো শক্তিশালী করে এবং ‘ইমিউনিটি স্টিমুল্যান্ট’ হওয়ার দরুন এটি ‘এইডস’ আক্রান্ত রোগীর ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

★ এটি শরীরের হজম ক্ষমতা বৃদ্ধি করে পুষ্টিবর্ধক হিসেবে কাজ করে।

★ শরীরের ওজন কমাতেও ব্যায়ামের পাশাপাশি এটি বেশ কার্যকরী ভুমিকা পালন করে থাকে।

★ এটি মায়ের বুকের দুধ বৃদ্ধিতে সহায়তা করে কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়াই। পাতা থেকে তৈরি এক টেবিল চামচ পাউডারে ১৪% প্রোটিন, ৪০% ক্যালসিয়াম, ২৩% আয়রণ বিদ্যমান, যা ১ থেকে তিন বছরের শিশুর সুষ্ঠু বিকাশে সাহায্য করে। গর্ভাবস্থায় এবং বুকের দুধ খাওয়ানোকালীন সময়ে ৬ টেবিল চামচ পাউডার একজন মায়ের প্রতিদিনের আয়রণ এবং ক্যালসিয়ামের চাহিদা পূরণ করে থাকে।

★ এটির এন্টি-ব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান। এটি যকৃত ও কিডনী সুস্থ্য রাখতে এবং রূপের সৌন্দর্য বর্ধক হিসেবেও কাজ করে থাকে।

★ সাজনাতে প্রায় ৯০টিরও বেশি এবং ৪৬ রকমের এন্টি-অক্সিডেন্ট বিদ্যমান।

★ এতে ৩৬ টির মত এন্টি-ইনফ্ল্যামমেটরি বৈশিষ্ট্য আছে। এছাড়াও এটি অকাল বার্ধক্যজনিত সমস্যা দূর করে এবং ক্যান্সারের বিরুদ্ধে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।

তাছাড়া সজিনাতে প্রতি ১০০ গ্রামে খাদ্যপোযোগী পুষ্টি উপাদান সমুহঃ-

জ্বলীয় অংশ = ৮৩.৩ গ্রাম
খনিজ = ১.৯ গ্রাম
আঁশ = ৪.৮ গ্রাম
খাদ্যশক্তি = ৬০ কিলোক্যালোরি
প্রোটিন = ৩.২ গ্রাম
চর্বি = ০.১ গ্রাম
শর্করা = ১১.৪ গ্রাম
ক্যলশিয়াম = ২১.০ মিলিগ্রাম
লোহা = ৫.৩ মিলিগ্রাম
ক্যারোটিন = ৭৫০ মাইক্রোগ্রাম
ভিটামিন=বি=১ = ০.০৪ মিলিগ্রাম
ভিটামিন=বি=১ = ০.০২ মিলিগ্রাম
ভিটামিন=সি = ৪৫.০ মিলিগ্রাম
===========================
বিঃদ্রঃ আমাদের পোষ্টগুলো যদি আপনাদের ভাল লাগে তাহলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন। আপনার যদি লিখতে কষ্ট হয় তাহলে সংক্ষেপে
T=Thanks
G=Good,
V=Very Good
E=Excellent
T, G, V কিংবা E লিখে কমেন্টস করবেন।
নিয়মিত স্বাস্থ্যতথ্য পেতে অামাদের পেইজে লাইক দিন৷
ভালো লাগলে শেয়ার করে অন্যদের জানান৷

প্রস্রাবের পর সাদা বীর্যপাত হওয়ার কারন?
--------------------------------------------------------
অনেকেই এমন সমস্যা আছে যে, প্রস্রাবের পর সাদা পাতলা বীর্য বের হয়। মলমুত্রের শেষে সাদা আস্তরণ পরে। এটি স্বাভাবিক একটা বিষয় কারণ আমাদের টেস্টিকলে বীর্য প্রতিনিয়ত উত্‍পন্ন হচ্ছে। এই ধরনের সমস্যা কে ধাতু দূর্বলতা বলে। আসুন জেনে নেয়া যাক ধাতু দূর্বলতার কারণ ও প্রতিকার কি?
ধাতু দৌর্বল্য (Spermatorrhoea) কি:
অনৈচ্ছিক বীর্যপাতের নামই হলো ধাতু দূর্বলতা হলো ইচ্ছা, উত্তেজনা, নাড়াচাড়া ছাড়াই পেশাবের আগে বা পরে পুরুষাঙ্গ হতে বীর্য বের হওয়া, অথবা পেশাবের সাথে বা কঠোর মেহনত, বোঝা উত্তোলন অথবা উত্তেজনা আসার দ্বারা কিংবা মহিলাকে স্পর্শ করার দ্বারা বীর্যপাত হয়। আবার অনেক সময় জোর খাটানোর সময় বীর্যপাত হয়ে যায়। তদ্রুপভাবে ঘুমে গেলে বীর্যপাত হয়। ধাতু বা বীর্য যেহেতু শরীরের রূহ বলা হয়ে থাকে, সেহেতু বীর্যপাত হওয়ার দ্বারা শরীরে অলসতা ও ধাতু দূর্বলতা দেখা দেয়। এমনকি কোমরে ব্যথাও অনুভব হয়।
ধাতু দূর্বলতা:
সবচেয়ে ক্ষতিকর দিক হলো মাথার ব্রেণে দুর্বলতা প্রকাশ পায়। চেহারা শুকিয়ে যায়। শারীরিক দুর্বলতাও ব্যাপকভাবে প্রকাশ পায়। কোনো কাজেই ভালো লাগে না। সব কাজেই বিরক্তি বিরক্তি ভাব দেখা দেয়। সব সময় মনে চায় যদি শুয়ে থাকতে পারতাম। মহিলাদের প্রতি যৌন আকর্ষণ হ্রাস পেতে পেতে এক সময় তাদের প্রতি কোনো চাহিদাই জাগে না। কারো সাথে মেলা-মেশা, কথাবার্তা বলতেও ভালো লাগে না। নীরব ও অন্ধকার লাগে। একাকী ও নির্জনতা পছন্দ হয়। কারো কারো অবস্থা এমন করুণ হয়ে দাড়াঁইয়, যার কারণে আত্মহত্যার জন্যও প্রস্তুতি নেয়। এসব কেবল ধাতু দুর্বলতার কারণে হয়ে থাকে।
ধাতু দুর্বলতা রোগের কারণঃ
ধাতু দুর্বলতার অনেক কারণ আছে। তন্মধ্যে নিম্মোক্ত কারণগুলো বেশিরভাগ লোকদের মাঝে পাওয়া যায়।
১. উত্তেজনার বশিভুত হয়ে হস্তমৈথুন করে বীর্যপাত ঘটানো।
২. সমকামিতার মাধ্যমে বীর্যপাত ঘটানো।
৩. সব সময় পেটের অসুখ লেগে থাকার কারণে ধাতু দূর্বলতা হয়।
৪. কতক সময় অধিক গরম ও বিলম্বে হজম হয় এম খাদ্য খাওয়ার দ্বারা।
৫. ভরপেটে সহবাস করার দ্বারা ধাতু দূর্বলতার দেখা দেয়।
৬. অশ্লীল, যৌন উদ্দীপক ছবি দেখার দ্বারা বীর্যপাত হয়ে থাকে। আর এসব কারণেই বেশিরভাগ ধাতু দুর্বলতা রোগ সৃষ্টি হয়ে থাকে।
ধাতু দূর্বলতার সমস্যা ও সমাধান
প্রত্যহ প্রাত:কালে অর্ধ পোয়া পরিমাণ ছোট পিয়াঁজ কুচি লবন চূর্নসহ চিবাইয়া খাইয়া আধা সের পরিমান কাচাঁ দুধ পান করিবেন ২/৩ সপ্তাহ এ ঔষধ সেবনে শুক্র গাড় ও তিশক্তি বৃদ্বি হইবে এবং ধাতু দূর্বলতা দূর হবে।
পূর্ব দিন রাত্রে সামান্য একটু পানিতে অর্ধ ছটাক পরিমান ইছুবগুল ভিজাইয়া রখিবেন। পরদিন প্রাত:কালে ইহার সহিত ১ পোয়া ছাগলের কাচাঁ দুধ ও কিছু চিনি মিশাইয়া, বাসি পেটে সেবন করিবেন। নিয়মিত এ ঔষধ ২/৩ সপ্তাহ সেবন করিলে বলবীর্য অত্যাধিক বৃদ্বি পাইবে এবং ধাতু দূর্বলতার আস্তে আস্তে সম্পাপ্তি ঘটবে।
শুকনো আমলকী ৫০ গ্রাম উত্তমরুপে চূর্ন করে পরিস্কার কাপড়ে ছেকে নিতে হবে এবং কিছু পরিমান আমলকি পিষে রস বাহির করে নিতে হবে। ঐ আমলকী রসের সহিত আমলকি গুড়া উত্তমরুপে মিশাইয়া অল্প আঁচে শুকাইয়া পুনরায় রৌদ্রে শুকাইয়া, শুস্ক করে নিতে হইবে। এবার ঐ চূর্নের সহিত মিছরি গুড়া করে পরিমান মতো মধু নিয়ে প্রত্যহ সকালে সেবন করিলে নপুংসকতা নাশ হয়।
তিন তোলা পরিমাণ ছোলাবুট রাত্রে ধুইয়া ভিজাইয়া রাখিনে সকাল বেলা ঘুম হইতে উঠে হাত মুখ ধুয়ে খালী পেটে চিবাইয়া খাইবেন। এই ভাবে একাধারে অন্তত একমাস খাইলে পরে ধাতু দৌর্বল্য রোগ আরোগ্য হয়।
কৃষ্ণতিলা ও আমলকী সমপরিমানে চূর্ন করিয়া উত্তমরুপে ছেপে নিবেন, প্রত্যহ রাত্রে শয়নকালে ১ তোলা পরিমান চূর্ন মুখে দিয়া এক গ্লাস ঠান্ডা পানি পান করিবেন। এইভাবে ২১ দিন নিয়মিত পান করিলে আপনার গোপন সমস্যা সমাধান হবে।
আম, জাম, ও তেঁতুলের বীজ সমান পরিমান নিয়া উত্তমরুপে চূর্ন করিতে হইবে। প্রত্যহ রাত্রে শয়নকালে ১ তোলা পরিমান চূর্ন মুখে দিয়া এক গ্লাস ঠান্ডা পানি পান করিবেন। এই ভাবে ৩ সপ্তাহ সেবন করলে আপনার ধাতু দূর্বলতাসহ গোপন সমস্যা সমাধান হবেই।
প্রতি রাতে শোয়ার পূর্বে এক কোয়া পিয়াজ দশটি কালো জিরার সাথে চিবিয়ে খেলে ৮০ বছর বয়স পর্যন্ত যৌবন শক্তি বহাল থাকে।
পুরাতন আম গাছের ছাল আগের দিন আধা গ্লাস পরিমান পানিতে ভিজিয়ে রেখে পরের দিন সকালে খালী পেটে সমপরিমানে গরুর কাচাঁ দুধ দিয়ে পান করলে আপনার গোপন সমস্যা ভালো হবে এবং ধাতু দূর্বলতাও দূর হবে।
কেউ যদি যৌনরোগে ভূগেন। এই রোগ দেখা দেওয়ার পূর্বে বহু হস্তমৈথুন করেছেন। বর্তমানে ধজভঙ্গ হয়ে গেছে। প্রসাবের বেগ হলে ২/১ মিনিট ধারণ করতে পারেন না। প্রসাবে জ্বালা পোড়া হয়। কোমর ব্যথা করে। পায়খানা ও প্রাসাব কালে ধাতু যায়। শরীর দুর্বল। তাহলে আপনে নিয়মিত ভাবে
তা হলে আপনি সকালে খালী পেটে
ইসুপগুলের
ভুশি ১ চামচ
শতমুল ১ চামচ
তালমাখা ১ চামচ
শিমগাছের মূল ১ চামচ
খাবেন
৪৫ দিন
তার পরে আপনি দেখতে পারবে
ফলাফল আপনার চোখের সমনে চলপ আসবে
আপনাদের যে কোন যৌন রোগ ও জটিল ও কঠিন রোগের চিকিৎসা ও পরামর্শ জন্য আমাদের পেইজে লাইক দিন
অথবা আমাদের ইনবক্সে যোগাযোগ করুন
বিঃ দ্রঃ
এখানে নারী ও পুরুষের গোপন রোগ সহ জটিল ও কঠিন রোগের চিকিৎসা করা হয়
দেশে ও বিদেশে ঔষধ পাঠানো হয়
মোবাইল ইমু 01636933143

আমাদের পোস্ট শেয়ার ও লাইক দিয়ে আপনাদের মতামত জানান

Want your business to be the top-listed Clinic in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Address

01636933143
Dhaka
Other Family Doctors in Dhaka (show all)
Palli Doctor Palli Doctor
Motijheel
Dhaka, 1000

this is Facebook fan page of palli Doctor...

Urologist & General Surgeon Dr Tajkera Sultana Chowdhury Urologist & General Surgeon Dr Tajkera Sultana Chowdhury
Comfort Nursing Home
Dhaka, 1205

There are certain areas of a human body which is termed private specially women tends to hide any kind of physical discomfort. This inspired us to start

ডাক্তার তানিয়া আক্তার ডাক্তার তানিয়া আক্তার
Dhaka
Dhaka

আপনার সব কঠিন সমস্যার সহজ সমাধান দিতে আমরা আপনার পাশেই আছি...!!!

Online Homeopathic Treatment Center Online Homeopathic Treatment Center
Mirpur-14
Dhaka, 1206

What is homeopathy? Homeopathy is a natural form of medicine used by over 200 million people worldwide to treat both acute and chronic conditions.

Minimally Invasive Back Pain Solution Minimally Invasive Back Pain Solution
IBN SINA , MALIBAGH
Dhaka

Most common physical problem is back pain . Pain killer is not the solution for back pain rather it might damage Kidney or Liver

Dental Implant Center Dental Implant Center
Road# 5, Sector#10, Uttara.
Dhaka, 1230

Welcome you to our website! At Implant Dental Care, our philosophy is to provide treatment to the whole person - with a special focus on how your teeth!!!!

Swapna Pharmacy Swapna Pharmacy
B/37 , Zakir Hossain Road , Mohammadpur
Dhaka, 1207

সুলভ মূল্যে চিকিৎসাবিধি অনুযায়ী সবধরনের ঔষধ বিক্রয় করা হয়। অগ্রীম অর্ডার রাখা হয়।

আলকেমি রোগ নির্ণয় কেন্দ্র  ১৩৮ লুত্ফর রহমান স্ট্রিট ; শুরিটলা  ;ঢাকা আলকেমি রোগ নির্ণয় কেন্দ্র ১৩৮ লুত্ফর রহমান স্ট্রিট ; শুরিটলা ;ঢাকা
138 Lutfor Rahman Street North South Road
Dhaka, 1190

ক'জনা তোমার মত চাইতে জানে !

ShebaLagbe.com ShebaLagbe.com
Bangladesh Nearest Health Service Person Available
Dhaka, 1216

Get world class Priyojon healthcare at your home.Our Services 24x7 Caregivers Doctor on-demand Nurses Physiotherapist Medical Equipment Baby Care etc

Hello Doctors Hello Doctors
80/3,Shukrabad
Dhaka, 1207

You will get more information about Doctors information, Hospital address and Medicine etc.

Physiotherapy Foundation Of Bangladesh Physiotherapy Foundation Of Bangladesh
P.C Culture Housing Society, Shamoli,
Dhaka, 1207

Physiotherapy is a health care profession which assists people to restore, maintain maximize their strength, function, movement, and overall well-being.

New Life Homeo Hall New Life Homeo Hall
Mirdha Bari, Matuail
Dhaka

New Life Homeo Hall managed by Dr M.A Hashem . He is a Homeopathic doctor have been practicing Homeopathy in Dhaka from 1994.

About   Contact   Privacy   Login C